শ্রীমঙ্গলে বিএনপির যৌথসভায় পুলিশের অর্তকিত হামলা ও ফাঁকা গুলি বর্ষণ- আটক -৩, আহত-১০

December 3, 2013, এই সংবাদটি ৬২০ বার পঠিত

শ্রীমঙ্গলে উপজেলা বিএনপির কর্মী সভায় পুলিশের অর্তকিত হামলা ও ফাঁকা গুলি বর্ষণ ও তিন যুবদল নেতাকর্মীকে আটক এবং জরিমানা ঘটনার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন । ১ ডিসেম্বর রোববার রাত সাড়ে আটটার দিকে শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপি, সেচ্ছাসেবকদল, যুবদল, ছাত্রদলসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা হবিগঞ্জ সড়কের সুরমা ভ্যালী এলাকায় যৌথ সভায় আয়োজন করে। এসময় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ইদ্রিছ আলী নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখছিলেন। এসময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শ্রীমঙ্গল থানার একদল পুলিশ সভাটি ছত্রভঙ্গ করতে অর্তকিত ভাবে নেতাকর্মীর উপর লাঠিচার্জ করে ও কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ও ছোঁড়ে । শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তদন্ত মারুফ হোসেন মুঠোফোনে সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এতে কমপক্ষে ১০জন নেতাকর্মী আহত হন। এসময় পুলিশ পৌরযুবদলের তিনজন কর্মীকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে যুবদলকর্মী ছাদেকুল আলম(২৫), মাসুক মিয়া (২৮) ও শিপন মিয়া (২৮) কে ভ্রামামাণ আদালত ৫ হাজার টাকা জরিমানা করে ছেড়ে দেন। সোমবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরী এ জরিমানা প্রদান করেন। পুলিশের এ হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন উপজেলা বিএনপির সাধারন মো. ইদ্রিছ আলী, পৌর বিএনপির সভাপতি সরফরাজ আলী বাবুল, বিএনপির নেতা মছদ্দর আলী, থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোছাব্বির আলী মুন্না, সেচ্ছাসেবক দলের সম্পাদক মহিউদ্দিন ঝাড়– ও তাঁতী দলের সভাপতি সেলিম আহমেদ সাধারন সম্পাদক ইমাদ উদ্দিন, পৌর যুবদল সভাপতি টিটু গাজী ছাত্রদল আহবায়ক টিটু আহমেদ ও মাসুম আহমেদ। শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মো. ইদ্রিছ আলী বলেন, পুলিশ সরকারের দলীয় কর্মীদের ভূমিকায় নেমেছে। শান্তিপূর্ন সভা-সমাবেশ বন্ধ করে.নেতাকর্মীদের ওপর মামলা –হামলা সহ গুলিবর্ষণ করছে। নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পুলিশ দিন রাত হানা দিচ্ছে। পরিবারের লোকজনদের হুমকি ধামকি দিয়ে রাজপথের আন্দোলন দমিয়ে রাখতে চা”েচ্ছ। জেলা বিএনপির যুগ্মা আহবায়ক আব্দুল মুকিত বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের আচরন এমন পর্যায়ে পৌঁেছছে যেন দেশে গণতন্ত্র এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিলুপ্ত প্রক্রিয়া চলছে। কিছু সুবিধাভোগি পুলিশের অতি উৎসাহী আচরন দলীয় কর্মীদের চেয়েও বেশি তৎপরতা এটাই প্রমাণ করে দেশের গণতান্ত্রিক সরকার না পুলিশি রাষ্ট্র চর্চা চলছে। তিনি জানান,এঘটনায় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি এম নাছের রহমান ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী এবাদুর রহমান চৌধুরী,জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান চৌধুরী হাজী মুজিব ও এডভোকেট আবেদ রাজা তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
শ্রীমঙ্গলে উপজেলা বিএনপির কর্মী সভায় পুলিশের অর্তকিত হামলা ও ফাঁকা গুলি বর্ষণ ও তিন যুবদল নেতাকর্মীকে আটক এবং জরিমানা ঘটনার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন । ১ ডিসেম্বর রোববার রাত সাড়ে আটটার দিকে শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপি, সেচ্ছাসেবকদল, যুবদল, ছাত্রদলসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা হবিগঞ্জ সড়কের সুরমা ভ্যালী এলাকায় যৌথ সভায় আয়োজন করে। এসময় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ইদ্রিছ আলী নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখছিলেন। এসময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শ্রীমঙ্গল থানার একদল পুলিশ সভাটি ছত্রভঙ্গ করতে অর্তকিত ভাবে নেতাকর্মীর উপর লাঠিচার্জ করে ও কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ও ছোঁড়ে । শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তদন্ত মারুফ হোসেন মুঠোফোনে সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এতে কমপক্ষে ১০জন নেতাকর্মী আহত হন। এসময় পুলিশ পৌরযুবদলের তিনজন কর্মীকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে যুবদলকর্মী ছাদেকুল আলম(২৫), মাসুক মিয়া (২৮) ও শিপন মিয়া (২৮) কে ভ্রামামাণ আদালত ৫ হাজার টাকা জরিমানা করে ছেড়ে দেন। সোমবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরী এ জরিমানা প্রদান করেন। পুলিশের এ হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন উপজেলা বিএনপির সাধারন মো. ইদ্রিছ আলী, পৌর বিএনপির সভাপতি সরফরাজ আলী বাবুল, বিএনপির নেতা মছদ্দর আলী, থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোছাব্বির আলী মুন্না, সেচ্ছাসেবক দলের সম্পাদক মহিউদ্দিন ঝাড়– ও তাঁতী দলের সভাপতি সেলিম আহমেদ সাধারন সম্পাদক ইমাদ উদ্দিন, পৌর যুবদল সভাপতি টিটু গাজী ছাত্রদল আহবায়ক টিটু আহমেদ ও মাসুম আহমেদ। শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মো. ইদ্রিছ আলী বলেন, পুলিশ সরকারের দলীয় কর্মীদের ভূমিকায় নেমেছে। শান্তিপূর্ন সভা-সমাবেশ বন্ধ করে.নেতাকর্মীদের ওপর মামলা –হামলা সহ গুলিবর্ষণ করছে। নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পুলিশ দিন রাত হানা দিচ্ছে। পরিবারের লোকজনদের হুমকি ধামকি দিয়ে রাজপথের আন্দোলন দমিয়ে রাখতে চা”েচ্ছ। জেলা বিএনপির যুগ্মা আহবায়ক আব্দুল মুকিত বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের আচরন এমন পর্যায়ে পৌঁেছছে যেন দেশে গণতন্ত্র এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিলুপ্ত প্রক্রিয়া চলছে। কিছু সুবিধাভোগি পুলিশের অতি উৎসাহী আচরন দলীয় কর্মীদের চেয়েও বেশি তৎপরতা এটাই প্রমাণ করে দেশের গণতান্ত্রিক সরকার না পুলিশি রাষ্ট্র চর্চা চলছে। তিনি জানান,এঘটনায় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি এম নাছের রহমান ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী এবাদুর রহমান চৌধুরী,জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান চৌধুরী হাজী মুজিব ও এডভোকেট আবেদ রাজা তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •