আজ ৫ ডিসেম্বর জুড়ী মুক্ত দিবস

December 6, 2013, এই সংবাদটি ৪৭৯ বার পঠিত

আজ ৫ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার। মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী এলাকা পাক হানাদার মুক্ত হয় এ দিন। মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তী বছর ১৯৭২ সাল থেকে ৫ ডিসেম্বর জুড়ী মুক্ত দিবস হিসাবে পালিত হয়। ১৯৭১ সালের ১ ডিসেম্বর ভারতের বাঘ পাশায় মুক্তি বাহিনী ও মিত্র বাহিনী যুদ্ধের সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করে বাংলাদেশে প্রবেশের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশের অপেক্ষায় ছিল। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ পেয়ে ৩ ডিসেম্বর রাতে সীমান্তের রাঘনা বটুলী এলাকায় জুড়ী নদীর উপর অস্থায়ী সেতু নির্মাণ করে মুক্তি বাহিনী ও মিত্র বাহিনী বিনা বাঁধায় ফুলতলা ইউনিয়নের ফুলতলা বাজার সম্পুর্ন দখল করে নেয়। ওই রাতেই যৌথ বাহিনী পাকিস্থানী হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুললে হানাদার বাহিনী পিছু হঠতে বাধ্য হয়। রাতের মধ্যেই সাগরনাল ইউনিয়ন যৌথ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। ৪ ডিসেম্বর রাতে যৌথ বাহিনী জুড়ী শহরের দিকে অগ্রসর হতে থাকলে রতœা চা বাগানের নিকট হানাদার বাহিনীর সাথে তুমুল যুদ্ধ সংঘটিত হয়। যুদ্ধে অনেক হতাহতের পর রাত ৩টার দিকে যৌথ বাহিনী হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে তুমুল প্রতিরোধ গড়ে তুলে। যৌথ বাহিনীর প্রতিরোধে টিকতে না পেরে পাকিস্থানী হানাদার বাহিনী পিছু হঠতে বাধ্য হয়। ৫ ডিসেম্বর মুক্তি বাহিনী ও মিত্র বাহিনী জুড়ী শহর দখল করে নেয়। ওই দিন জুড়ী এলাকায় উড়তে থাকে স্বাধীন বাংলার লাল সবুজের পতাকা।
আজ ৫ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার। মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী এলাকা পাক হানাদার মুক্ত হয় এ দিন। মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তী বছর ১৯৭২ সাল থেকে ৫ ডিসেম্বর জুড়ী মুক্ত দিবস হিসাবে পালিত হয়। ১৯৭১ সালের ১ ডিসেম্বর ভারতের বাঘ পাশায় মুক্তি বাহিনী ও মিত্র বাহিনী যুদ্ধের সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করে বাংলাদেশে প্রবেশের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশের অপেক্ষায় ছিল। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ পেয়ে ৩ ডিসেম্বর রাতে সীমান্তের রাঘনা বটুলী এলাকায় জুড়ী নদীর উপর অস্থায়ী সেতু নির্মাণ করে মুক্তি বাহিনী ও মিত্র বাহিনী বিনা বাঁধায় ফুলতলা ইউনিয়নের ফুলতলা বাজার সম্পুর্ন দখল করে নেয়। ওই রাতেই যৌথ বাহিনী পাকিস্থানী হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুললে হানাদার বাহিনী পিছু হঠতে বাধ্য হয়। রাতের মধ্যেই সাগরনাল ইউনিয়ন যৌথ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। ৪ ডিসেম্বর রাতে যৌথ বাহিনী জুড়ী শহরের দিকে অগ্রসর হতে থাকলে রতœা চা বাগানের নিকট হানাদার বাহিনীর সাথে তুমুল যুদ্ধ সংঘটিত হয়। যুদ্ধে অনেক হতাহতের পর রাত ৩টার দিকে যৌথ বাহিনী হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে তুমুল প্রতিরোধ গড়ে তুলে। যৌথ বাহিনীর প্রতিরোধে টিকতে না পেরে পাকিস্থানী হানাদার বাহিনী পিছু হঠতে বাধ্য হয়। ৫ ডিসেম্বর মুক্তি বাহিনী ও মিত্র বাহিনী জুড়ী শহর দখল করে নেয়। ওই দিন জুড়ী এলাকায় উড়তে থাকে স্বাধীন বাংলার লাল সবুজের পতাকা। কুলাউড়া অফিস॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •