অবরোধ সমর্থনে মৌলভীবাজারে ১৮ দলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

December 9, 2013, এই সংবাদটি ১৫১ বার পঠিত

নির্দলীয় সরকার এবং একতরফা নির্বাচনের তফসিল বাতিলের দাবিতে ১৮ দলীয় জোটের ডাকা টানা ৭২ ঘন্টা অবরোধ সফল করতে একটি বিক্ষোভ মিছিল করে ১৮ দলীয় জোট।
রোববার ৮ ডিসেম্বর বিকাল সাড়ে ৪ টায় মিছিলটি শহীদ মিনার প্রাঙ্গন থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদিক্ষণ করে পশ্চিমবাজার চৌরাস্তায় এক সমাবেশে মিলিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিএনপির প্রথম যুগ্ন সম্পাদক ও মৌলভীবাজার জেলা সংগ্রাম কমিটির সদস্য সচিব আব্দুল মুকিত, জেলা জামায়াত সেক্রেটারী ইঞ্জিনিয়ার সাহেদ আলী, সদর থানা বিএনপির আহ্বায়ক মৌলভী আব্দুল ওয়ালী সিদ্দিকী প্রমুখ।

মৌলভীবাজারে ১৮ দলের অবরোধ পালিত
নির্দলীয় সরকার এবং একতরফা নির্বাচনের তফসিল বাতিলের দাবিতে ১৮ দলীয় জোটের ডাকা টানা ৭২ ঘন্টা অবরোধ ১ম দিনে ৭ ডিসেম্বর মৌলভীবাজারে শান্তিপূর্নভাবে পালিত হয়েছে। ভোর ৬টা থেকেই শহরের ৪টি স্পটে রাস্তা অবরূধ করে মিছিল সমাবেশ করে বিএনপি, জামায়াত, জমিয়ত, যুবদল, ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, ছাত্রজমিয়তের নেতা কমীরা। শহরের চাঁদনীঘাট, শমসের নগর রোড, ওয়াপদা পয়েন্ট ও উপজেলা চত্বরে এসব মিছিল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এসব স্থানে নেতৃত্ব দেন বিএনপির প্রথম যুগ্ন সম্পাদক ও মৌলভীবাজার জেলা সংগ্রাম কমিটির সদস্য সচিব আব্দুল মুকিত, জেলা জামায়াত সেক্রেটারী ইন্জিনিয়ার সাহেদ আলী, সদর থানা বিএনপির আহ্বায়ক মৌলভী আব্দুল ওয়ালী সিদ্দিকী, জামায়াতের পৌর আমীর ইয়ামীর আলী, সদর উপজেলা আমীর আলাউদ্দিন শাহ, বিএনপির পৌর আহ্বায়ক এডভোকেট আনোয়ার আক্তার চৌধুরী, সদর থানা বিএনপির সহ সভাপতি আলহাজ্ব আনসার মিয়া, সদর থানা বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক মোঃ ফখরুল ইসলাম, যুবদল নেতা মতিন বক্স, মুজিবুর রহমান, হেলু মিয়া, প্রমুখ। সমাবেশে বক্তারা বলেন সরকার জনগণের আন্দোলন দমনের জন্য ১৮ দলীয় জোটের নেতা-কর্মীদের ওপর গণহত্যা, গণগ্রেফতার, জ্বালাও-পোড়াও এবং নেতা-কর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর চালিয়ে আন্দোলন দমন করতে পারছে না। দেশে যে সংঘাত ও সংঘর্ষের পরিস্থিতি বিরাজ করছে তার জন্য স্বৈরাচারী সরকারই এককভাবে দায়ী।

অবরোধের ৫ম দিনে মৌলভীবাজারে ২৫ টি গাড়ি ভাংচুর, সড়ক অবরোধ গ্রেপ্তার-২
নির্বাচনের ঘোষিত তফসিল প্রত্যাখ্যান করে ৫ম দিনেও গাড়ি ভাংচুর, রাস্তায় ব্যারিকেটের মধ্য দিয়ে অবরোধ কমসূর্চী পালন করে মৌলভীবাজারে ১৮ দলের নেতাকর্মীরা। ৪ ডিসেম্বও বুধবার সকাল থেকে শহরের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ন রাস্তায় বসে অবরোধ পালন করছে জামায়াত শিবিরসহ ১৮ দল। ভোর থেকেই মৌলভীবাজারের ৪টি স্পটে রাস্তা অবরোধ করে মিছিল সমাবেশ করে বিএনপি, জামায়াত, জমিয়ত, যুবদল, ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, ছাত্রজমিয়তের নেতা কমীরা। শহরের চাঁদনীঘাট, শমসের নগর রোড, ওয়াপদা পয়েন্ট ও উপজেলা চত্বরে এসব মিছিল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এসব স্থানে নেতৃত্ব দেন ১৮ দলীয় সংগ্রাম কমিটি মৌলভীবাজার জেলা যুগ্ন আহ্বায়ক ও মৌলভীবাজার জেলা জামায়াত আমীর আব্দুল মান্নান, বিএনপির প্রথম যুগ্ন সম্পাদক ও মৌলভীবাজার জেলা সংগ্রাম কমিটির আব্দুল মুকিত, জেলা জামায়াত সেক্রেটারী ইঞ্জিনিয়ার সাহেদ আলী, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আলহাজ্ব ইউসুফ আলী, সদর থানা বিএনপির আহ্বায়ক মৌলভী আব্দুল ওয়ালী সিদ্দিকী, জামায়াতের পৌর আমীর ইয়ামীর আলী, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক এড আনোয়ার আক্তার শিউলী, সদর উপজেলা আমীর আলাউদ্দিন শাহ, সদর থানা বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক মোঃ ফখরুল ইসলাম, জেলা জমিয়তের সহ-সাধারন সম্পাদক শাহ মাসুকুর রশীদ, ছাত্রদল নেতা আলী ছব্দর খান বাবর, কামাল আহমদ, পিপলু আহমদ, ছাত্রশিবির মৌলভীবাজার শহর সভাপতি হাফেজ তাজুল ইসলাম, জেলা সভাপতি দেলোওয়ার হোসেন, ছাত্রজমিয়ত জেলা সভাপতি জিল্লুর রহমান, যুবদল নেতা মুজিবুর রহমান মজনু, হেলু মিয়া, মতিন বক্স, মুক্তার হোসেন, আনসার মিয়া, মোবারক আহমদ প্রমুখ। অরোধের কারনে পরীক্ষার্থীসহ সাধারন মানুষ চরম র্দূভোগে পড়ে। দুরপাল্লার বাস চলাচল না করলেও রেল ও ছোট ছোট যানবাহন চলাচল করছে। শহরে নাশকতা এড়াতে র্যাব ও পুলিশের টহল জোরধার করা হয়েছে। অপরদিকে রাজনগর উপজেলায় মঙ্গলবার (০৩ ডিসেম্বর) রাত থেকে বুধবার (০৪ ডিসেম্বর) বিকাল ৫টা পর্যন্ত ১০টি গাড়ি ভাংচুর করেছে অবরোধকারীরা। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৭টায় রাজনগর উপজেলার মৌলভীবাজার-ফেঞ্চুগঞ্জ সড়কের চৌধুরীবাজারে ১টি ট্রাক ও ২টি অটোরিক্সায় ভাংচুর করে। অপরদিকে বুধবার সকাল ৭টায় মৌলভীবাজার-শ্রীমঙ্গল সড়কের মোকামবাজারে ২ টি ট্রাক ও ১টি অটোরিক্সা এবং মৌলভীবাজার-সিলেট সড়কে ১টি পিকআপ ও ১টি অটোরিক্সা ভাংচুর করা হয়। মঙ্গলবার রাতে ১৮ দলের বিক্ষোভ মিছিল থেকে ফেরার সময় পৌর ছাত্রদলের পাপলু আহমদ(২৪) ও পারভেজ আহমদ(২৫) নামের ২ ছাত্রদল কর্মীকে আটক করে মডেল থানা পুলিশ। বুধবার দুপুরে তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়। তবে শ্রীমঙ্গলে দুপুর ১টায় মতিগঞ্জ এলাকায় ৫টি সিএনজি ভাংচুর করে বিএনপির কর্মীরা। এছাড়া জেলা ৬টি উপজেলায় শান্তিপূর্ন অবরোধ পালনের খবর পাওয়া গেছে।

মৌলভীবাজারে ১৮ দলের সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ মিছিল
নির্বাচনের ঘোষিত তফসিল প্রত্যাখ্যান করে ৫ম দিনেও গাড়ি ভাংচুর, সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ মিছিলের মধ্য দিয়ে অবরোধ কমসূর্চী পালন করছে ১৮ দলের নেতাকর্মীরা। ৪ ডিসেম্বর বুধবার সকাল থেকে মৌলভীবাজারে শহরের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ন রাস্তায় অবরোধ পালন করে জামায়াত শিবিরসহ ১৮ দলের শরীক দল গুলো। বিকেলে অবরোধের সমর্থনে বিক্ষোভ মিছিল করে ১৮ দল। মিছিলটি চৌমুহনা এলাকা থেকে বের হয়ে পশ্চিমবাজার চৌরাস্থায় গিয়ে এক সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়। এ সময় বক্তব্য রাখেন মৌলভী আব্দুল ওয়ালি সিদ্দিকী, ইঞ্জিনিয়ার সাহেদ আলী, ফখরুল ইসলাম প্রমুখ। শহরে নাশকতা এড়াতে র্যাব ও পুলিশের টহল জোরধার করা হয়েছে। তবে অবরোধের সময় তাদেরকে অনেকটা নিস্ক্রীয় দেখা য়ায়। গিয়াসনগর ও শাহবন্দর এলাকা সহ বিভিন্ন স্থানে অন্তত ২৫ টি গাড়ি ভাংচুর করে অবরোধ কারীরা। এছাড়া জেলা ৭টি উপজেলায় বিছিন্ন ঘটনার মধ্যদিয়ে অবরোধ পালনের খবর পাওয়া গেছে।

অবরোধ সমর্থনে মৌলভীবাজারে ১৮ দলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ
নির্দলীয় সরকার এবং একতরফা নির্বাচনের তফসিল বাতিলের দাবিতে ১৮ দলীয় জোটের ডাকা টানা ৭২ ঘন্টা অবরোধ সফল করতে শহরের পৌরসভা চত্বর থেকে ৮ ডিসেম্বর রোববার বিকাল ৪ টায় বিশাল মিছিল বাহির করে ১৮ দলীয় জোট। মিছিলটি শহীদ মিনার প্রাঙ্গন থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদিক্ষণ করে পশ্চিমবাজার চৌরাস্তায় সমাবেশে মিলিত হয়। মিছিলে পরবর্তী সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির প্রথম যুগ্ন সম্পাদক ও মৌলভীবাজার জেলা সংগ্রাম কমিটির সদস্য সচিব আব্দুল মুকিত, জেলা জামায়াত সেক্রেটারী ইঞ্জিনিয়ার সাহেদ আলী, সদর থানা বিএনপির আহ্বায়ক মৌলভী আব্দুল ওয়ালী সিদ্দিকী, জামায়াতের পৌর আমীর ইয়ামীর আলী, সদর উপজেলা আমীর আলাউদ্দিন শাহ, বিএনপির পৌর আহ্বায়ক এডভোকেট আনোয়ার আক্তার চৌধুরী, সদর থানা বিএনপির সহ সভাপতি আলহাজ্ব আনসার মিয়া, সদর থানা বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক মোঃ ফখরুল ইসলাম, জেলা যুবদল মুজিবুর রহমান মজনু, মতিন বক্স, হেলু মিয়া, মিজানুর রহমান নিজাম, মোবারক হোসেন, বদরুল ইসলাম আখন্দ, আজির উদ্দিন, শ্রমিক নেতা আনোয়ার হোসেন, আজিজুল হক সেলিম, ছাত্রশিবির শহর সভাপতি হাফেজ তাজুল ইসলাম, জেলা সভাপতি দেলোওয়ার হোসেন প্রমুখ। সরকার জনগণের মতামত প্রত্যাখ্যান করে গায়ের জোরে ক্ষমতায় থেকে একদলীয় নির্বাচন করে আবারো ক্ষমতায় আসার স্বপ্নে বিভোর। সরকারের এ নগ্ন ভূমিকায় জাতি বিস্মিত ও লজ্জিত। প্রধানমন্ত্রীর অসাংবিধানিক ও স্বৈরাচারী ভূমিকায় গোটা দেশ আজ বিপর্যস্ত। অর্থনীতিতে নেমে এসেছে ধস। আমদানি-রফতানি প্রায় বন্ধ। বৈদেশিক বিনিয়োগকারীরা একে একে তাদের বিনিয়োগ বন্ধ করে দিচ্ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদের পরীক্ষা, লেখা-পড়া ধ্বংস হবার উপক্রম হয়েছে। দেশের এ অচলাবস্থার মাঝে প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রীগণ ‘দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটেছে’ মর্মে বক্তব্য রেখে জনগণের সাথে উপহাস করছেন।
নির্দলীয় সরকার এবং একতরফা নির্বাচনের তফসিল বাতিলের দাবিতে ১৮ দলীয় জোটের ডাকা টানা ৭২ ঘন্টা অবরোধ সফল করতে একটি বিক্ষোভ মিছিল করে ১৮ দলীয় জোট।
রোববার ৮ ডিসেম্বর বিকাল সাড়ে ৪ টায় মিছিলটি শহীদ মিনার প্রাঙ্গন থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদিক্ষণ করে পশ্চিমবাজার চৌরাস্তায় এক সমাবেশে মিলিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিএনপির প্রথম যুগ্ন সম্পাদক ও মৌলভীবাজার জেলা সংগ্রাম কমিটির সদস্য সচিব আব্দুল মুকিত, জেলা জামায়াত সেক্রেটারী ইঞ্জিনিয়ার সাহেদ আলী, সদর থানা বিএনপির আহ্বায়ক মৌলভী আব্দুল ওয়ালী সিদ্দিকী প্রমুখ।

মৌলভীবাজারে ১৮ দলের অবরোধ পালিত
নির্দলীয় সরকার এবং একতরফা নির্বাচনের তফসিল বাতিলের দাবিতে ১৮ দলীয় জোটের ডাকা টানা ৭২ ঘন্টা অবরোধ ১ম দিনে ৭ ডিসেম্বর মৌলভীবাজারে শান্তিপূর্নভাবে পালিত হয়েছে। ভোর ৬টা থেকেই শহরের ৪টি স্পটে রাস্তা অবরূধ করে মিছিল সমাবেশ করে বিএনপি, জামায়াত, জমিয়ত, যুবদল, ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, ছাত্রজমিয়তের নেতা কমীরা। শহরের চাঁদনীঘাট, শমসের নগর রোড, ওয়াপদা পয়েন্ট ও উপজেলা চত্বরে এসব মিছিল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এসব স্থানে নেতৃত্ব দেন বিএনপির প্রথম যুগ্ন সম্পাদক ও মৌলভীবাজার জেলা সংগ্রাম কমিটির সদস্য সচিব আব্দুল মুকিত, জেলা জামায়াত সেক্রেটারী ইন্জিনিয়ার সাহেদ আলী, সদর থানা বিএনপির আহ্বায়ক মৌলভী আব্দুল ওয়ালী সিদ্দিকী, জামায়াতের পৌর আমীর ইয়ামীর আলী, সদর উপজেলা আমীর আলাউদ্দিন শাহ, বিএনপির পৌর আহ্বায়ক এডভোকেট আনোয়ার আক্তার চৌধুরী, সদর থানা বিএনপির সহ সভাপতি আলহাজ্ব আনসার মিয়া, সদর থানা বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক মোঃ ফখরুল ইসলাম, যুবদল নেতা মতিন বক্স, মুজিবুর রহমান, হেলু মিয়া, প্রমুখ। সমাবেশে বক্তারা বলেন সরকার জনগণের আন্দোলন দমনের জন্য ১৮ দলীয় জোটের নেতা-কর্মীদের ওপর গণহত্যা, গণগ্রেফতার, জ্বালাও-পোড়াও এবং নেতা-কর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর চালিয়ে আন্দোলন দমন করতে পারছে না। দেশে যে সংঘাত ও সংঘর্ষের পরিস্থিতি বিরাজ করছে তার জন্য স্বৈরাচারী সরকারই এককভাবে দায়ী।

অবরোধের ৫ম দিনে মৌলভীবাজারে ২৫ টি গাড়ি ভাংচুর, সড়ক অবরোধ গ্রেপ্তার-২
নির্বাচনের ঘোষিত তফসিল প্রত্যাখ্যান করে ৫ম দিনেও গাড়ি ভাংচুর, রাস্তায় ব্যারিকেটের মধ্য দিয়ে অবরোধ কমসূর্চী পালন করে মৌলভীবাজারে ১৮ দলের নেতাকর্মীরা। ৪ ডিসেম্বও বুধবার সকাল থেকে শহরের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ন রাস্তায় বসে অবরোধ পালন করছে জামায়াত শিবিরসহ ১৮ দল। ভোর থেকেই মৌলভীবাজারের ৪টি স্পটে রাস্তা অবরোধ করে মিছিল সমাবেশ করে বিএনপি, জামায়াত, জমিয়ত, যুবদল, ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, ছাত্রজমিয়তের নেতা কমীরা। শহরের চাঁদনীঘাট, শমসের নগর রোড, ওয়াপদা পয়েন্ট ও উপজেলা চত্বরে এসব মিছিল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এসব স্থানে নেতৃত্ব দেন ১৮ দলীয় সংগ্রাম কমিটি মৌলভীবাজার জেলা যুগ্ন আহ্বায়ক ও মৌলভীবাজার জেলা জামায়াত আমীর আব্দুল মান্নান, বিএনপির প্রথম যুগ্ন সম্পাদক ও মৌলভীবাজার জেলা সংগ্রাম কমিটির আব্দুল মুকিত, জেলা জামায়াত সেক্রেটারী ইঞ্জিনিয়ার সাহেদ আলী, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আলহাজ্ব ইউসুফ আলী, সদর থানা বিএনপির আহ্বায়ক মৌলভী আব্দুল ওয়ালী সিদ্দিকী, জামায়াতের পৌর আমীর ইয়ামীর আলী, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক এড আনোয়ার আক্তার শিউলী, সদর উপজেলা আমীর আলাউদ্দিন শাহ, সদর থানা বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক মোঃ ফখরুল ইসলাম, জেলা জমিয়তের সহ-সাধারন সম্পাদক শাহ মাসুকুর রশীদ, ছাত্রদল নেতা আলী ছব্দর খান বাবর, কামাল আহমদ, পিপলু আহমদ, ছাত্রশিবির মৌলভীবাজার শহর সভাপতি হাফেজ তাজুল ইসলাম, জেলা সভাপতি দেলোওয়ার হোসেন, ছাত্রজমিয়ত জেলা সভাপতি জিল্লুর রহমান, যুবদল নেতা মুজিবুর রহমান মজনু, হেলু মিয়া, মতিন বক্স, মুক্তার হোসেন, আনসার মিয়া, মোবারক আহমদ প্রমুখ। অরোধের কারনে পরীক্ষার্থীসহ সাধারন মানুষ চরম র্দূভোগে পড়ে। দুরপাল্লার বাস চলাচল না করলেও রেল ও ছোট ছোট যানবাহন চলাচল করছে। শহরে নাশকতা এড়াতে র্যাব ও পুলিশের টহল জোরধার করা হয়েছে। অপরদিকে রাজনগর উপজেলায় মঙ্গলবার (০৩ ডিসেম্বর) রাত থেকে বুধবার (০৪ ডিসেম্বর) বিকাল ৫টা পর্যন্ত ১০টি গাড়ি ভাংচুর করেছে অবরোধকারীরা। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৭টায় রাজনগর উপজেলার মৌলভীবাজার-ফেঞ্চুগঞ্জ সড়কের চৌধুরীবাজারে ১টি ট্রাক ও ২টি অটোরিক্সায় ভাংচুর করে। অপরদিকে বুধবার সকাল ৭টায় মৌলভীবাজার-শ্রীমঙ্গল সড়কের মোকামবাজারে ২ টি ট্রাক ও ১টি অটোরিক্সা এবং মৌলভীবাজার-সিলেট সড়কে ১টি পিকআপ ও ১টি অটোরিক্সা ভাংচুর করা হয়। মঙ্গলবার রাতে ১৮ দলের বিক্ষোভ মিছিল থেকে ফেরার সময় পৌর ছাত্রদলের পাপলু আহমদ(২৪) ও পারভেজ আহমদ(২৫) নামের ২ ছাত্রদল কর্মীকে আটক করে মডেল থানা পুলিশ। বুধবার দুপুরে তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়। তবে শ্রীমঙ্গলে দুপুর ১টায় মতিগঞ্জ এলাকায় ৫টি সিএনজি ভাংচুর করে বিএনপির কর্মীরা। এছাড়া জেলা ৬টি উপজেলায় শান্তিপূর্ন অবরোধ পালনের খবর পাওয়া গেছে।

মৌলভীবাজারে ১৮ দলের সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ মিছিল
নির্বাচনের ঘোষিত তফসিল প্রত্যাখ্যান করে ৫ম দিনেও গাড়ি ভাংচুর, সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ মিছিলের মধ্য দিয়ে অবরোধ কমসূর্চী পালন করছে ১৮ দলের নেতাকর্মীরা। ৪ ডিসেম্বর বুধবার সকাল থেকে মৌলভীবাজারে শহরের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ন রাস্তায় অবরোধ পালন করে জামায়াত শিবিরসহ ১৮ দলের শরীক দল গুলো। বিকেলে অবরোধের সমর্থনে বিক্ষোভ মিছিল করে ১৮ দল। মিছিলটি চৌমুহনা এলাকা থেকে বের হয়ে পশ্চিমবাজার চৌরাস্থায় গিয়ে এক সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়। এ সময় বক্তব্য রাখেন মৌলভী আব্দুল ওয়ালি সিদ্দিকী, ইঞ্জিনিয়ার সাহেদ আলী, ফখরুল ইসলাম প্রমুখ। শহরে নাশকতা এড়াতে র্যাব ও পুলিশের টহল জোরধার করা হয়েছে। তবে অবরোধের সময় তাদেরকে অনেকটা নিস্ক্রীয় দেখা য়ায়। গিয়াসনগর ও শাহবন্দর এলাকা সহ বিভিন্ন স্থানে অন্তত ২৫ টি গাড়ি ভাংচুর করে অবরোধ কারীরা। এছাড়া জেলা ৭টি উপজেলায় বিছিন্ন ঘটনার মধ্যদিয়ে অবরোধ পালনের খবর পাওয়া গেছে।

অবরোধ সমর্থনে মৌলভীবাজারে ১৮ দলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ
নির্দলীয় সরকার এবং একতরফা নির্বাচনের তফসিল বাতিলের দাবিতে ১৮ দলীয় জোটের ডাকা টানা ৭২ ঘন্টা অবরোধ সফল করতে শহরের পৌরসভা চত্বর থেকে ৮ ডিসেম্বর রোববার বিকাল ৪ টায় বিশাল মিছিল বাহির করে ১৮ দলীয় জোট। মিছিলটি শহীদ মিনার প্রাঙ্গন থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদিক্ষণ করে পশ্চিমবাজার চৌরাস্তায় সমাবেশে মিলিত হয়। মিছিলে পরবর্তী সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির প্রথম যুগ্ন সম্পাদক ও মৌলভীবাজার জেলা সংগ্রাম কমিটির সদস্য সচিব আব্দুল মুকিত, জেলা জামায়াত সেক্রেটারী ইঞ্জিনিয়ার সাহেদ আলী, সদর থানা বিএনপির আহ্বায়ক মৌলভী আব্দুল ওয়ালী সিদ্দিকী, জামায়াতের পৌর আমীর ইয়ামীর আলী, সদর উপজেলা আমীর আলাউদ্দিন শাহ, বিএনপির পৌর আহ্বায়ক এডভোকেট আনোয়ার আক্তার চৌধুরী, সদর থানা বিএনপির সহ সভাপতি আলহাজ্ব আনসার মিয়া, সদর থানা বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক মোঃ ফখরুল ইসলাম, জেলা যুবদল মুজিবুর রহমান মজনু, মতিন বক্স, হেলু মিয়া, মিজানুর রহমান নিজাম, মোবারক হোসেন, বদরুল ইসলাম আখন্দ, আজির উদ্দিন, শ্রমিক নেতা আনোয়ার হোসেন, আজিজুল হক সেলিম, ছাত্রশিবির শহর সভাপতি হাফেজ তাজুল ইসলাম, জেলা সভাপতি দেলোওয়ার হোসেন প্রমুখ। সরকার জনগণের মতামত প্রত্যাখ্যান করে গায়ের জোরে ক্ষমতায় থেকে একদলীয় নির্বাচন করে আবারো ক্ষমতায় আসার স্বপ্নে বিভোর। সরকারের এ নগ্ন ভূমিকায় জাতি বিস্মিত ও লজ্জিত। প্রধানমন্ত্রীর অসাংবিধানিক ও স্বৈরাচারী ভূমিকায় গোটা দেশ আজ বিপর্যস্ত। অর্থনীতিতে নেমে এসেছে ধস। আমদানি-রফতানি প্রায় বন্ধ। বৈদেশিক বিনিয়োগকারীরা একে একে তাদের বিনিয়োগ বন্ধ করে দিচ্ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদের পরীক্ষা, লেখা-পড়া ধ্বংস হবার উপক্রম হয়েছে। দেশের এ অচলাবস্থার মাঝে প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রীগণ ‘দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটেছে’ মর্মে বক্তব্য রেখে জনগণের সাথে উপহাস করছেন। স্টাফ রিপোর্টার॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •