কমলগঞ্জে মসজিদের ভিতরে মোয়াজ্বিম ও ইমামকে মারধরের অভিযোগ

December 17, 2013, এই সংবাদটি ২৯০ বার পঠিত

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে মসজিদের ভিতরে মোয়াজ্বিম ও ইমামকে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে কমলগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কমলগঞ্জ পৌরসভার চন্ডিপুর জামে মসজিদে গত ১৩ ডিসেম্বর শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে দুপুর ২টায় পূর্বে সংঘটিত মোয়াজ্বিম ও ইমামকে মারধরের ঘটনায় এক সালিশ বৈঠক বসে। সালিশ চলাকালীন সময়ে একই এলাকার ছাদ আলী, মকছন্দ আলীর হুকুমে রাসেল মিয়া, জুলি মিয়া গংরা আলেপুর গ্রামের মৃত ইছাক মিয়ার ছেলে ইয়াছিন মিয়ার উপর দা, লাঠি দিয়ে হামলা করে আহত করে। স্থানীয় লোকজন আহত ইয়াছিন মিয়াকে দ্রুত উদ্ধার করে কমলগঞ্জ উপজেলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ সময় এলাকাবাসী এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ইয়াছিন মিয়ার কাছ থেকে নগদ ২৬ হাজার টাকা লুটে পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে গত ব্যবসায়ী শহীদ মিয়া বাদী হয়ে ১৩ জনকে আসামী করে কমলগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আলাপকালে মামলার বাদী ব্যবসায়ী শহীদ মিয়া জানান, চন্ডিপুর জামে মসজিদের মোতাওয়াল্লি মাসুক মিয়াকে ৪/৫ মাস পূর্বে বিবাদীরা মারপিট করেছিল। এ ঘটনার কোন বিচার হয়নি। সম্প্রতি মসজিদে চুর ধরা নিয়ে বিবাদীরা মোয়াজ্বিম মাওলানা শাব্বির আহমদ ও ইমাম মাওলানা যুবরাজকে শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করে। এরপর মসজিদের মোয়াজ্বিম ও ইমাম এ ঘটনার বিচার না হওয়ায় ইস্তফা দিয়ে চলে গেলে কমলগঞ্জ পৌর মেয়র আবু ইব্রাহীম জমসেদ সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়ে মোয়াজ্বিম মাওলানা শাব্বির আহমদ ও ইমাম মাওলানা যুবরাজকে ফিরিয়ে আনেন।
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে মসজিদের ভিতরে মোয়াজ্বিম ও ইমামকে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে কমলগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কমলগঞ্জ পৌরসভার চন্ডিপুর জামে মসজিদে গত ১৩ ডিসেম্বর শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে দুপুর ২টায় পূর্বে সংঘটিত মোয়াজ্বিম ও ইমামকে মারধরের ঘটনায় এক সালিশ বৈঠক বসে। সালিশ চলাকালীন সময়ে একই এলাকার ছাদ আলী, মকছন্দ আলীর হুকুমে রাসেল মিয়া, জুলি মিয়া গংরা আলেপুর গ্রামের মৃত ইছাক মিয়ার ছেলে ইয়াছিন মিয়ার উপর দা, লাঠি দিয়ে হামলা করে আহত করে। স্থানীয় লোকজন আহত ইয়াছিন মিয়াকে দ্রুত উদ্ধার করে কমলগঞ্জ উপজেলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ সময় এলাকাবাসী এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ইয়াছিন মিয়ার কাছ থেকে নগদ ২৬ হাজার টাকা লুটে পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে গত ব্যবসায়ী শহীদ মিয়া বাদী হয়ে ১৩ জনকে আসামী করে কমলগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আলাপকালে মামলার বাদী ব্যবসায়ী শহীদ মিয়া জানান, চন্ডিপুর জামে মসজিদের মোতাওয়াল্লি মাসুক মিয়াকে ৪/৫ মাস পূর্বে বিবাদীরা মারপিট করেছিল। এ ঘটনার কোন বিচার হয়নি। সম্প্রতি মসজিদে চুর ধরা নিয়ে বিবাদীরা মোয়াজ্বিম মাওলানা শাব্বির আহমদ ও ইমাম মাওলানা যুবরাজকে শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করে। এরপর মসজিদের মোয়াজ্বিম ও ইমাম এ ঘটনার বিচার না হওয়ায় ইস্তফা দিয়ে চলে গেলে কমলগঞ্জ পৌর মেয়র আবু ইব্রাহীম জমসেদ সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়ে মোয়াজ্বিম মাওলানা শাব্বির আহমদ ও ইমাম মাওলানা যুবরাজকে ফিরিয়ে আনেন। কমলগঞ্জ প্রতিনিধি॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •