পূজা ও ঈদের ছুটিতে পর্যটকের ভিড়ে মুখরিত : কমলগঞ্জের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান

October 18, 2013, এই সংবাদটি ৩৬০ বার পঠিত

শারদীয় দুর্গাপূজা ও ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত হতে হাজার হাজার পর্যটক ভিড় করছেন মৌলভীবাজারের সীমান্তবর্তী কমলগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানগুলো। তাদের পদভারে মুখরিত হয়ে উঠেছে গোটা এলাকা। গত ২দিনে প্রায় ৭ হাজার পর্যটক লাউয়াছড়ার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য উপভোগ করেছেন। প্রচন্ড ভিড়ে পর্যটকদের কিছুটা দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বন বিভাগ আয় করেছে প্রায় ৬০ হাজার টাকা। প্রতি বছরের মতো এবারে পূজা ও ঈদের আযহার ছুটিতে এশিয়ার অন্যতম আকর্ষনীয় স্থান মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া ন্যাশনাল পার্কে ঈদের দিন থেকে হাজার হাজার পর্যটকের আগমনে মুখরিত হয়ে উঠেছে। লাউয়াছড়াকে পর্যটকরা ঈদের আনন্দের অন্যতম স্থান হিসাবে বেঁচে নিয়েছেন। দেশের দুরদুরান্ত হতে হাজার হাজার পর্যটকরা ঈদের দিন বুধবার ও পরের দিন বৃহস্পতিবার ও গতকাল শুক্রবার ছুটে আসেন লাউয়াছড়ায়। ঈদের আনন্দ হতে বাদ যায়নি শিশু থেকে বৃদ্ধ। প্রচন্ড ভিড়ে শিশুদের পোহাতে হয় দুর্ভোগ। বনের প্রকৃতি এক নজর দেখার জন্য দুইদিনে প্রায় ৭ হাজার হাজার পর্যটক লাউয়াছড়ায় প্রবেশ করেন। পর্যটকের প্রবেশ ফি হতে সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে ৬০ হাজার টাকা। গত বছরের তুলনায় এ বছর ঈদে দ্বিগুন পর্যটক আগমন ঘটেছে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে। ভ্রমন পিপাসুরা বনের ভিতরে প্রবেশ করে নানা জাতের গাছপালা, বন মোরগ, উল¬ুক, বানর,আজগর সাপ, হাতি, বন গবেষনা কেন্দ্রসহ বনের প্রকৃতির সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হন। বনের ভিতরে গড়ে ওঠা ট্রেইলগুলো দিয়ে পর্যটকরা পায়ে হেটেঁ খাসি পুঞ্জি, বানর লাফালাফি,আগরগাছ, লেবু বাগানের দৃশ্য অবলোকন করেন। ঈদের পরের দিন এক সাথে প্রায় ৫ হাজার পর্যটক লাউয়াছড়ায় প্রবেশ করেন। এত পর্যটক ভিতরে ঢুকায় নিরাপত্তায় নিয়োজিত পর্যটক সহায়ক পুলিশ, ইকোগাইট ও সহব্যবস্থাপনা কমিটির লোকজনকে সামাল দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয়। পর্যটকদের প্রচন্ড ভিড় থাকা শিশুরা দুভোর্গে পড়তে হয়। গাড়ীর পাকিং স্থান থাকলেও গাড়ীর সংকুলান না হওয়ায় পর্যটকরা গাড়ী রাখতে গিয়ে কিছুটা বিড়ম্ভনা পড়তে হয়েছে। নিরাপত্তায় পর্যটকদের তেমন অসুবিধায় না হলেও প্রকৃতি ডাকে সাড়া দিতে গিয়ে মহিলা পর্যটকদের পড়তে হয় ভোগান্তিতে। লাউয়াছড়ায় নিয়োজিত কেল এর সাইট সুপারভাইজার নজরুল ইসলাম জানান, ঈদের দিন কোরবানী দেয়ায় পর্যটককের ভিড় কম ছিল। কিন্তু পরের প্রায় ৫ হাজার পর্যটক লাউয়াছড়ায় টিকেট করে প্রবেশ করেন এতে রাজস্ব আয় হয়েছে ৬০ হাজার টাকা। গতকাল ১৮ অক্টোবর শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত হাজারো পর্যটক প্রবেশ করেছেন। পাশাপাশি কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর লেক, হামহাম জলপ্রপাতসহ বিভিন্ন চা বাগানের মনোরম দৃশ্য দেখতে পর্যটকরা ভিড় করছেন।
শারদীয় দুর্গাপূজা ও ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত হতে হাজার হাজার পর্যটক ভিড় করছেন মৌলভীবাজারের সীমান্তবর্তী কমলগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানগুলো। তাদের পদভারে মুখরিত হয়ে উঠেছে গোটা এলাকা। গত ২দিনে প্রায় ৭ হাজার পর্যটক লাউয়াছড়ার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য উপভোগ করেছেন। প্রচন্ড ভিড়ে পর্যটকদের কিছুটা দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বন বিভাগ আয় করেছে প্রায় ৬০ হাজার টাকা। প্রতি বছরের মতো এবারে পূজা ও ঈদের আযহার ছুটিতে এশিয়ার অন্যতম আকর্ষনীয় স্থান মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া ন্যাশনাল পার্কে ঈদের দিন থেকে হাজার হাজার পর্যটকের আগমনে মুখরিত হয়ে উঠেছে। লাউয়াছড়াকে পর্যটকরা ঈদের আনন্দের অন্যতম স্থান হিসাবে বেঁচে নিয়েছেন। দেশের দুরদুরান্ত হতে হাজার হাজার পর্যটকরা ঈদের দিন বুধবার ও পরের দিন বৃহস্পতিবার ও গতকাল শুক্রবার ছুটে আসেন লাউয়াছড়ায়। ঈদের আনন্দ হতে বাদ যায়নি শিশু থেকে বৃদ্ধ। প্রচন্ড ভিড়ে শিশুদের পোহাতে হয় দুর্ভোগ। বনের প্রকৃতি এক নজর দেখার জন্য দুইদিনে প্রায় ৭ হাজার হাজার পর্যটক লাউয়াছড়ায় প্রবেশ করেন। পর্যটকের প্রবেশ ফি হতে সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে ৬০ হাজার টাকা। গত বছরের তুলনায় এ বছর ঈদে দ্বিগুন পর্যটক আগমন ঘটেছে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে। ভ্রমন পিপাসুরা বনের ভিতরে প্রবেশ করে নানা জাতের গাছপালা, বন মোরগ, উল¬ুক, বানর,আজগর সাপ, হাতি, বন গবেষনা কেন্দ্রসহ বনের প্রকৃতির সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হন। বনের ভিতরে গড়ে ওঠা ট্রেইলগুলো দিয়ে পর্যটকরা পায়ে হেটেঁ খাসি পুঞ্জি, বানর লাফালাফি,আগরগাছ, লেবু বাগানের দৃশ্য অবলোকন করেন। ঈদের পরের দিন এক সাথে প্রায় ৫ হাজার পর্যটক লাউয়াছড়ায় প্রবেশ করেন। এত পর্যটক ভিতরে ঢুকায় নিরাপত্তায় নিয়োজিত পর্যটক সহায়ক পুলিশ, ইকোগাইট ও সহব্যবস্থাপনা কমিটির লোকজনকে সামাল দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয়। পর্যটকদের প্রচন্ড ভিড় থাকা শিশুরা দুভোর্গে পড়তে হয়। গাড়ীর পাকিং স্থান থাকলেও গাড়ীর সংকুলান না হওয়ায় পর্যটকরা গাড়ী রাখতে গিয়ে কিছুটা বিড়ম্ভনা পড়তে হয়েছে। নিরাপত্তায় পর্যটকদের তেমন অসুবিধায় না হলেও প্রকৃতি ডাকে সাড়া দিতে গিয়ে মহিলা পর্যটকদের পড়তে হয় ভোগান্তিতে। লাউয়াছড়ায় নিয়োজিত কেল এর সাইট সুপারভাইজার নজরুল ইসলাম জানান, ঈদের দিন কোরবানী দেয়ায় পর্যটককের ভিড় কম ছিল। কিন্তু পরের প্রায় ৫ হাজার পর্যটক লাউয়াছড়ায় টিকেট করে প্রবেশ করেন এতে রাজস্ব আয় হয়েছে ৬০ হাজার টাকা। গতকাল ১৮ অক্টোবর শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত হাজারো পর্যটক প্রবেশ করেছেন। পাশাপাশি কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর লেক, হামহাম জলপ্রপাতসহ বিভিন্ন চা বাগানের মনোরম দৃশ্য দেখতে পর্যটকরা ভিড় করছেন। কমলগঞ্জ প্রতিনিধি॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •