কমলগঞ্জের কুরমা সংরক্ষিত বনে ঃ বনকর্মী-গাছ চোরদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ॥ বনকর্মীর ছোড়া গুলিতে ৪ গাছ চোর আহত ॥ দুই জনের অবস্থা গুরুতর

September 9, 2013, এই সংবাদটি ২৮৯ বার পঠিত

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার কুরমা সংরক্ষিত বনে বনকর্মী ও গাছ চোরদের মাঝে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। আত্মরক্ষার্থে বনকর্মীর ছোড়া গুলিতে ৪ গাছচোর আহত হয়েছে। আহত দুই গাছচোরের অবস্থা গুরুতর। গত শনিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনাটি ঘটে। কুরমা বনবিট কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যায় ৪০ থেকে ৫০ জনের সশস্ত্র গাছচোর দল মূল্যবান গাছ কেটে নিতে কুরমা সংরক্ষিত বনাঞ্চলে প্রবেশ করে। এ খবর পেয়ে মাত্র ৩ জন বনকর্মী নিয়ে বনবিট কর্মকর্তা রবীন্দ্র কুমার সিংহ গাছচোরদের ধাওয়া করেন। এ সময় সশস্ত্র গাছচোর দল উল্টো মারমুখী হয়ে বনকর্মীদের ধাওয়া করে। এ সময় আত্মরক্ষার্থে একজন বনকর্মী গাছচোরদের লক্ষ করে এক রাউন্ড কার্তুজ গুলি ছোড়ে। বনকর্মীর ছোড়া কার্তুজ গুলিতে ইসলামপুর ইউনিয়নের গাছচোর ফারুক মিয়া (২৩), শিবির মিয়া (২৪), গুলের হাওর গ্রামের গাছচোর জহির মিয়া (২২) ও শিবির মিয়া (২১) আহত হয়েছে। গাছচোরদের সহযোগী গাছচোররা আহত চার গাছচোরকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। গাছচোর চক্রের নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানায়, আহত ফারুক মিয়া ও জহির মিয়ার অবস্থা গুরুতর। তাদেরকে অতি গোপেন চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে। কুরমা বনবিট কর্মকর্তা রবীন্দ্র কুমার সিংহ বলেন, প্রায়ই এভাবে ৪০ থেকে ৫০ জনের গাছচোর দল সংরক্ষিত বনে প্রবেশ করে মূল্যবান গাছ কাটার চেষ্টা করে। শনিবার সন্ধ্যায় এভাবে তারা সংরক্ষিত বনে প্রবেশ করে। এ খবর পেয়ে গাছচোরদের ধাওয়া করলে উল্টো বনকর্মীদের উপর হামলার চেষ্টা করে। তখন বাধ্য হয়ে মাত্র এক রাউন্ড কার্তুজ গুলি ছোড়া হয়। আর তাতেই চারজন গাছ চোর আহত হয়েছে। রাজকান্দি বনরেঞ্জ কর্মকর্তা প্রভাত কুসুম আচার্য্য ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, একটি প্রভাবশালী মহল গাছচোর দলের গড ফাদার হিসাবে কাজ করছে।
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার কুরমা সংরক্ষিত বনে বনকর্মী ও গাছ চোরদের মাঝে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। আত্মরক্ষার্থে বনকর্মীর ছোড়া গুলিতে ৪ গাছচোর আহত হয়েছে। আহত দুই গাছচোরের অবস্থা গুরুতর। গত শনিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনাটি ঘটে। কুরমা বনবিট কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যায় ৪০ থেকে ৫০ জনের সশস্ত্র গাছচোর দল মূল্যবান গাছ কেটে নিতে কুরমা সংরক্ষিত বনাঞ্চলে প্রবেশ করে। এ খবর পেয়ে মাত্র ৩ জন বনকর্মী নিয়ে বনবিট কর্মকর্তা রবীন্দ্র কুমার সিংহ গাছচোরদের ধাওয়া করেন। এ সময় সশস্ত্র গাছচোর দল উল্টো মারমুখী হয়ে বনকর্মীদের ধাওয়া করে। এ সময় আত্মরক্ষার্থে একজন বনকর্মী গাছচোরদের লক্ষ করে এক রাউন্ড কার্তুজ গুলি ছোড়ে। বনকর্মীর ছোড়া কার্তুজ গুলিতে ইসলামপুর ইউনিয়নের গাছচোর ফারুক মিয়া (২৩), শিবির মিয়া (২৪), গুলের হাওর গ্রামের গাছচোর জহির মিয়া (২২) ও শিবির মিয়া (২১) আহত হয়েছে। গাছচোরদের সহযোগী গাছচোররা আহত চার গাছচোরকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। গাছচোর চক্রের নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানায়, আহত ফারুক মিয়া ও জহির মিয়ার অবস্থা গুরুতর। তাদেরকে অতি গোপেন চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে। কুরমা বনবিট কর্মকর্তা রবীন্দ্র কুমার সিংহ বলেন, প্রায়ই এভাবে ৪০ থেকে ৫০ জনের গাছচোর দল সংরক্ষিত বনে প্রবেশ করে মূল্যবান গাছ কাটার চেষ্টা করে। শনিবার সন্ধ্যায় এভাবে তারা সংরক্ষিত বনে প্রবেশ করে। এ খবর পেয়ে গাছচোরদের ধাওয়া করলে উল্টো বনকর্মীদের উপর হামলার চেষ্টা করে। তখন বাধ্য হয়ে মাত্র এক রাউন্ড কার্তুজ গুলি ছোড়া হয়। আর তাতেই চারজন গাছ চোর আহত হয়েছে। রাজকান্দি বনরেঞ্জ কর্মকর্তা প্রভাত কুসুম আচার্য্য ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, একটি প্রভাবশালী মহল গাছচোর দলের গড ফাদার হিসাবে কাজ করছে। কমলগঞ্জ প্রতিনিধি॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •