তাহলে কি মিটন ইঞ্জিনিয়ার হতে পারবে না

September 9, 2013, এই সংবাদটি ৩৫৩ বার পঠিত

ঝুপড়ি ঘরে কুপের বাতিতে লেখাপড়া করে এইচ এসসিতে জিপিএ-৫ অর্জনকারী মিটন ইঞ্জিনিয়ার হতে চায়। কিন্তু বাধা হয়ে দেখা দিয়েছে দারিদ্রতা। কিডনী বিকল বাবার পক্ষে ছেলের স্বপ্ন পূরন করানো কোন ক্রমেই সম্ভব নয়। ইঞ্জিনিয়ার হবার স্বপ্নে বিভোর মিটন কি ১৬ কোটি মানুষের দেশে অকালেই ঝড়ে পড়বে ? সে কি পারবে না ইঞ্জিনিয়ার হবার জন্য কোন ভার্সিটিতে ভর্তি হতে। কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সীবাজার ইউনিয়নের বাসুদেবপুর গ্রামের প্রতাপ চন্দ্র দেবনাথ ও মিলন দেবীর প্রথম ছেলে মিটন। এসএসসিতেও মিটন জিপিএ-৫ লাভ করে। ভবিষ্যতে সে একজন ইঞ্জিনিয়ার হতে চায়। আরেক ছেলে পিন্টু দেবনাথ কমলগঞ্জ মডেল স্কুল এন্ড কলেজে ৯ম শ্রেনীতে অধ্যয়নরত। কয়েক বছর ধরে মিটনের বাবার কিডনী বিকল। তাদের সংসারে নুন আনতে পানতা ফুরায়। ওই পরিবারে মাছ ভাত খাওয়া অনেকটা বিলাসিতার পর্যায়। আক্ষেপ করে মিটন বলে, বাবা কিডনী রোগী হলেও নিয়মিত ঔষধ সেবন করানো সম্ভব হয় না। উপসর্গ বেশী দেখা দিলে মানুষের নিকট থেকে হাত পেতে সাময়িক ঔষধ দেয়া হয়। খেয়ে না খেয়ে চলছে তাদের জীবন সংগ্রাম। বাবার সম্বল ছিল ২ শতক ভিটের জায়গা। ছেলের বায়না পূরনে এক শতক জায়গা বিক্রি করে ইঞ্জিনিয়ারিং কোচিংয়ে ভর্তি করান। খালা দেন ৫ হাজার, এক বন্ধু প্রীতম ধার হিসেবে ৫ হাজার ও আরেক বন্ধু খালেদ দুই হাজার টাকা দেন। যদিও বন্ধুরা বলেছে ওই টাকা আর নিবে না। এই পুঁজি নিয়ে বর্তমানে মিটন সিলেটে ওমেকা সেন্টারে কোচিং করছে। অশ্রু সিক্ত নয়নে মিটন জানায়, এসএসসি পরীক্ষার পর টিউশনি করে সংসারে সহযোগীতা করলেও এখন কোচিং এর কারনে সিলেটে অবস্থান করায় পরিবারে সহযোগীতা করা সম্ভব হয়না। এ অবস্থায় কিভাবে সে কোন ভার্সিটিতে ভর্তি হয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে লেখাপড়া করবে এটাই তার চিন্তুা ? ১৬ কোটি মানুষের দেশে মিটনের স্বপ্ন কি পূরন হতে পারে না ? ঝুঁপড়ি ঘরের সন্তান মিটন দেশ ও জাতির কল্যানে তার মেধাকে কাজে লাগাতে চায়। সমাজের কিছু হৃদয়বান বিত্তবানের সুনজর-ই পারে মিটনের আশা পূরন করতে।
ঝুপড়ি ঘরে কুপের বাতিতে লেখাপড়া করে এইচ এসসিতে জিপিএ-৫ অর্জনকারী মিটন ইঞ্জিনিয়ার হতে চায়। কিন্তু বাধা হয়ে দেখা দিয়েছে দারিদ্রতা। কিডনী বিকল বাবার পক্ষে ছেলের স্বপ্ন পূরন করানো কোন ক্রমেই সম্ভব নয়। ইঞ্জিনিয়ার হবার স্বপ্নে বিভোর মিটন কি ১৬ কোটি মানুষের দেশে অকালেই ঝড়ে পড়বে ? সে কি পারবে না ইঞ্জিনিয়ার হবার জন্য কোন ভার্সিটিতে ভর্তি হতে। কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সীবাজার ইউনিয়নের বাসুদেবপুর গ্রামের প্রতাপ চন্দ্র দেবনাথ ও মিলন দেবীর প্রথম ছেলে মিটন। এসএসসিতেও মিটন জিপিএ-৫ লাভ করে। ভবিষ্যতে সে একজন ইঞ্জিনিয়ার হতে চায়। আরেক ছেলে পিন্টু দেবনাথ কমলগঞ্জ মডেল স্কুল এন্ড কলেজে ৯ম শ্রেনীতে অধ্যয়নরত। কয়েক বছর ধরে মিটনের বাবার কিডনী বিকল। তাদের সংসারে নুন আনতে পানতা ফুরায়। ওই পরিবারে মাছ ভাত খাওয়া অনেকটা বিলাসিতার পর্যায়। আক্ষেপ করে মিটন বলে, বাবা কিডনী রোগী হলেও নিয়মিত ঔষধ সেবন করানো সম্ভব হয় না। উপসর্গ বেশী দেখা দিলে মানুষের নিকট থেকে হাত পেতে সাময়িক ঔষধ দেয়া হয়। খেয়ে না খেয়ে চলছে তাদের জীবন সংগ্রাম। বাবার সম্বল ছিল ২ শতক ভিটের জায়গা। ছেলের বায়না পূরনে এক শতক জায়গা বিক্রি করে ইঞ্জিনিয়ারিং কোচিংয়ে ভর্তি করান। খালা দেন ৫ হাজার, এক বন্ধু প্রীতম ধার হিসেবে ৫ হাজার ও আরেক বন্ধু খালেদ দুই হাজার টাকা দেন। যদিও বন্ধুরা বলেছে ওই টাকা আর নিবে না। এই পুঁজি নিয়ে বর্তমানে মিটন সিলেটে ওমেকা সেন্টারে কোচিং করছে। অশ্রু সিক্ত নয়নে মিটন জানায়, এসএসসি পরীক্ষার পর টিউশনি করে সংসারে সহযোগীতা করলেও এখন কোচিং এর কারনে সিলেটে অবস্থান করায় পরিবারে সহযোগীতা করা সম্ভব হয়না। এ অবস্থায় কিভাবে সে কোন ভার্সিটিতে ভর্তি হয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে লেখাপড়া করবে এটাই তার চিন্তুা ? ১৬ কোটি মানুষের দেশে মিটনের স্বপ্ন কি পূরন হতে পারে না ? ঝুঁপড়ি ঘরের সন্তান মিটন দেশ ও জাতির কল্যানে তার মেধাকে কাজে লাগাতে চায়। সমাজের কিছু হৃদয়বান বিত্তবানের সুনজর-ই পারে মিটনের আশা পূরন করতে। কমলগঞ্জ প্রতিনিধি॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •