ভোট কেন্দ্রে আগুন: মৌলভীবাজারের পুলিশে অস্ত্র লুট: ব্যালট বাক্স ছিনতাই: পুলিশের গুলি: বিক্ষোভ মিছিল: পুলিশ সহ তিন আনসার আহত

January 5, 2014, এই সংবাদটি ১০৯ বার পঠিত

মৌলভীবাজারের দুটি নির্বাচনী এলাকায় সকাল ৮টা থেকে ভোট গ্রহন শুরু হলেও ভোটারদের কোন উপস্থিতি দেখা যায়নি। নির্বাচনী এলাকার বেশ কয়েকটি কেন্দ্র পরিদর্শনে দেখা যায় সকাল ৯টা পর্যন্ত কোন ভোটার ভোট দিতে যাননি। দুপুর ১২ টায় রড়লেখা দক্ষিনভাগ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে ৩হাজার ৪শত ৯৪টি ভোটের মধ্যে ১০টি ভোট প্রদান করেছে ভোটাররা। তবে অধিকাংশ কেন্দ্রে প্রার্থীদের এজেন্ট ছাড়া কাউকে দেখা যায়নি। সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে বড়লেখার কাঠালতলী উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে অর্তকিত হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করে এক পুলিশ সদস্য আনোয়ার ও আনসার সদস্য মনসুর আলী, মুর্শেদ আলম ও ফয়জুল হকে আহত করে। এ সময় নির্বাচন বিরোধীরা পুলিশের কাছে থাকা একটি শর্টগান লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনার পর থেকে ভোটারদের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। পড়ে প্রিজাইটিং অফিসার ভোট গ্রহন স্থগিত করলেও দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সহকারী রিটার্নী অফিসার ভোট গ্রহনের জন্য পুনরায় নির্দেশ দেন। ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। অপর দিকে বিকেল ৩টার দিকে বড়লেখার দোহালিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে নির্বাচন বিরোধীরা ৬টি ব্যালট বাক্স ছিনতাই করে নিয়ে গেছে। এ সময় তারা কেন্দ্রে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে একটি মটরসাইকেল পুড়ে যায়। অপরদিকে খলাজুড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে হামলা করে ভাংচুর ও ব্যালট বাক্স ছিনতাই করা হয়। পরে হামলাকারীরা নির্বাচন বাতিলের দাবীতে কেন্দ্রে পাশেই বিক্ষোভ মিছিল করে এবং বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরন ঘটায়। এদিকে নান্দুয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় ব্যালট বাক্স ছিনতাই করা হয়। তখন পুলিশ ১৭ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে। তবে ভোটরা কেন্দ্রে না গেলেও স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীরা কেন্দ্রে ভেতরে বসে জাল ভোট দেয়ার অভিযোগ করেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী আহমেদ রিয়াজ। পরে তিনি বিকেল ৩টায় এক সংবাদ সম্মেলনে এই নির্বাচন প্রত্যাখান করেছেন এবং মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মোঃ কামরুল হাসানকে বিষয়টি অবগত করেছেন । ভোটের আগের রাতে কমলগঞ্জ উপজেলার চিৎলিয়া মঙ্গলপুর গ্রাম্য কাঁচা সড়ক কেটে ফেলে দেয় দুর্বৃত্তরা। দুর্বৃত্তরা ওই রাতেই এক ইউপি সদস্যে বাড়ির খড়রের ঘরে আগুন লাগিয়ে দেয়। পুলিশ ছাত্রদলের দুই কর্মীকে আটক করেছে।
মৌলভীবাজারের দুটি নির্বাচনী এলাকায় সকাল ৮টা থেকে ভোট গ্রহন শুরু হলেও ভোটারদের কোন উপস্থিতি দেখা যায়নি। নির্বাচনী এলাকার বেশ কয়েকটি কেন্দ্র পরিদর্শনে দেখা যায় সকাল ৯টা পর্যন্ত কোন ভোটার ভোট দিতে যাননি। দুপুর ১২ টায় রড়লেখা দক্ষিনভাগ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে ৩হাজার ৪শত ৯৪টি ভোটের মধ্যে ১০টি ভোট প্রদান করেছে ভোটাররা। তবে অধিকাংশ কেন্দ্রে প্রার্থীদের এজেন্ট ছাড়া কাউকে দেখা যায়নি। সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে বড়লেখার কাঠালতলী উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে অর্তকিত হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করে এক পুলিশ সদস্য আনোয়ার ও আনসার সদস্য মনসুর আলী, মুর্শেদ আলম ও ফয়জুল হকে আহত করে। এ সময় নির্বাচন বিরোধীরা পুলিশের কাছে থাকা একটি শর্টগান লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনার পর থেকে ভোটারদের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। পড়ে প্রিজাইটিং অফিসার ভোট গ্রহন স্থগিত করলেও দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সহকারী রিটার্নী অফিসার ভোট গ্রহনের জন্য পুনরায় নির্দেশ দেন। ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। অপর দিকে বিকেল ৩টার দিকে বড়লেখার দোহালিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে নির্বাচন বিরোধীরা ৬টি ব্যালট বাক্স ছিনতাই করে নিয়ে গেছে। এ সময় তারা কেন্দ্রে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে একটি মটরসাইকেল পুড়ে যায়। অপরদিকে খলাজুড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে হামলা করে ভাংচুর ও ব্যালট বাক্স ছিনতাই করা হয়। পরে হামলাকারীরা নির্বাচন বাতিলের দাবীতে কেন্দ্রে পাশেই বিক্ষোভ মিছিল করে এবং বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরন ঘটায়। এদিকে নান্দুয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় ব্যালট বাক্স ছিনতাই করা হয়। তখন পুলিশ ১৭ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে। তবে ভোটরা কেন্দ্রে না গেলেও স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীরা কেন্দ্রে ভেতরে বসে জাল ভোট দেয়ার অভিযোগ করেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী আহমেদ রিয়াজ। পরে তিনি বিকেল ৩টায় এক সংবাদ সম্মেলনে এই নির্বাচন প্রত্যাখান করেছেন এবং মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মোঃ কামরুল হাসানকে বিষয়টি অবগত করেছেন । ভোটের আগের রাতে কমলগঞ্জ উপজেলার চিৎলিয়া মঙ্গলপুর গ্রাম্য কাঁচা সড়ক কেটে ফেলে দেয় দুর্বৃত্তরা। দুর্বৃত্তরা ওই রাতেই এক ইউপি সদস্যে বাড়ির খড়রের ঘরে আগুন লাগিয়ে দেয়। পুলিশ ছাত্রদলের দুই কর্মীকে আটক করেছে। à¦¸à§à¦Ÿà¦¾à¦« রিপোর্টার॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •