শেরপুরে ঐতিহ্যবাহী মাছের মেলার নামে প্রকাশ্যে জুয়ার জমজমাট আসর

January 13, 2014, এই সংবাদটি ১৩৮ বার পঠিত

 à¦®à§Œà¦²à¦­à§€à¦¬à¦¾à¦œà¦¾à¦°à§‡à¦° শেরপুরে ঐতিহ্যবাহী মাছের মেলায় এবার প্রকাশ্যে বসে জুয়ার জমজমাট আসর। মূল মেলা প্রাঙ্গণের রাস্তায় ৫ হাত অন্তুর অন্তুর ছিল জুয়ার বোর্ড়। ওয়ান টেন, চড়কি ও গুটি দিয়ে শতাধিক জুয়ার বোর্ড এখানে বসে। প্রত্যেকটি জুয়ার বোর্ডকে ঘিরে পেশাদার জুয়াড়ী ছাড়াও বিভিন্ন স্কুল কলেজের ছাত্ররা এসব বোর্ডে দান ছাড়ে। ২০০ টাকা থেকে শুরু করে ৫শ ও হাজার টাকার দান ধরেন মেলা আসায় লোকেরা। প্রকাশ্যে দিবালোকে এসব জুয়ার আসর বসলেও মেলা কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসন ছিল নিরব দর্শকের ভূমিকায়। জানা গেছে মেলা কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই এ জুয়ার আসর বসিয়েছেন দালালরা।
জানা যায়, যারা এই মেলার ইজারা নেন তারা বেশি লাভের আশায় জুয়ারী বোর্ডের দালালদের জুয়ার বোর্ড বসানোর অনুমতি দেন। আর এ কাজে প্রশাসনকে একটি ভাগ প্রদান করা হয়। যে কারণে প্রশাসন এ ব্যাপারে নিরব ভূমিকা পালন করে। আর এতে করে লাভের আশায় জুয়ার বোর্ডে দান ছেড়ে লক্ষ লক্ষ টাকা জলে ফেলে নিঃস্ব হয়ে ফিরছেন জুয়ায় অংশগ্রহণকারী আগন্তুকরা।  
সরেজমিন পরিদর্শন ও বিভিন্ন লোকদের সাথে আলাপ করে জানা যায়, যুগ যুগ ধরে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার শেরপুরে কুসিয়ারা নদীর পাড় ঘেঁষে মাছের মেলা বসে। এবার বসেছিল ঐতিহ্যবাহি এ মেলা। শেষ হয়েছে ১৩ জানুয়ারী সোমবার। তবে এবার অন্য বারের মতো লোক সমাগম হয়নি। মাছের মেলা হিসাবে যুগ যুগ ধরে এর পরিচিতি থাকলেও এই মেলায় বিক্রি হয় গৃহস্থালীর সব সামগ্রী। তবে সম্প্রতি এই মেলার ঐতিহ্যের গায়ে কালিমা লেপন করে প্রকাশ্যে বসে জুয়ার আসর। সবার সামনে এই অনৈতিক কাজ চললেও কথা বলার কেউ নেই।
প্রতিবছর পৌষসংক্রান্তি উপলক্ষে এই মেলা বসে। পৌষসংক্রান্তির পূর্বের রাতে মূলত মাছ বেচা বিক্রি হয়। বিশাল আকারের নানা রকম মাছের পসরা সাজিয়ে বসেন ব্যবসায়ীরা। এই মেলা উপলক্ষে এই অঞ্চলের প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষ পৌষের শেষ দিনগুলোতে বেশ ব্যতিব্যস্ত হয়ে উঠেন। মেলাকে উপলক্ষ করে শেরপুর এলাকার আশপাশের মানুষের মধ্যে অনাবিল এক আনন্দ দীর্ঘ কয়েক যুগ ধরেই চলে আসছে।
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী এই মাছের মেলা পূর্বে বসতো মনুমুখ এলাকায় কুশিয়ারার তীরে। এটি প্রায় দশ বছরের পুরোনো হলেও এখন স্থান পরিবর্তন হয়ে বিগত ৪৫ বছর ধরে মেলা হয় শেরপুরে। আর এই মেলার দিনকে সামনে রেখে পৌষসংক্রান্তির পূর্ব থেকেই চলে প্রস্তুতি। এই মেলায় বৃহত্তর সিলেট অঞ্চল ছাড়াও দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে যেমন ব্যবসায়ীরা আসেন তেমনি আসেন ক্রেতারাও। হাজার হাজার মৎস্য ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন স্থান থেকে মাছ সংগ্রহ করে এই মেলায় নিয়ে আসেন। এই মেলায় অনেক ভোজন বিলাসী মানুষ আসেন পছন্দের মাছ কিনতে। তাই মেলার কথা মাথায় রেখে জলমহাল মালিকরাও তাদের জলমহাল থেকে বড় মাছ আহরণ করেন এবং বিক্রি করেন। দুদিনের এই মেলা শেষ হয়েছে সোমবার। অগ্রহায়ণের নবান্ন উৎসবের রেশ কাটতে না কাটতেই শীত জড়ানো পৌষের পিঠা-পুলি আর মুড়ি-মুড়কির পাশাপাশি এই মেলা আরেক আনন্দানুভুতি নিয়ে প্রতিবছর হাজির হয় ঐতিহ্যপ্রেমী বৃহত্তর সিলেটবাসীর কাছে। 
মাছের মেলা হলেও মাছ ছাড়াও এই মেলায় সংসারের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র এবং কারুপণ্যের পসরাও সাজিয়ে বসে ব্যবসায়ীরা। শিশুদের মনোরঞ্জনে পুতুল নাছের আসরও বসে। এছাড়া কাটের আসবাবপত্র বিক্রি হয়। এবারের মেলায় মাছ ব্যবসায়ীরা এনেছিলেন নানান প্রকার ও আকৃতির মাছ। বিশাল আকৃতির বাঘাইড়, বোয়াল, রুই, চিতলসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রচুর মাছ মেলায় আনা হয়। তবে এবার অন্যবারের মতো লোকসমাগম হয়নি। 
ব্যবসায়ীরা জানান, মাছের মেলাকে কেন্দ্র করে আগ থেকেই কে কত বড় আকৃতির মাছ মেলায় উঠাতে পারেন এ নিয়ে ভেতরে ভেতরে চলে এক ধরনের প্রতিযোগিতা। স্থানীয় হাওর-বাওর মাছের খামার ছাড়াও সিলেট, হবিগঞ্জের মারকুলি ও ঢাকা থেকে থেকে মাছ নিয়ে আসা হয়েছিল। পূর্বেকার মেলায় দেখা গেছে এক রাতেই ২০/২৫ কোটি টাকার মাছ বিক্রি হতো। জানালেন এক ব্যবসায়ী। তবে এবার এমন ব্যবসা হয়নি। তারপরও অনেকের ধারনা এই মেলায় শ’কোটি টাকার বাণিজ্য সোমবার (১৩ জানুয়ারী) বিকেলে গিয়ে মেলায় দেখা গেছে ব্যবসায়ীরা মাছের বাজার অনেকটা গুছিয়ে ফেললেও বিভিন্ন ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান বসেছে পসরা সাজিয়ে। এর মাছে প্রকাশ্যে রাস্তায় বসেছে জুয়ার আসর। শতশত লোক দাঁড়িয়ে দেখছেন কেউ বা খেলায় অংশ নিচ্ছেন। গতকাল বিকেলে মাছের আধিক্য কমে গেলেও মেলাপ্রেমী নারী-পুরুষ-শিশুদের স্্েরাত ছিল মেলার স্থলবরাবর। মাছ ব্যবসায়ী মজনু মিয়া (৩০) দোকানে বেশ কিছু বড় মাছ তুলে রেখেছেন। জানালেন এবার মেলায় বেচা-বিক্রি কম। মানুষ কম এসেছে। তার কথা ৯০ হাজার টাকার মাছ তুলে ছিলেন। লোকসান হবে বলে জানান। পাশে বসা আরেক ব্যবসায়ী বলেন মাছ কিনতে এসে সব টাকা জুয়াতে দিয়ে যায় মানুষ। আরেক ব্যবসায়ী  à¦–ছরু মিয়া (৩৫) বিশাল আকারের একটি বোয়ালসহ বেশ কিছু মাছের পসরা সাজিয়ে বসেছিলেন ক্রেতার আশায় জানালেন ৬৫ হাজার টাকার মাছ এনেছিলেন। লাভ হয়নি। রাত জাগা বৃথা যাবে তার। কামালপুরের মুহিদ মিয়া কোদাল ও খুনতি কিনে নিয়ে যাওয়ার সময় জানালেন এই মেলায় গৃহস্থালী জিনিসপত্র কেনার জন্য আশপাশের মানুষের পরিকল্পনা থাকে। জানালেন এই মেলার নামডাক ছোট বেলা থেকেই জানেন। প্রায় হারিয়ে যাওয়া গ্রামীণ গৃহস্থালীর উপকরণ চাউলের গুড়ি কোটার জন্য ব্যবহৃত গাইল ও ছিয়া নিয়ে বসেছিলেন কয়েকজন ব্যবসায়ী। জানালেন মেলা কর্তৃপক্ষকে বেশি টাকা জমা দিতে হয়। তাই লাভ কম। আছিয়া বেগম তালুকদার (৫০) উপস্থিত হয়েছেন গৃহস্থালীর প্রয়োজনীয় উপকরণ কিনতে। তার হাতে একটি কম্বল। আড়াই হাজার টাকা দিয়ে কিনেছেন। মেলায় আসা অনেকেই জানান, মেলার সব কিছুই সুন্দর। গ্রামীণ ঐতিহ্যের অংশ এই মেলা। আশপাশের গ্রামসহ সিলেট বিভাগের অনেকেই আশে নির্মল আনন্দ উপভোগ করতে। তবে জুয়াসহ অনৈতিক কিছু কর্মকা- অনেককেই বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়। এই মেলা থেকে বেশ বড় অংকের রাজস্ব আদায় হয়। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ খেয়াল করলে মেলার ঐতিহ্য রক্ষা পাবে।
প্রকাশ্যে জুয়ার বোর্ড সম্পর্কে জানতে চাইলে সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান বলেন, আমি এক্ষুণী বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ নিচ্ছি। 
প্রশাসনের নিরবতা সম্পর্কে জানতে পুলিশ সুপার তোফায়েল আহমদের বক্তব্য জানতে বারবার তার ফোনে চেষ্টা করলেও ওয়েটিং থাকার কারণে তার বক্তব্য নেযা সম্ভব হয়নি। 

 

 à¦®à§Œà¦²à¦­à§€à¦¬à¦¾à¦œà¦¾à¦°à§‡à¦° শেরপুরে ঐতিহ্যবাহী মাছের মেলায় এবার প্রকাশ্যে বসে জুয়ার জমজমাট আসর। মূল মেলা প্রাঙ্গণের রাস্তায় ৫ হাত অন্তুর অন্তুর ছিল জুয়ার বোর্ড়। ওয়ান টেন, চড়কি ও গুটি দিয়ে শতাধিক জুয়ার বোর্ড এখানে বসে। প্রত্যেকটি জুয়ার বোর্ডকে ঘিরে পেশাদার জুয়াড়ী ছাড়াও বিভিন্ন স্কুল কলেজের ছাত্ররা এসব বোর্ডে দান ছাড়ে। ২০০ টাকা থেকে শুরু করে ৫শ ও হাজার টাকার দান ধরেন মেলা আসায় লোকেরা। প্রকাশ্যে দিবালোকে এসব জুয়ার আসর বসলেও মেলা কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসন ছিল নিরব দর্শকের ভূমিকায়। জানা গেছে মেলা কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই এ জুয়ার আসর বসিয়েছেন দালালরা।
জানা যায়, যারা এই মেলার ইজারা নেন তারা বেশি লাভের আশায় জুয়ারী বোর্ডের দালালদের জুয়ার বোর্ড বসানোর অনুমতি দেন। আর এ কাজে প্রশাসনকে একটি ভাগ প্রদান করা হয়। যে কারণে প্রশাসন এ ব্যাপারে নিরব ভূমিকা পালন করে। আর এতে করে লাভের আশায় জুয়ার বোর্ডে দান ছেড়ে লক্ষ লক্ষ টাকা জলে ফেলে নিঃস্ব হয়ে ফিরছেন জুয়ায় অংশগ্রহণকারী আগন্তুকরা।  
সরেজমিন পরিদর্শন ও বিভিন্ন লোকদের সাথে আলাপ করে জানা যায়, যুগ যুগ ধরে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার শেরপুরে কুসিয়ারা নদীর পাড় ঘেঁষে মাছের মেলা বসে। এবার বসেছিল ঐতিহ্যবাহি এ মেলা। শেষ হয়েছে ১৩ জানুয়ারী সোমবার। তবে এবার অন্য বারের মতো লোক সমাগম হয়নি। মাছের মেলা হিসাবে যুগ যুগ ধরে এর পরিচিতি থাকলেও এই মেলায় বিক্রি হয় গৃহস্থালীর সব সামগ্রী। তবে সম্প্রতি এই মেলার ঐতিহ্যের গায়ে কালিমা লেপন করে প্রকাশ্যে বসে জুয়ার আসর। সবার সামনে এই অনৈতিক কাজ চললেও কথা বলার কেউ নেই।
প্রতিবছর পৌষসংক্রান্তি উপলক্ষে এই মেলা বসে। পৌষসংক্রান্তির পূর্বের রাতে মূলত মাছ বেচা বিক্রি হয়। বিশাল আকারের নানা রকম মাছের পসরা সাজিয়ে বসেন ব্যবসায়ীরা। এই মেলা উপলক্ষে এই অঞ্চলের প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষ পৌষের শেষ দিনগুলোতে বেশ ব্যতিব্যস্ত হয়ে উঠেন। মেলাকে উপলক্ষ করে শেরপুর এলাকার আশপাশের মানুষের মধ্যে অনাবিল এক আনন্দ দীর্ঘ কয়েক যুগ ধরেই চলে আসছে।
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী এই মাছের মেলা পূর্বে বসতো মনুমুখ এলাকায় কুশিয়ারার তীরে। এটি প্রায় দশ বছরের পুরোনো হলেও এখন স্থান পরিবর্তন হয়ে বিগত ৪৫ বছর ধরে মেলা হয় শেরপুরে। আর এই মেলার দিনকে সামনে রেখে পৌষসংক্রান্তির পূর্ব থেকেই চলে প্রস্তুতি। এই মেলায় বৃহত্তর সিলেট অঞ্চল ছাড়াও দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে যেমন ব্যবসায়ীরা আসেন তেমনি আসেন ক্রেতারাও। হাজার হাজার মৎস্য ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন স্থান থেকে মাছ সংগ্রহ করে এই মেলায় নিয়ে আসেন। এই মেলায় অনেক ভোজন বিলাসী মানুষ আসেন পছন্দের মাছ কিনতে। তাই মেলার কথা মাথায় রেখে জলমহাল মালিকরাও তাদের জলমহাল থেকে বড় মাছ আহরণ করেন এবং বিক্রি করেন। দুদিনের এই মেলা শেষ হয়েছে সোমবার। অগ্রহায়ণের নবান্ন উৎসবের রেশ কাটতে না কাটতেই শীত জড়ানো পৌষের পিঠা-পুলি আর মুড়ি-মুড়কির পাশাপাশি এই মেলা আরেক আনন্দানুভুতি নিয়ে প্রতিবছর হাজির হয় ঐতিহ্যপ্রেমী বৃহত্তর সিলেটবাসীর কাছে। 
মাছের মেলা হলেও মাছ ছাড়াও এই মেলায় সংসারের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র এবং কারুপণ্যের পসরাও সাজিয়ে বসে ব্যবসায়ীরা। শিশুদের মনোরঞ্জনে পুতুল নাছের আসরও বসে। এছাড়া কাটের আসবাবপত্র বিক্রি হয়। এবারের মেলায় মাছ ব্যবসায়ীরা এনেছিলেন নানান প্রকার ও আকৃতির মাছ। বিশাল আকৃতির বাঘাইড়, বোয়াল, রুই, চিতলসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রচুর মাছ মেলায় আনা হয়। তবে এবার অন্যবারের মতো লোকসমাগম হয়নি। 
ব্যবসায়ীরা জানান, মাছের মেলাকে কেন্দ্র করে আগ থেকেই কে কত বড় আকৃতির মাছ মেলায় উঠাতে পারেন এ নিয়ে ভেতরে ভেতরে চলে এক ধরনের প্রতিযোগিতা। স্থানীয় হাওর-বাওর মাছের খামার ছাড়াও সিলেট, হবিগঞ্জের মারকুলি ও ঢাকা থেকে থেকে মাছ নিয়ে আসা হয়েছিল। পূর্বেকার মেলায় দেখা গেছে এক রাতেই ২০/২৫ কোটি টাকার মাছ বিক্রি হতো। জানালেন এক ব্যবসায়ী। তবে এবার এমন ব্যবসা হয়নি। তারপরও অনেকের ধারনা এই মেলায় শ’কোটি টাকার বাণিজ্য সোমবার (১৩ জানুয়ারী) বিকেলে গিয়ে মেলায় দেখা গেছে ব্যবসায়ীরা মাছের বাজার অনেকটা গুছিয়ে ফেললেও বিভিন্ন ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান বসেছে পসরা সাজিয়ে। এর মাছে প্রকাশ্যে রাস্তায় বসেছে জুয়ার আসর। শতশত লোক দাঁড়িয়ে দেখছেন কেউ বা খেলায় অংশ নিচ্ছেন। গতকাল বিকেলে মাছের আধিক্য কমে গেলেও মেলাপ্রেমী নারী-পুরুষ-শিশুদের স্্েরাত ছিল মেলার স্থলবরাবর। মাছ ব্যবসায়ী মজনু মিয়া (৩০) দোকানে বেশ কিছু বড় মাছ তুলে রেখেছেন। জানালেন এবার মেলায় বেচা-বিক্রি কম। মানুষ কম এসেছে। তার কথা ৯০ হাজার টাকার মাছ তুলে ছিলেন। লোকসান হবে বলে জানান। পাশে বসা আরেক ব্যবসায়ী বলেন মাছ কিনতে এসে সব টাকা জুয়াতে দিয়ে যায় মানুষ। আরেক ব্যবসায়ী  à¦–ছরু মিয়া (৩৫) বিশাল আকারের একটি বোয়ালসহ বেশ কিছু মাছের পসরা সাজিয়ে বসেছিলেন ক্রেতার আশায় জানালেন ৬৫ হাজার টাকার মাছ এনেছিলেন। লাভ হয়নি। রাত জাগা বৃথা যাবে তার। কামালপুরের মুহিদ মিয়া কোদাল ও খুনতি কিনে নিয়ে যাওয়ার সময় জানালেন এই মেলায় গৃহস্থালী জিনিসপত্র কেনার জন্য আশপাশের মানুষের পরিকল্পনা থাকে। জানালেন এই মেলার নামডাক ছোট বেলা থেকেই জানেন। প্রায় হারিয়ে যাওয়া গ্রামীণ গৃহস্থালীর উপকরণ চাউলের গুড়ি কোটার জন্য ব্যবহৃত গাইল ও ছিয়া নিয়ে বসেছিলেন কয়েকজন ব্যবসায়ী। জানালেন মেলা কর্তৃপক্ষকে বেশি টাকা জমা দিতে হয়। তাই লাভ কম। আছিয়া বেগম তালুকদার (৫০) উপস্থিত হয়েছেন গৃহস্থালীর প্রয়োজনীয় উপকরণ কিনতে। তার হাতে একটি কম্বল। আড়াই হাজার টাকা দিয়ে কিনেছেন। মেলায় আসা অনেকেই জানান, মেলার সব কিছুই সুন্দর। গ্রামীণ ঐতিহ্যের অংশ এই মেলা। আশপাশের গ্রামসহ সিলেট বিভাগের অনেকেই আশে নির্মল আনন্দ উপভোগ করতে। তবে জুয়াসহ অনৈতিক কিছু কর্মকা- অনেককেই বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়। এই মেলা থেকে বেশ বড় অংকের রাজস্ব আদায় হয়। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ খেয়াল করলে মেলার ঐতিহ্য রক্ষা পাবে।
প্রকাশ্যে জুয়ার বোর্ড সম্পর্কে জানতে চাইলে সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান বলেন, আমি এক্ষুণী বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ নিচ্ছি। 
প্রশাসনের নিরবতা সম্পর্কে জানতে পুলিশ সুপার তোফায়েল আহমদের বক্তব্য জানতে বারবার তার ফোনে চেষ্টা করলেও ওয়েটিং থাকার কারণে তার বক্তব্য নেযা সম্ভব হয়নি। 

 

 à¦¸à§à¦Ÿà¦¾à¦« রিপোর্টার॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •