সিলেট-আখাউড়া-রেল সেকশনে দীর্ঘ দিন ধরে ৪টি গুরুত্বপূর্ণ রেল স্টেশন বন্ধ

January 12, 2014, এই সংবাদটি ১৬৭ বার পঠিত

 à¦¸à¦¿à¦²à§‡à¦Ÿ-আখাউড়া রেল সেকশনে স্টেশনমাষ্টার ও প্রয়োজনীয় লোকবলের অভাবে দীর্ঘ দিন ধরে ভাটেরা, টিলাগাঁও, লস্করপুর ও ইটাখোলা রেল স্টেশন বন্ধ রয়েছে। ফলে যাত্রীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। অপরদিকে সরকার বিপুল পরিমান অর্থ রাজস্বখাত থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। রেলওয়ে সুত্রে জানা যায়, সিলেট-আখাউড়া রেলওয়ে সেকশনের অন্তর্গত হবিগঞ্জের লস্করপুর, ইটাখোলা ও মৌলভীবাজরের কুলাউড়া উপজেলার টিলাগাঁও এবং ভাটেরা রেল ষ্টেশনগুলো ২০০৯ সালের ১৭ মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে। এ নিয়ে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় ঐ সময় লেখালেখি হলে রেলকর্তৃপক্ষ শুধু টিলাগাঁও স্টেশনে ১ জন মাস্টার দিয়েছিল। কিন্তু মাস্টার দেওয়ার ৩/৪ দিন পর রহস্যজনক কারণে মাস্টারকে সমশেরনগর স্টেশনে প্রেষণে বদলী করা হয়। টিলাগাও স্টেশনের একমাত্র দায়িত্বপ্রাপ্ত মাস্টার মতিউর রহমানকে কর্তৃপক্ষ জিনারদি রেলওয়ে স্টেশনে বদলী করাতে এবং মাস্টারের সংকটে স্টেশনটি বন্ধ হয়ে যায়। ব্রিটিশ শাসনামলে ডানকান ব্রাদার্সের বাগান ও এলাকার জনসাধারণের সুবিধার্থে টিলাগাঁও ষ্টেশন স্থাপন করা হয়েছিল। বি-গ্রেডের স্টেশন টিলাগাঁওয়ে শুধু বাগানের মালামাল বুকিং করেই সরকারের হাজার হাজার টাকা রাজস্ব আয় হতো। এমনি ভাবে শিল্পকারখানা চা-বাগান বেস্টিত লস্করপুর, ইটাখোলা স্টেশন এবং ভাটেরা রেল স্টেশন গুলো অনেক গুরুত্বপূর্ন হলেও বর্তমানে এ সব কয়েকটি স্টেশন অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে আছে।প্রতিটি স্টেশনে যেখানে ৩ জন মাস্টার থাকার কথা সেখানে মাস্টারবিহীন অবস্থায় রয়েছে স্টেশনগুলো। টিলাগাঁও স্টেশনে লোকজনের অভাবে দীর্ঘ দিন থেকে স্টেশনে ক্রসিং বন্ধ থাকার কারনে লংলা অথবা সমশেরনগর স্টেশনে ট্রেনের ক্রসিং, ভাটেরা স্টেশন বন্ধ থাকায় মাইজগাঁও ও বরমচাল স্টেশনে ট্রেনের ক্রসিং অপরদিকে লস্করপুর স্টেশন বন্ধ থাকায় শায়েস্থাগঞ্জ অথবা রশীদপুর স্টেশনে ক্রসিং এবং ইটাখোলা স্টেশন বন্ধ থাকায় নোয়াপাড়া অথবা মনতলা স্টেশনে ট্রেনের ক্রসিং দেয়া হয়। এতে ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রামী আন্তঃনগর ট্রেন সহ লোকাল ট্রেন প্রায় সময় একটি ক্রসিংয়ে প্রায় ৪০ মিনিট সময় লাগে। অপরদিকে প্রয়োজনীয় সংখ্যাক লোকজন না থাকায় এ চারটি স্টেশনটি অরক্ষিত হয়ে পড়ায় সংঘবন্ধ লোহা চোরেরা স্টেশনের মূল্যবান উপকরণ চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। এ স্টেশনগুলো শতশত যাত্রীর একমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম ছিল রেল ব্যবস্থা। বর্তমানে স্টেশনগুলো বন্ধ থাকায় যাত্রীরা ট্রেনের খবর জানতে, মালামাল বুকিং ও টিকেট সংগ্রহ করতে পারছেন না। ফলে অসংখ্য যাত্রী সিলেট, আখাউড়া, ঢাকা ও চট্টগ্রামে যাতায়াতে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। এ ব্যাপারে রেলওয়ে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআইসি) আতাউর রহমান ও কুলাউড়া রেলওয়ে জংশন ষ্টেশনের মাষ্টার মুহিদুর রহমান জানান, স্টেশন মাষ্টার সহ প্রয়োজনীয় লোকবলের অভাবে স্টেশনগুলো বন্ধ রয়েছে। সরকার স্টেশন মাষ্টারসহ অন্যান্য পদে ২০১০সালে লোক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি ঘোষনা করলে চাকুরীর আশায় এ সময় অনেককে আবেদন করেন। পরবর্তীসময়ে ঐ আবেদন গুলো বাতিল করে সরকার ২০১১ সালে আবার নতুন ভাবে লোক নিয়াগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করলে পূর্বের আবেদনকারীরা হাইকোর্টে মামলা করায় আইনি জটিলতায় নতুনভাবে নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। তিনি আরো জানান, আখাউড়া থেকে সিলেট পর্যন্ত  à¦¸à¦¾à¦¤à¦—াঁও, নোয়াপাড়া, মনতলা, রশীদপুর, শ্রীমঙ্গল, লংলা, শমসেরনগর, ভানুগাছ, বরমচাল, মাইজগাও, মোগলাবাজার, শাহজীবাজারসহ চালু স্টেশন গুলোতে ৩ জনের পরিবর্তে ২ জন মাষ্টার দিয়ে স্টেশন গুলো সচল রাখা হয়েছে। উক্ত স্টেশনগুলোতে পূনরায় মাস্টার দেয়ার জন্য রেলওয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসী রেলওয়ে মন্ত্রিসহ কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

 à¦¸à¦¿à¦²à§‡à¦Ÿ-আখাউড়া রেল সেকশনে স্টেশনমাষ্টার ও প্রয়োজনীয় লোকবলের অভাবে দীর্ঘ দিন ধরে ভাটেরা, টিলাগাঁও, লস্করপুর ও ইটাখোলা রেল স্টেশন বন্ধ রয়েছে। ফলে যাত্রীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। অপরদিকে সরকার বিপুল পরিমান অর্থ রাজস্বখাত থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। রেলওয়ে সুত্রে জানা যায়, সিলেট-আখাউড়া রেলওয়ে সেকশনের অন্তর্গত হবিগঞ্জের লস্করপুর, ইটাখোলা ও মৌলভীবাজরের কুলাউড়া উপজেলার টিলাগাঁও এবং ভাটেরা রেল ষ্টেশনগুলো ২০০৯ সালের ১৭ মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে। এ নিয়ে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় ঐ সময় লেখালেখি হলে রেলকর্তৃপক্ষ শুধু টিলাগাঁও স্টেশনে ১ জন মাস্টার দিয়েছিল। কিন্তু মাস্টার দেওয়ার ৩/৪ দিন পর রহস্যজনক কারণে মাস্টারকে সমশেরনগর স্টেশনে প্রেষণে বদলী করা হয়। টিলাগাও স্টেশনের একমাত্র দায়িত্বপ্রাপ্ত মাস্টার মতিউর রহমানকে কর্তৃপক্ষ জিনারদি রেলওয়ে স্টেশনে বদলী করাতে এবং মাস্টারের সংকটে স্টেশনটি বন্ধ হয়ে যায়। ব্রিটিশ শাসনামলে ডানকান ব্রাদার্সের বাগান ও এলাকার জনসাধারণের সুবিধার্থে টিলাগাঁও ষ্টেশন স্থাপন করা হয়েছিল। বি-গ্রেডের স্টেশন টিলাগাঁওয়ে শুধু বাগানের মালামাল বুকিং করেই সরকারের হাজার হাজার টাকা রাজস্ব আয় হতো। এমনি ভাবে শিল্পকারখানা চা-বাগান বেস্টিত লস্করপুর, ইটাখোলা স্টেশন এবং ভাটেরা রেল স্টেশন গুলো অনেক গুরুত্বপূর্ন হলেও বর্তমানে এ সব কয়েকটি স্টেশন অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে আছে।প্রতিটি স্টেশনে যেখানে ৩ জন মাস্টার থাকার কথা সেখানে মাস্টারবিহীন অবস্থায় রয়েছে স্টেশনগুলো। টিলাগাঁও স্টেশনে লোকজনের অভাবে দীর্ঘ দিন থেকে স্টেশনে ক্রসিং বন্ধ থাকার কারনে লংলা অথবা সমশেরনগর স্টেশনে ট্রেনের ক্রসিং, ভাটেরা স্টেশন বন্ধ থাকায় মাইজগাঁও ও বরমচাল স্টেশনে ট্রেনের ক্রসিং অপরদিকে লস্করপুর স্টেশন বন্ধ থাকায় শায়েস্থাগঞ্জ অথবা রশীদপুর স্টেশনে ক্রসিং এবং ইটাখোলা স্টেশন বন্ধ থাকায় নোয়াপাড়া অথবা মনতলা স্টেশনে ট্রেনের ক্রসিং দেয়া হয়। এতে ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রামী আন্তঃনগর ট্রেন সহ লোকাল ট্রেন প্রায় সময় একটি ক্রসিংয়ে প্রায় ৪০ মিনিট সময় লাগে। অপরদিকে প্রয়োজনীয় সংখ্যাক লোকজন না থাকায় এ চারটি স্টেশনটি অরক্ষিত হয়ে পড়ায় সংঘবন্ধ লোহা চোরেরা স্টেশনের মূল্যবান উপকরণ চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। এ স্টেশনগুলো শতশত যাত্রীর একমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম ছিল রেল ব্যবস্থা। বর্তমানে স্টেশনগুলো বন্ধ থাকায় যাত্রীরা ট্রেনের খবর জানতে, মালামাল বুকিং ও টিকেট সংগ্রহ করতে পারছেন না। ফলে অসংখ্য যাত্রী সিলেট, আখাউড়া, ঢাকা ও চট্টগ্রামে যাতায়াতে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। এ ব্যাপারে রেলওয়ে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআইসি) আতাউর রহমান ও কুলাউড়া রেলওয়ে জংশন ষ্টেশনের মাষ্টার মুহিদুর রহমান জানান, স্টেশন মাষ্টার সহ প্রয়োজনীয় লোকবলের অভাবে স্টেশনগুলো বন্ধ রয়েছে। সরকার স্টেশন মাষ্টারসহ অন্যান্য পদে ২০১০সালে লোক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি ঘোষনা করলে চাকুরীর আশায় এ সময় অনেককে আবেদন করেন। পরবর্তীসময়ে ঐ আবেদন গুলো বাতিল করে সরকার ২০১১ সালে আবার নতুন ভাবে লোক নিয়াগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করলে পূর্বের আবেদনকারীরা হাইকোর্টে মামলা করায় আইনি জটিলতায় নতুনভাবে নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। তিনি আরো জানান, আখাউড়া থেকে সিলেট পর্যন্ত  à¦¸à¦¾à¦¤à¦—াঁও, নোয়াপাড়া, মনতলা, রশীদপুর, শ্রীমঙ্গল, লংলা, শমসেরনগর, ভানুগাছ, বরমচাল, মাইজগাও, মোগলাবাজার, শাহজীবাজারসহ চালু স্টেশন গুলোতে ৩ জনের পরিবর্তে ২ জন মাষ্টার দিয়ে স্টেশন গুলো সচল রাখা হয়েছে। উক্ত স্টেশনগুলোতে পূনরায় মাস্টার দেয়ার জন্য রেলওয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসী রেলওয়ে মন্ত্রিসহ কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

 à¦à¦‡à¦š ডি রুবেল :

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •