কুলাউড়ায় এড. আবেদ রাজাসহ ১৮দলীয় ২শ’ নেতাকর্মী গ্রেফতার, অতঃপর মুক্তি

January 5, 2014, এই সংবাদটি ১৪৮ বার পঠিত

কুলাউড়ায় উপজেলায় শনিবার সন্ধা সাড়ে ৭ ঘটিকায় ১৮দলীয় জোট মিছিল বের করলে পুলিশ দুই শতাধিক ১৮দলীয় জোটের নেতাকর্মীকে আটক করে। বিএনপির কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতা এড. আবেদ রাজা, সাবেক উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক ও যুক্তরাজ্য বিএনপি নেতা ড. সাইফুল আলম চৌধুরী, উপজেলা জামায়তের আমীর মাষ্টার আব্দুল বারী, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এ মজিদ, প্রচার সম্পাদক শেখ মোঃ শহীদুল ইসলাম সহ বিএনপি-জামায়াতের দুই শতাধিক নেতাকর্মীকে থানা কম্পাউন্ডের ভিতরে ৪৫মিঃ আটকে রাখে। সাবেক কুলাউড়া উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক ও যুক্তরাজ্য বিএনপি নেতা ড. সাইফুল আলম চৌধুরী ও প্রচার সম্পাদক শেখ মোঃ শহীদুল ইসলাম জানান, ১৮দলীয় জোট হরতালের সমর্থনে শান্তিপূর্ন মিছিলটি চৌমুহনী থেকে শুরু হয়ে দক্ষিণবাজার বাসষ্ট্যন্ড প্রদক্ষিণ করে পূনরায় উত্তরবাজারের দিকে যাওয়ার সময় থানার সামনে থেকে কুলাউড়া থানা পুলিশ ১৮দলীয় জোটের দুই শ’ নেতাকর্মীকে থানায় নিয়ে আটকে রাখে। এদিকে থানা থেকে মুক্তি পাওয়ার পর চৌমুহনী চত্বরে বিএনপি কার্যালয় সম্মুখে হরতালের সমর্থনে এক সভা সন্ধ্যায় শুরু হলে পুনরায় ম্যাজেষ্ট্রটের উপস্থিতিতে বিজিবি সভাটি ভন্ডুলের চেষ্টা করে বলে অভিযোগ করেন এড. আবেদ রাজা। এর প্রতিবাদে চৌমুহনাস্থ উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে তাৎক্ষনিক সংবাদ সম্মেলন করে আগামী মঙ্গলবার কালো পতাকা ও মৌন মিছিল কর্মসূচীর ঘোষনা করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতা এড. আবেদ রাজা। সাংবাদিক সম্মেলনে আবেদ রাজা বলেন, আমরা কোন অন্যায় করিনি। এটা আমাদের গণতান্ত্রীক অধিকার। এ সময় নেতাকর্মীরা বিক্ষোব্ধ হয়ে উঠলে তাদেরকে শান্তনা দিয়ে বলেন, এ সরকার নির্লজ্জ ভাবে দেশে একনায়কতন্ত্র কায়েমের জন্য সভা সমাবেশে বাধা দিচ্ছে। দেশ নেত্রী বেগম খালেদাজিয়াকে গৃহবন্দী করে রেখে প্রহসনের নির্বাচন করে ক্ষমতা আকড়িয়ে রাখতে চায়। তিনি জনগণকে এক দলীয় নির্বাচন প্রতিহত করতে ১৮দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ সহ সর্বস্থরের জনগণের প্রতি আহবান জানান। এড. আবেদ রাজা গনতান্ত্রীক কর্মসূচীতে বাধা দেওয়ার তীব্র নিন্দ জ্ঞাপন করেন। এ ব্যাপারে কুলাউড়া থানার ওসি (তদন্ত) দিলীপ কুমার দাস জানান, নির্বাচনের আগের দিন বড় ধরনের শোডাউন করায় ১৮দলীয় জোটের নেতাকর্মীকে থানায় আনা হলেও পরে তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
কুলাউড়ায় উপজেলায় শনিবার সন্ধা সাড়ে ৭ ঘটিকায় ১৮দলীয় জোট মিছিল বের করলে পুলিশ দুই শতাধিক ১৮দলীয় জোটের নেতাকর্মীকে আটক করে। বিএনপির কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতা এড. আবেদ রাজা, সাবেক উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক ও যুক্তরাজ্য বিএনপি নেতা ড. সাইফুল আলম চৌধুরী, উপজেলা জামায়তের আমীর মাষ্টার আব্দুল বারী, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এ মজিদ, প্রচার সম্পাদক শেখ মোঃ শহীদুল ইসলাম সহ বিএনপি-জামায়াতের দুই শতাধিক নেতাকর্মীকে থানা কম্পাউন্ডের ভিতরে ৪৫মিঃ আটকে রাখে। সাবেক কুলাউড়া উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক ও যুক্তরাজ্য বিএনপি নেতা ড. সাইফুল আলম চৌধুরী ও প্রচার সম্পাদক শেখ মোঃ শহীদুল ইসলাম জানান, ১৮দলীয় জোট হরতালের সমর্থনে শান্তিপূর্ন মিছিলটি চৌমুহনী থেকে শুরু হয়ে দক্ষিণবাজার বাসষ্ট্যন্ড প্রদক্ষিণ করে পূনরায় উত্তরবাজারের দিকে যাওয়ার সময় থানার সামনে থেকে কুলাউড়া থানা পুলিশ ১৮দলীয় জোটের দুই শ’ নেতাকর্মীকে থানায় নিয়ে আটকে রাখে। এদিকে থানা থেকে মুক্তি পাওয়ার পর চৌমুহনী চত্বরে বিএনপি কার্যালয় সম্মুখে হরতালের সমর্থনে এক সভা সন্ধ্যায় শুরু হলে পুনরায় ম্যাজেষ্ট্রটের উপস্থিতিতে বিজিবি সভাটি ভন্ডুলের চেষ্টা করে বলে অভিযোগ করেন এড. আবেদ রাজা। এর প্রতিবাদে চৌমুহনাস্থ উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে তাৎক্ষনিক সংবাদ সম্মেলন করে আগামী মঙ্গলবার কালো পতাকা ও মৌন মিছিল কর্মসূচীর ঘোষনা করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতা এড. আবেদ রাজা। সাংবাদিক সম্মেলনে আবেদ রাজা বলেন, আমরা কোন অন্যায় করিনি। এটা আমাদের গণতান্ত্রীক অধিকার। এ সময় নেতাকর্মীরা বিক্ষোব্ধ হয়ে উঠলে তাদেরকে শান্তনা দিয়ে বলেন, এ সরকার নির্লজ্জ ভাবে দেশে একনায়কতন্ত্র কায়েমের জন্য সভা সমাবেশে বাধা দিচ্ছে। দেশ নেত্রী বেগম খালেদাজিয়াকে গৃহবন্দী করে রেখে প্রহসনের নির্বাচন করে ক্ষমতা আকড়িয়ে রাখতে চায়। তিনি জনগণকে এক দলীয় নির্বাচন প্রতিহত করতে ১৮দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ সহ সর্বস্থরের জনগণের প্রতি আহবান জানান। এড. আবেদ রাজা গনতান্ত্রীক কর্মসূচীতে বাধা দেওয়ার তীব্র নিন্দ জ্ঞাপন করেন। এ ব্যাপারে কুলাউড়া থানার ওসি (তদন্ত) দিলীপ কুমার দাস জানান, নির্বাচনের আগের দিন বড় ধরনের শোডাউন করায় ১৮দলীয় জোটের নেতাকর্মীকে থানায় আনা হলেও পরে তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়। à¦•à§à¦²à¦¾à¦‰à§œà¦¾ অফিস :

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •