মৌলভীবাজার-২ চেনা মতিন অচেনা পিন্টুর লড়াই

January 2, 2014, এই সংবাদটি ৮৬ বার পঠিত

আগামী ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই চেনা অচেনা প্রার্থীদের যেতে হচ্ছে ভোটারদের কাছে। তবে কুলাউড়ার ইউনিয়ন গুলোতে কোথাও নেই নির্বাচনী আমেজ। মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন কুলাউড়া উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন ও নতুন মুখ মুহিবুল কাদির চৌধরী (পিন্টু)। চেনা মুখ স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মতিনের নির্বাচনী প্রচারণা: আওয়ামী লীগের কুলাউড়া উপজেলার সাবেক সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মতিন সাধারণ ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। তিনি ভোট চাইতে গেলে ভোটরা বলেন, ‘আপনে আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় নেতা ছিলেন। কেনো স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেন?’ উত্তরে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ এখন সাধারণ মানুষের চিন্তা করে না। কিভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারে তা নিয়ে সক্রিয় দলের নেতাকর্মীরা।’ তিনি ক্ষোভে আরও বলেন, ‘অনেক সময় দিয়েছি। দলের ত্যাগী নেতা হিসাবে কোনো মূল্যায়ন পাইনি।’ সাধারণ ভোটাররা পিন্টুর বাড়ি কোথায় জানেন না। তাই স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মতিনের আনারস প্রতীকে ভোট দেয়ার কথা শোনা যাচ্ছে। যেহেতু তিনি দুইবারের উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বিধায় প্রতিটি ইউনিয়নের ভোটাররা তাকে চিনেন। আনারস প্রতীকের প্রার্থী সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় ভোট প্রার্থনা করছেন এবং কুলাউড়ার বিভিন্ন ইউনিয়নে দুইটি মাইকে প্রচারণা চালাচ্ছেন। নির্বাচনী প্রচারণায় জাপা প্রার্থী পিন্টু: লাঙল প্রতীকে একা একাই নির্বাচনী এলাকায় প্রচারণায় নেমে পড়েন জাপা প্রার্থী পিন্টু। তবে ভোটারদের কাছে গিয়ে তিনি বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে পড়েন। বিভিন্ন এলাকায় ভোট চাইতে গিয়ে প্রশ্নবাণে জর্জরিত হন। অনেক ভোটার প্রশ্ন করেন, ‘ভাইসাব আপনার বাড়ি কোথায়? আপনাকে এর আগে দেখিও নি, নামও শুনিনি। এমপি হওয়া এতো সহজ আগে যদি জানতাম আমিও পিন্টু ভাইয়ের সঙ্গে সংসদ সদস্য প্রার্থী হতাম বলে ঠাট্টা করেন একজন ভোটার। জাপার প্রার্থী মুহিবুল কাদির চৌধুরী পিন্টু বাংলামেইলকে জানান, তার নির্বাচনী প্রচারণা চলছে প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত। তিনটি মাইকে ঘোষণা দিচ্ছে ৫ জানুয়ারি লাঙল প্রতীকে ভোট দেয়ার জন্য। তার স্থায়ী বাড়ি কোন উপজেলার, কোন গ্রামে? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি প্রথমে জানান, আমি কুলাউড়ার রমিজ ইঞ্জিনিয়ারের ভাতিজা। পরে বলেন,‘সরি! আমার শ্রীমঙ্গলে ব্যবসা আছে। আসলে আমি কুলাউড়ার বাসিন্দা নই।’ শেষে তিনি দোয়া চেয়ে বলেন, ‘সাংবাদিক ভাই, দোয়া করবেন প্রচারণা চলতেছে। বিজয়ের মুকুট তার পক্ষেই থাকবে।’ সাধারণ ভোটাররা জাপা প্রার্থী পিন্টুর কাছে জানতে চান,‘আপনি জাতীয় পাটির প্রার্থী হলেন আপনার পাশে জাতীয় তো পাটির কোনো নেতাকে দেখা যায় না। তাহলে আপনি কীভাবে লাঙল প্রতীক নিয়ে ভোট করছেন?’ তিনি জানান, তাদের বাবা (এরশাদ) অসুস্থ তাই মা রওশন এরশাদ দলের দায়িত্ব নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়ে প্রাথীর্ও হয়েছেন। এলাকায় অচেনা এই জাপা প্রার্থীর উত্তর পেয়ে ভোটাররা হতভাগ। নিরাপত্তা নিয়ে অভিযোগ নেই প্রার্থীদের: আব্দুল মতিন ও মুহিবুল কাদির চৌধুরী পিন্টুর প্রশাসনের প্রতি কোনো অভিযোগ নেই। প্রতিদিন প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। যে সময় পুলিশ ফোর্স প্রয়োজন তখনই পেয়ে যাচ্ছেন। তবে কিছু এলাকায় ১৮ দলের কর্মীরা নাশকতার চেষ্টায় থাকলে পুলিশ সেখানে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি শান্ত রাখে। স্থানীয় জাপার একাধিক নেতাকর্মী জানান, পাটির চেয়ারম্যান নির্বাচনে অংশ না নেয়ার ঘোষণা দিলেও কুলাউড়া আওয়ামী লীগের এজেন্ট অচেনা পিন্টু (লাঙল ও মহাজোট) প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এতে লাঙল প্রতীক থাকলেও পাশে থাকবে না নেতারা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক নেতা বলেন, ‘পিন্টুর বাড়ি কুলাউড়ায় নয়। তার স্থায়ী বাড়ি শ্রীমঙ্গল উপজেলায়। তাই ভোটাররা অচেনা পিন্টু বলে ডাকতেছে। দলীয় প্রতীক লাঙল নিয়ে যিনি নির্বাচন করতে চাচ্ছেন তাকে কোনো নেতাকর্মীরা চিনে না? রাজনীতি এতো সহজ নাকি? এটা কখনো মেনে নেয়া যায় না।’ মৌলভীবাজার জেলা নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, দশম জাতীয় সংসদের নির্বাচনে জেলার মৌলভীবাজার ৩ ও ৪ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামী লীগের দুই প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। ৫ জানুয়ারি রোববার মৌলভীবাজার ১ (বড়লেখা) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন আওয়ামী লীগের শাহাব উদ্দিন ও জাপার আহমেদ রিয়াজ। কি হয় দেখার জন্য আগামী ৫ জানুয়ারির প্রতিক্ষায় আছেন এলাকার ভোটাররা।
আগামী ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই চেনা অচেনা প্রার্থীদের যেতে হচ্ছে ভোটারদের কাছে। তবে কুলাউড়ার ইউনিয়ন গুলোতে কোথাও নেই নির্বাচনী আমেজ। মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন কুলাউড়া উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন ও নতুন মুখ মুহিবুল কাদির চৌধরী (পিন্টু)। চেনা মুখ স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মতিনের নির্বাচনী প্রচারণা: আওয়ামী লীগের কুলাউড়া উপজেলার সাবেক সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মতিন সাধারণ ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। তিনি ভোট চাইতে গেলে ভোটরা বলেন, ‘আপনে আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় নেতা ছিলেন। কেনো স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেন?’ উত্তরে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ এখন সাধারণ মানুষের চিন্তা করে না। কিভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারে তা নিয়ে সক্রিয় দলের নেতাকর্মীরা।’ তিনি ক্ষোভে আরও বলেন, ‘অনেক সময় দিয়েছি। দলের ত্যাগী নেতা হিসাবে কোনো মূল্যায়ন পাইনি।’ সাধারণ ভোটাররা পিন্টুর বাড়ি কোথায় জানেন না। তাই স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মতিনের আনারস প্রতীকে ভোট দেয়ার কথা শোনা যাচ্ছে। যেহেতু তিনি দুইবারের উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বিধায় প্রতিটি ইউনিয়নের ভোটাররা তাকে চিনেন। আনারস প্রতীকের প্রার্থী সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় ভোট প্রার্থনা করছেন এবং কুলাউড়ার বিভিন্ন ইউনিয়নে দুইটি মাইকে প্রচারণা চালাচ্ছেন। নির্বাচনী প্রচারণায় জাপা প্রার্থী পিন্টু: লাঙল প্রতীকে একা একাই নির্বাচনী এলাকায় প্রচারণায় নেমে পড়েন জাপা প্রার্থী পিন্টু। তবে ভোটারদের কাছে গিয়ে তিনি বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে পড়েন। বিভিন্ন এলাকায় ভোট চাইতে গিয়ে প্রশ্নবাণে জর্জরিত হন। অনেক ভোটার প্রশ্ন করেন, ‘ভাইসাব আপনার বাড়ি কোথায়? আপনাকে এর আগে দেখিও নি, নামও শুনিনি। এমপি হওয়া এতো সহজ আগে যদি জানতাম আমিও পিন্টু ভাইয়ের সঙ্গে সংসদ সদস্য প্রার্থী হতাম বলে ঠাট্টা করেন একজন ভোটার। জাপার প্রার্থী মুহিবুল কাদির চৌধুরী পিন্টু বাংলামেইলকে জানান, তার নির্বাচনী প্রচারণা চলছে প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত। তিনটি মাইকে ঘোষণা দিচ্ছে ৫ জানুয়ারি লাঙল প্রতীকে ভোট দেয়ার জন্য। তার স্থায়ী বাড়ি কোন উপজেলার, কোন গ্রামে? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি প্রথমে জানান, আমি কুলাউড়ার রমিজ ইঞ্জিনিয়ারের ভাতিজা। পরে বলেন,‘সরি! আমার শ্রীমঙ্গলে ব্যবসা আছে। আসলে আমি কুলাউড়ার বাসিন্দা নই।’ শেষে তিনি দোয়া চেয়ে বলেন, ‘সাংবাদিক ভাই, দোয়া করবেন প্রচারণা চলতেছে। বিজয়ের মুকুট তার পক্ষেই থাকবে।’ সাধারণ ভোটাররা জাপা প্রার্থী পিন্টুর কাছে জানতে চান,‘আপনি জাতীয় পাটির প্রার্থী হলেন আপনার পাশে জাতীয় তো পাটির কোনো নেতাকে দেখা যায় না। তাহলে আপনি কীভাবে লাঙল প্রতীক নিয়ে ভোট করছেন?’ তিনি জানান, তাদের বাবা (এরশাদ) অসুস্থ তাই মা রওশন এরশাদ দলের দায়িত্ব নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়ে প্রাথীর্ও হয়েছেন। এলাকায় অচেনা এই জাপা প্রার্থীর উত্তর পেয়ে ভোটাররা হতভাগ। নিরাপত্তা নিয়ে অভিযোগ নেই প্রার্থীদের: আব্দুল মতিন ও মুহিবুল কাদির চৌধুরী পিন্টুর প্রশাসনের প্রতি কোনো অভিযোগ নেই। প্রতিদিন প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। যে সময় পুলিশ ফোর্স প্রয়োজন তখনই পেয়ে যাচ্ছেন। তবে কিছু এলাকায় ১৮ দলের কর্মীরা নাশকতার চেষ্টায় থাকলে পুলিশ সেখানে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি শান্ত রাখে। স্থানীয় জাপার একাধিক নেতাকর্মী জানান, পাটির চেয়ারম্যান নির্বাচনে অংশ না নেয়ার ঘোষণা দিলেও কুলাউড়া আওয়ামী লীগের এজেন্ট অচেনা পিন্টু (লাঙল ও মহাজোট) প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এতে লাঙল প্রতীক থাকলেও পাশে থাকবে না নেতারা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক নেতা বলেন, ‘পিন্টুর বাড়ি কুলাউড়ায় নয়। তার স্থায়ী বাড়ি শ্রীমঙ্গল উপজেলায়। তাই ভোটাররা অচেনা পিন্টু বলে ডাকতেছে। দলীয় প্রতীক লাঙল নিয়ে যিনি নির্বাচন করতে চাচ্ছেন তাকে কোনো নেতাকর্মীরা চিনে না? রাজনীতি এতো সহজ নাকি? এটা কখনো মেনে নেয়া যায় না।’ মৌলভীবাজার জেলা নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, দশম জাতীয় সংসদের নির্বাচনে জেলার মৌলভীবাজার ৩ ও ৪ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামী লীগের দুই প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। ৫ জানুয়ারি রোববার মৌলভীবাজার ১ (বড়লেখা) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন আওয়ামী লীগের শাহাব উদ্দিন ও জাপার আহমেদ রিয়াজ। কি হয় দেখার জন্য আগামী ৫ জানুয়ারির প্রতিক্ষায় আছেন এলাকার ভোটাররা। à¦•à§à¦²à¦¾à¦‰à§œà¦¾ অফিস॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •