কমলগঞ্জে করোনার টিকা নিতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপচেপড়া ভিড়

July 13, 2021, এই সংবাদটি ১৭১ বার পঠিত

প্রনীত রঞ্জন দেবনাথ॥ কমলগঞ্জে করোনার টিকা নিতে আগ্রহ বেড়েছে উপজেলাবাসীর। সংশয় কেটে যাওয়ায় টিকা কেন্দ্রে এখন বিভিন্ন এলাকার নারী-পুরুষের উপচেপড়া ভিড়। আগে গেলে টিকা পাওয়া যাবে। ডোজ ফুরিয়ে যেতে পারে এ আশঙ্কায় চল্লিশোর্ধ্ব লোকজন স্বতঃস্ফূর্তভাবে টিকা নিতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভিড় করছেন।

সোমবার ১২ জুলাই সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল ১০টা থেকে বিকাল ১টা পর্যন্ত কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টিকা দেওয়া হচ্ছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে উদ্বোধনী দিনে সোমবার টিকা গ্রহণ করেছেন উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি পেশার ৩০০ জন লোক। এর মাঝে ১৭২ জন পুরুষ ও ১২৮ জন নারী রয়েছেন।

টিকা নিতে আসা পতনঊষার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী তওফিক আহমদ বাবু, শমশেরনগরের আওয়ামীলীগ নেতা এবিএম আরিফুজ্জামান অপু, ইলিয়াছুর রহমান মহরম, হামিদুল ইসলাম বলেন, যারা টিকা নিয়েছেন তাদের কোনো সমস্যা হয়নি। এ ছাড়া এখন টিকা না নিলে পরে যদি পাওয়া না যায়, তাই আগে টিকা নেওয়ার জন্য নিবন্ধন করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিকা কেন্দ্রে এসেছি।

কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এম. মাহবুবুল আলম ভূঁইয়া বলেন, টিকা না থাকায় প্রায় ২ মাস প্রয়োগ বন্ধ ছিল। গত রোববার বিকেলে সিনোফার্মের টিকা তারা পেয়েছেন। আর সোমবার সকাল ৯টা থেকে দ্বিতীয় দফার টিকা প্রদান শুরু হয়। দ্বিতীয় দফার প্রথম দিনে কমলগঞ্জে ৩০০ জন টিকা গ্রহন করেন। যারা আগে নিবন্ধন করেও টিকা গ্রহন করতে পারেননি তারা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা গ্রহন করতে পারবেন। তার সাথে নতুন করে নিবন্ধিতরাও টিকা গ্রহন করতে পারবেন। তিনি মনে করেন এখন প্রতিদিন ৩০০ থেকে ৪০০ জন টিকা গ্রহন করবেন। তবে এখন শুধু প্রথম ডোজ দেওয়া হবে। এর পর পরবর্তী নির্ধারিত তারিখে সবাইকে দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেওয়া হবে।

স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আরও বলেন, আগে ৯ হাজার ৭৫৯ জন নিবন্ধন করে প্রথম দফায় কমলগঞ্জে অষ্ট্রাজেনিকার প্রথম ডোজ গ্রহন করেছেন ডোজ গ্রহন করেছিলেন ৭ হাজার ৭৫৯ জন। তাদের দ্বিতীয় ডোজের টিকার জন্য আগামী জুলাই মাসের শেষ থেকে আগষ্ট মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। চিন্তার কোন কারণ নেই, দেশে আগামীতে প্রচুর পরিমাণে টিকা আসছে বলেও তিনি জানান।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •