কুলাউড়া পৌরসভার অর্থায়নে সচল হল সিসি ক্যামেরা

July 16, 2021, এই সংবাদটি ৯১ বার পঠিত

এইচ ডি রুবেল॥ কুলাউড়া পৌরসভার মেয়র অধ্যক্ষ সিপার উদ্দিন আহমদ এর সহযোগিতায় কুলাউড়া বাজারের সিসি ক্যামেরা দীর্ঘদিন অচল থাকার পর পুনরায় সচল করা হয়েছে।

কুলাউড়া ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির আর্থিক সংকটের কারণে দীর্ঘদিন কুলাউড়া বাজারসহ শহরের ২৫টি সিসি ক্যামেরার মধ্যে অধিকাংশ অচল থাকায় বাজারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিঘ্নিত হয়। অবশেষে ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে মেয়র সিপার উদ্দিনের সাথে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দরা মতবিনিময় করে অচল সিসি ক্যামেরা সচল করার দাবী জানালে তিনি পৌরসভার অর্থায়নে অচল সিসি ক্যামেরা সচল করে তার দায়িত্বকালীন সময়ে সার্বক্ষণিক সচল রাখার আশ্বাস প্রদানের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) আনুষ্ঠানিকভাবে শহরের সকল সিসি ক্যামেরার পূনঃ উদ্বোধন করা হয়।

মেয়র অধ্যক্ষ সিপার উদ্দিন আহমদ এর সভাপতিত্বে ও কুলাউড়া ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সম্পাদক এম আতিকুর রহমান আখইর পরিচালনায় কুলাউড়া থানা ভবনে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেয়রের উদ্যোগের প্রশংসা করে বক্তব্য রাখেন কুলাউড়া ইউএনও এটিএম ফরহাদ চৌধুরী, কুলাউড়া থানার ওসি বিনয় ভূষণ রায়, কুলাউড়া ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি বদরুজ্জামান সজল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওসি (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম, কুলাউড়া প্রেসক্লাব সভাপতি এম শাকিল রশীদ চৌধুরী, পৌর কাউন্সিলার সাইফুর রশিদ সুমন, ব্যবসায়ী সমিতির সহ-সভাপতি রফিক মিয়া ফাতু, দপ্তর সম্পাদক ডা. কুতুব উদ্দিন, প্রচার প্রকাশনা সম্পাদক এইচ ডি রুবেল’সহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

মেয়র সিপার তার বক্তব্যে কুলাউড়া বাজারের ব্যবসায়ীদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তার স্বার্থে তিনি যতদিন দায়িত্বে থাকবেন ততদিন পৌরসভার অর্থায়নে সিসি ক্যামেরা সচল রাখাসহ রক্ষণাবেক্ষণের ও ব্যবসায়ী সমিতিকে ৫০ হাজার টাকা অর্থিক অনুদান প্রদানের আশ্বাস প্রদান করেন।

উল্লেখ্য, কুলাউড়ার বিশিষ্ট শিল্পপতি এ জে চৌধুরীর অর্থায়নে ২০১৮ সালে ব্যবসায়ী সমিতির দাবীর প্রেক্ষিতে কুলাউড়া বাজারের নিরাপত্তার স্বার্থে শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে ২৫টি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। পরবর্তীতে ব্যবসায়ী সমিতির আর্থিক সংকটের কারণে ৭/৮ মাস সিসি ক্যামেরার রক্ষণাবেক্ষণ না করায় অধিকাংশ সিসি ক্যামেরা অচল হয়ে পড়ে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •