কমলগঞ্জে এক গৃহবধূকে অমানষিক নির্যাতনের অভিযোগ

September 25, 2013, এই সংবাদটি ২০০ বার পঠিত

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার কান্দিগাঁও গ্রামে রোকিয়া বেগম (২৭) নামে এক গৃহবধূকে অমানষিক নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গুরুতর আহত গৃহবধূকে রোববার ভোর রাতে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। শরীরে রয়েছে নির্যাতনের দগদগে অসংখ্য চি‎হৃ। হাসপাতালের বিছানায় যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে গৃহবধূ রোকিয়া। কমলগঞ্জ উপজেলার সদর ইউপির কান্দিগাঁও গ্রামের মৃত এলখাছ মিয়ার পুত্র দুবাই প্রবাসি মিলন মিয়া প্রায় ৮ বছর পূর্বে বিয়ে করেন পাশ্ববর্তী গন্ডারমারা গ্রামের মতলিব মিয়ার কন্যা রোকিয়া বেগমকে। স্বামী বিদেশ থাকায় দুই সন্তান নিয়ে বাড়িতে একাই থাকেন রোকিয়া। প্রায় দুই বছর পূর্বে মিলন মিয়া সাইফুল মিয়া নামে তার এক আত্মীয়কে দুবাই নেন। বিয়ের এক মাসের মাথায় সাইফুল বিদেশ গিয়ে প্রায় ৯ মাস বিদেশ অবস্থানের পর দেশে ফিরে আসেন। বিদেশ থেকে ফেরত আসার পর থেকে মিলন মিয়ার স্ত্রী রোকিয়া বেগমের সঙ্গে বিরোধ দেখা দেয় নুর মিয়ার পরিবারের। স্বামী মিলন মিয়ার অবর্তমানে প্রায় সময় গৃহবধূ রোকিয়া বেগমকে মানষিক নির্যাতন করা হত। এ নিয়ে আদালতে মামলা মকদ্দমা চলছে। অপর দিকে বিদেশ ফেরত সাইফুল ক্ষতিপূরণ চেয়ে মিলন মিয়ার পরিবারের বিরুদ্ধে আদালতে সম্প্রতি একটি মামলা করে। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য কমলগঞ্জ থানার ওসিকে নিদের্শ দিলে ২০ সেপ্টেম্বর শুক্রবার এই মামলার তদন্ত করে কমলগঞ্জ থানা পুলিশ। পুলিশ মামলার তদন্ত করার পর থেকে নানাভাবে উৎপাত করা হয় রোকিয়াকে। শনিবার গভীর রাতে বসত ঘরের বেড়া ভেঙ্গে নুর মিয়ার পুত্র রফিক মিয়াসহ অন্যান্যরা বসত ঘরে প্রবেশ করে অমানুষিক নির্যাতন করা হয় রোকিয়াকে। শিশু সন্তানদের জিম্মি করে রোকিয়াকে নির্যাতনের এক পর্যায়ে শ্লীলতাহানীর চেষ্টা করা হয়। গুরুত্বর আহত রোকিয়াকে রোববার ভোরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। ঘটনাটি কমলগঞ্জ থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়। এ ঘটনায় কমলগঞ্জ থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান আহত গৃহবধু রোকিয়া বেগম।
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার কান্দিগাঁও গ্রামে রোকিয়া বেগম (২৭) নামে এক গৃহবধূকে অমানষিক নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গুরুতর আহত গৃহবধূকে রোববার ভোর রাতে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। শরীরে রয়েছে নির্যাতনের দগদগে অসংখ্য চি‎হৃ। হাসপাতালের বিছানায় যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে গৃহবধূ রোকিয়া। কমলগঞ্জ উপজেলার সদর ইউপির কান্দিগাঁও গ্রামের মৃত এলখাছ মিয়ার পুত্র দুবাই প্রবাসি মিলন মিয়া প্রায় ৮ বছর পূর্বে বিয়ে করেন পাশ্ববর্তী গন্ডারমারা গ্রামের মতলিব মিয়ার কন্যা রোকিয়া বেগমকে। স্বামী বিদেশ থাকায় দুই সন্তান নিয়ে বাড়িতে একাই থাকেন রোকিয়া। প্রায় দুই বছর পূর্বে মিলন মিয়া সাইফুল মিয়া নামে তার এক আত্মীয়কে দুবাই নেন। বিয়ের এক মাসের মাথায় সাইফুল বিদেশ গিয়ে প্রায় ৯ মাস বিদেশ অবস্থানের পর দেশে ফিরে আসেন। বিদেশ থেকে ফেরত আসার পর থেকে মিলন মিয়ার স্ত্রী রোকিয়া বেগমের সঙ্গে বিরোধ দেখা দেয় নুর মিয়ার পরিবারের। স্বামী মিলন মিয়ার অবর্তমানে প্রায় সময় গৃহবধূ রোকিয়া বেগমকে মানষিক নির্যাতন করা হত। এ নিয়ে আদালতে মামলা মকদ্দমা চলছে। অপর দিকে বিদেশ ফেরত সাইফুল ক্ষতিপূরণ চেয়ে মিলন মিয়ার পরিবারের বিরুদ্ধে আদালতে সম্প্রতি একটি মামলা করে। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য কমলগঞ্জ থানার ওসিকে নিদের্শ দিলে ২০ সেপ্টেম্বর শুক্রবার এই মামলার তদন্ত করে কমলগঞ্জ থানা পুলিশ। পুলিশ মামলার তদন্ত করার পর থেকে নানাভাবে উৎপাত করা হয় রোকিয়াকে। শনিবার গভীর রাতে বসত ঘরের বেড়া ভেঙ্গে নুর মিয়ার পুত্র রফিক মিয়াসহ অন্যান্যরা বসত ঘরে প্রবেশ করে অমানুষিক নির্যাতন করা হয় রোকিয়াকে। শিশু সন্তানদের জিম্মি করে রোকিয়াকে নির্যাতনের এক পর্যায়ে শ্লীলতাহানীর চেষ্টা করা হয়। গুরুত্বর আহত রোকিয়াকে রোববার ভোরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। ঘটনাটি কমলগঞ্জ থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়। এ ঘটনায় কমলগঞ্জ থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান আহত গৃহবধু রোকিয়া বেগম। কমলগঞ্জ প্রতিনিধি॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •