ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ : মৌলভীবাজারের ৪টি আসন বিজয়ে মরিয়া বিএনপি, বিজয়ের নতুন ইতিহাস গড়তে চায় জামায়াত

স্টাফ রিপোর্টার : প্রবাসী অধ্যুষিত ও চায়ের রাজধানী নামে খ্যাত মৌলভীবাজারে হাওর, চা বাগান, আগর, আনারস, রাবার বাগান, জলপ্রপাত, রিজাভ ফরেস্ট ও সমতল ভূমি সহ রয়েছে প্রাকৃকিত সম্পদে ভরপুর। মৌলভীবাজার জেলার ৪টি আসন মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ী) আসনে ৬ জন, মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনে ৮ জন, মৌলভীবাজার-৩ (সদর-রাজনগর) আসনে ৪ জন এবং মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনে ৬ জন সহ মোট ২৪ জন প্রার্থী ভোটের যুদ্ধে রয়েছেন।
৫ আগস্টের সফল গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট সরকার পালিয়ে যাওয়ার পর রাজনীতিতে এসেছে আমূল পরিবর্তন। তাই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রায় দুই যুগের মধ্যে এবারই প্রথম নতুন প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিদ্বন্ধিতা হচ্ছে। ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় এমপি, ২০১৮ সালে দিনের ভোট রাতে, ২০২৪ এ ড্যামি ভোট হওয়াতে সাধারণ মানুষ ভোট দিতে পারেনি। যে কারণে বার বার এমপি, মন্ত্রী হয়েছেন ফ্যাসিস্টরা। এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি, জামায়েত, খেলাফতে মজলিস, এনসিপি ও বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিস অন্যান্যদল সহ স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ভোর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত বিরামহীন প্রচার প্রচারণা চলান। তারা শহর থেকে গ্রামের বাজারে জনসভা ও উঠান বৈঠক করছেন। প্রচারণায় থেমে নেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও। প্রতিদিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা যায় মিথ্যা গুজবের স্টিল বা ভিডিও চিত্র। এ নিয়ে বিভ্রান্তিতে পড়তে হচ্ছে সাধারণ ভোটাররা।
মৌলভীবাজার জেলার চারটি সংসদীয় আসনে বিজয়ের ঐতিহ্য ও ধারাবাহিকতা রক্ষায় পুনরুদ্ধারে ভোটের মাঠের লড়াইয়ে মরিয়া বিএনপি। এম সাইফুর রহমানের আমলে বিএনপির উন্নয়ন সামনে এনে জেলার আসনগুলো জিতে নিতে মরিয় বিএনপি। অপরদিকে ওই ৪টি আসনে কখনো বিজয়ী না হলেও এবার ভাগ বসাতে চায় জামায়েত ও তার শরিক দলগুলো। বিএনপি’র বিজয়ের রেকর্ড থাকলেও এখন পর্যন্ত একটি আসনেও বিজয়ী হতে পারেনি জামায়াত। এমনকি দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাও করতে পারেনি তারা। তাই বিজয়ের ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা রক্ষায় বিএনপি এবং জয়ের নতুন ইতিহাস গড়তে জামায়াত ও তাদের মিত্র দলের জোট এখন ভোটযুদ্ধে মাঠে মরিয়া।
দলের আমীরের নিজ উপজেলা মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) ও মৌলভীবাজার-২ (জুড়ী ও বড়লেখা) আসনে দল ও জোটের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের একক প্রার্থী থাকলেও অন্য দু’টি আসনে রয়েছে জটিলতা। মৌলভীবাজার-৪ (কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গল) আসনে ১১ দলীয় জোট প্রার্থী রিকশা প্রতীকের শেখ নূরে আলম হামিদী (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস)। সেখানে জামায়াতে প্রার্থী জোটের সিদ্ধান্তে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) শাপলা কলি প্রতীকের প্রীতম দাশ প্রার্থী রয়েছেন। অপরদিকে, মৌলভীবাজার-৩ (সদর-রাজনগর) আসনে বিএনপি ও জোটগত ধানের শীষের একক প্রার্থী এম নাসের রহমান। আর ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিসের দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকে মাওলানা আহমদ বিলাল। তাকে সমর্থন জানিয়ে জোটের সিদ্ধান্ত মেনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের (রিকশা) প্রার্থী লুৎফুর রহমান কামালী। কিন্তু নানা নাটকীয়তার পর জোটের সিদ্ধান্ত অমান্য করে জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল মান্নান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে নির্বাচন করছেন। তবে তিনি জনতার প্রার্থী হিসেবে প্রচারণ চালিয়ে যাচ্ছেন। এদিকে ৭ ফেব্রুয়ারি কুলাউড়া এনসি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেলা জামায়াত আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জামায়াদের আমীর ডা: শফিকুর রহমান। ওই সভায় দাঁড়িপাল্লা প্রার্থী দু’জনকে পরিচয় করিয়ে দেন। তারা হলেন মৌলভীবাজার-১ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রার্থী মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম ও মৌলভীবাজার-২ আসনে মো: সায়েদ আলী। চারটি আসনেই ভোটাররা প্রার্থীদের জয়-পরাজয় নিয়ে এখন চুলচেরা বিশ্লেষণ করছেন।
মৌলভীবাজার জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, মৌলভীবাজার জেলায় মোট ভোটার ১৬লাখ ১৪ হাজার ৯৩৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৮ লাখ ২৪ হাজার ৪৫৪ জন। নারী ভোটার ৭ লাখ ৯০ হাজার ৪৭৪ জন। হিজরা রয়েছেন ৮ জন।
মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ী) : বড়লেখা পৌরসভা ও বড়লেখা উপজেলার ১০ টি এবং জুড়ী উপজেলার ৬ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত মৌলভীবাজার-১ সংসদীয় আসন। মৌলভীবাজার-১ আসনে আওয়ামীলীগ ৮ বার, বিএনপি ২ বার এবং জাতীয় পার্টি ২ বার জয়লাভ করে।
আওয়ামীলীগ থেকে সিরাজুল ইসলাম ১৯৭৩ ও ১৯৭৯, ইমান উদ্দিন আহমদ ১৯৮৬, জাতীয় পাটি থেকে এবাদুর রহমান চৌধুরী ১৯৮৮ এবং ১৯৯১, বিএনপি থেকে এবাদুর রহমান চৌধুরী (১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬), আওয়ামীলীগ থেকে মোঃ শাহাব উদ্দিন (জুন ১৯৯৬), বিএনপি থেকে এবাদুর রহমান চৌধুরী ২০০১, আওয়ামীলীগ থেকে ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ এর নির্বাচনে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ওই আসন থেকে ৭ জন প্রার্থী ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বীতায় রয়েছেন তারা হলেন : নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু (বিএনপি), মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী),আহমদ রিয়াজ (জাতীয় পার্টি), বেলাল আহমদ (স্বতন্ত্র), মো: আব্দুন নূর (গণঅধিকার পরিষদ), মো: শরিফুল ইসলাম (গণফ্রন্ট)।
মূলত এ আসনে নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু, বিএনপি (ধানের শীষ) প্রার্থী ও মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী (দাঁড়ি পাল্লা) এর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বীতা হবে। তবে ভোটের অংকে এগিয়ে রয়েছেন ধানের শীষ প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু।
নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, এ আসনে মোট ভোটার ৩লাখ ৩৭ হাজার ৮১৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭২ হাজার ৯৯৮ জন। নারী ভোটার ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮১৬ জন।
মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) : কুলাউড়া পৌরসভা ও কুলাউড়া উপজেলার ১৩ ইউনিয়ন নিয়ে এ সংসদীয় আসন। মৌলভীবাজার-২ আসনে আওয়ামীলীগ ৪ বার, জাতীয় পার্টি ৩ বার, বিএনপি ১ বার, মুসলিমলীগ ১ বার, বিএনপি জোট (গণ ফোরাম) ১ বার, স্বতন্ত্র ২ বার নির্বাচিত হন।
আওয়ামীলীগ থেকে আ: মোস্তাকিম চৌধুরী ১৯৭৩, আঃ জব্বার ১৯৭৯, মুসলিম লীগ থেকে এ এন এম ইউসুফ ১৯৮৬, জাতীয় পাটি থেকে নবাব আলী আব্বাস খান ১৯৮৮ এবং ১৯৯১, বিএনপি থেকে এম এ শাহীন (১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬), সুলতান মোঃ মনসুর আহমদ (জুন ১৯৯৬), স্বতন্ত্র থেকে এম এ শাহীন ২০০১, জাতীয় পাটি থেকে নবাব আলী আব্বাস খান ২০০৮, স্বতন্ত্র থেকে আব্দুল মতিন ২০১৪, বিএনপি জোট (গণ ফোরাম) থেকে সুলতান মোঃ মনসুর আহমদ ২০১৮, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল ২০২৪।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে ৮ জন প্রার্থী ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বীতায় রয়েছেন, তারা হলেন : মো: শওকতুল ইসলাম শকু (বিএনপি), মো: সায়েদ আলী (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী), মো: ফজলুল হক খান (স্বতন্ত্র), সাদিয়া নোশিন তাসনিম চৌধুরী, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী), মো: আব্দুল মালিক (জাতীয়পার্টি), আব্দুল কুদ্দুস, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (চরমোনাই পীর), নওয়াব আলী আব্বাছ খাঁন (স্বতন্ত্র), এম জিমিউর রহমান চৌধুরী (স্বতন্ত্র)।
মূলত এই আসনে চতুরমূখি প্রতিদ্বন্দ্বী হবে বলে ভোটাররা মনে করেন। ৮ জন প্রার্থীর মধ্যে যে ৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বীতায় রয়েছেন তারা হলেন, মো: শওকতুল ইসলাম শকু, বিএনপি, (ধানের শীষ), মো: সায়েদ আলী (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী (দাঁড়ি পাল্লা), নওয়াব আলী আব্বাছ খাঁন, স্বতন্ত্র (ফুটবল) এবং মো: ফজলুল হক খান, স্বতন্ত্র (কাপ পিরিচ) এই ৪ জনের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বীতা হবে। তবে এ পর্যন্ত ভোটের হিসেবে এগিয়ে রয়েছেন ধানের শীষ ও দাঁড়ি পাল্লা।
এ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৩০ হাজার ২০ জন। এরই মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৫৭ হাজার ১২৮ জন। নারী ভোটার ১ লাখ ৪৫ হাজার ৮৯২ জন।
মৌলভীবাজার-৩ (সদর-রাজনগর) : মৌলভীবাজার পৌরসভা ও মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ১২ ইউনিয়ন এবং রাজনগর উপজেলার ৮ টি ইউনিয়ন নিয়ে মৌলভীবাজার-৩ আসন। এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৮৬ হাজার ২১২ জন। এরই মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৪৮ হাজার ১৩১ জন। নারী ভোটার ২ লাখ ৩৮ হাজার ৭৭ জন।
মৌলভীবাজার-৩ আসনে আওয়ামীলীগ ৭ বার, বিএনপি ৪ বার, জাতীয় পার্টি থেকে ১ বার জয়লাভ করে।
আওয়ামীলীগ থেকে তৈয়াবুর রহিম ১৯৭৩, বিএনপি থেকে এম সাইফুর রহমান ১৯৭৯, আওয়ামীলীগ থেকে আজিজুর রহমান ১৯৮৬, জাতীয় পার্টি থেকে গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী ১৯৮৮, আওয়ামীলীগ থেকে আজিজুর রহমান ১৯৯১, বিএনপি থেকে এম সাইফুর রহমান (১৫ ফেব্রুয়ারি) ১৯৯৬, (জুন) ১৯৯৬ এবং ২০০১, বিএনপি থেকে ২০০১ সালের নভেম্বর উপ-নির্বাচনে এম নাসের রহমান, আওয়ামীলীগ থেকে সৈয়দ মহসীন আলী ২০০৮ ও ২০১৪, আওয়ামীলীগ থেকে থেকে ২০১৫ সালের উপ-নির্বাচনে সৈয়দা সায়রা মহসীন, আওয়ামীলীগ থেকে নেছার আহমদ ২০১৮, আওয়ামীলীগ থেকে জিল্লুর রহমান ২০২৪।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে ৪ জন প্রার্থী ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বীতায় রয়েছেন, তারা হলেন : এম নাসের রহমান (বিএনপি), মো: আব্দুল মান্নান, (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী), আহমদ বিলাল (খেলাফত মজলিস), জহর লাল দত্ত (বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি)।
এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা হবে এম নাসের রহমান, বিএনপি (ধানের শীষ) ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী (দাঁড়ি পাল্লা) মো: আব্দুল মান্নান এর মধ্যে। প্রতীক পেয়ে শুরুতে ১১ দলীয় জোট প্রার্থী খেলাফত মজলিসের আহমদ বিলাল (দেয়াল ঘড়ি) নিয়ে প্রচরনা চালিয়ে যাচ্ছেন। অপর ১১ দলীয় জোট থেকে জামায়াত প্রার্থী তার প্রার্থীতা প্রত্যাহার না করে কয়েকদিন প্রচারণায় মাঠে ছিলেননা। কয়েকদিন থেমে থাকার পর জামায়েত প্রার্থী নিজেকে জনতার প্রার্থী হিসেবে বিলম্বে প্রচরণা নামেন। তবে সাইফুর রহমানের আমলে বিএনপির উন্নয়ন বিবেচনা ও বিশ্লেষণে ভোটের অংকে বেশ এগিয়ে রয়েছেন ধানের শীষ প্রার্থী এম নাসের রহমান।
মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) : শ্রীমঙ্গল পৌরসভা, শ্রীমঙ্গল উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও কমলগঞ্জ উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন, কমলগঞ্জ পৌরসভা নিয়ে এ আসনটি গঠিত। মৌলভীবাজার-৪ আসনে আওয়ামীলীগ ১০ বার, বিএনপি ১ বার এবং জাতীয় পার্টি ১ বার জয়লাভ করে।
আওয়ামীলীগ থেকে আলতাফুর রহমান ১৯৭৩, মোহাম্মদ ইলিয়াছ ১৯৭৯ এবং ১৯৮৬, জাতীয় পার্টি থেকে আহাদ মিয়া ১৯৮৮, আওয়ামীলীগ থেকে উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ ১৯৯১, বিএনপি থেকে মোঃ শফিকুর রহমান (১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬), আবার আওয়ামীলীগ থেকে উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ (জুন) ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮,২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে ৪ জন প্রার্থী ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বীতায় রয়েছেন, তারা হলেন : মো: মুজিবুর রহমান চৌধুরী (বিএনপি), মো: মহসিন মিয়া (স্বতন্ত্র),শেখ নূরে আলম হামিদী (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস), প্রীতম দাশ, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), মোহাম্মদ জরিফ হোসেন (জাতীয় পার্টি), মো: আবুল হাসান (বাসদ)।
এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা হবে মো: মুজিবুর রহমান চৌধুরী, বিএনপি (ধানের শীষ) ও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মো: মহসিন মিয়া, স্বতন্ত্র (ফুটবল) এর মধ্যে। ভোটের অংকে কোন প্রার্থী পিছিয়ে নেই।
এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৮৭ হাজার ৮৮৮ জন। তার মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৪৬ হাজার ১৯৭ জন। নারী ভোটার ২ লাখ ৪১ হাজার ৬৮৯ জন।



মন্তব্য করুন