কমলগঞ্জে ট্রাকের ধাক্কায় ফেটে গেছে ঐতিহ্যবাহী ইরানী তোরণ ॥ যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশঙ্কা

January 11, 2014, এই সংবাদটি ৯৯ বার পঠিত

১৯৫১ সনে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার লংলার নওয়াব বাড়ির আমন্ত্রণে এসেছিলেন ইরানের শাহেন শাহ রেজা পাহলভী। ইরানের শাহেন শাহ একটি বিশেষ বিমানে করে শমশেরনগর বিমান বন্দরে অবতরণ করে একটি বিশেষ ট্রেন যোগে শমশেরনগর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে লংলা রেলওয়ে ষ্টেশনে গিয়েছিলেন। তার সম্মানে সে সময় লংলার নওয়াব পরিবার শমশেরনগর ও লংলা রেলওয়ে ষ্টেশনে দু’টি তোরণ নির্মাণ করেছিলেন। যাহা ইতহাস ঐতিহ্যের স্বাক্ষী হিসাবে দাঁড়িয়ে আছে। স্থানীয়ভাবে এটির পরিচিত রয়েছে ইরানী তোরণ হিসাবে। সম্প্রতি একটি সিমেন্ট বোঝাই ট্রাকের ধাক্কায় শমশেরনগর তোরণের ডান দিকেরটির নিচের অংশ ফেটে যায়। যে কোন সময়ে তোরণ ভেঙ্গে পড়ে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। খোঁজ নিয়ে ও নবম জাতীয় সংসদের সাংসদ এডভোকেট নওয়াব আলী আব্বাস খান সূত্রে জানা যায়, ১৯৫১ সনে নওয়াব আলী হায়দার খান ও নওয়াব আলী আজগর খানের আমন্ত্রণে ইরানের শাহেন শাহ রেজা পাহলভী তাদের বাড়ি (লংলার সাহেব বাড়ি) এসেছিলেন। শাহেন শাহ রেজা পাহলভী একটি বিশেষ বিমানে করে শমশেরনগর বিমান বন্দরে অবতরণ করে বিশেষ ট্রেন যোগে শমশেরনগর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে লংলা রেলওয়ে ষ্টেশনে যাবেন। সে জন্য আগেই শাহেন শাহের সম্মানে নওয়াব আলী হায়দার খান ও নওয়াব আলী আজগর খানের অর্থায়নে শমশেরনগর ও লংলা রেলওয়ে ষ্টেশনে দু’টি পাকা তোরণ নির্মাণ করেছিলেন। শমশেরনগর বিমান বন্দর থেকে শমশেরনগর রেলওয়ে ষ্টেশন পর্যন্ত লাল গালিচা পাতা হয়েছিল। শুরু থেকে শমশেরনগরবাসী এ তোরণটিকে ইতিহাস ঐতিহ্যের ধারক হিসাবে ইরানী তোরণ হিসাবে সম্মান করেন। সম্প্রতি একটি সিমেন্ট বোঝাই বড় ট্রাকের ধক্কায় শমশেরনগর ইরানী তোরণের ডান দিকেরটির নিচের অংশ ফেটে মূল বেইজ থেকে কিছুটা হেলে গেছে। এতে যে কোন সময়ে তোরণটি ভেঙ্গে পড়ে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটে যাবার আশঙ্কা রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবী ক্ষতিগ্রস্ত তোরণটি ভেঙ্গে সংস্কার করা। এ দাবীর প্রেক্ষিতে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা সরেজমিন ঘুরে ক্ষতিগ্রস্ত তোরণটি দেখে গেছেন। কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এ প্রতিনিধিকে বলেন, এ তোরণটি ইতিহাস ঐতিহ্যের প্রতীক। যে কোন উপায়ে তা সংরক্ষণ করতে হবে। তিনি জেলা প্রশাসক ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে ফেটে যাওয়া তোরণ ভেঙ্গে আবার সংস্কার করে দিতে জরুরী ভিত্তিতে উদ্যোগ গ্রহন করছেন।
১৯৫১ সনে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার লংলার নওয়াব বাড়ির আমন্ত্রণে এসেছিলেন ইরানের শাহেন শাহ রেজা পাহলভী। ইরানের শাহেন শাহ একটি বিশেষ বিমানে করে শমশেরনগর বিমান বন্দরে অবতরণ করে একটি বিশেষ ট্রেন যোগে শমশেরনগর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে লংলা রেলওয়ে ষ্টেশনে গিয়েছিলেন। তার সম্মানে সে সময় লংলার নওয়াব পরিবার শমশেরনগর ও লংলা রেলওয়ে ষ্টেশনে দু’টি তোরণ নির্মাণ করেছিলেন। যাহা ইতহাস ঐতিহ্যের স্বাক্ষী হিসাবে দাঁড়িয়ে আছে। স্থানীয়ভাবে এটির পরিচিত রয়েছে ইরানী তোরণ হিসাবে। সম্প্রতি একটি সিমেন্ট বোঝাই ট্রাকের ধাক্কায় শমশেরনগর তোরণের ডান দিকেরটির নিচের অংশ ফেটে যায়। যে কোন সময়ে তোরণ ভেঙ্গে পড়ে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। খোঁজ নিয়ে ও নবম জাতীয় সংসদের সাংসদ এডভোকেট নওয়াব আলী আব্বাস খান সূত্রে জানা যায়, ১৯৫১ সনে নওয়াব আলী হায়দার খান ও নওয়াব আলী আজগর খানের আমন্ত্রণে ইরানের শাহেন শাহ রেজা পাহলভী তাদের বাড়ি (লংলার সাহেব বাড়ি) এসেছিলেন। শাহেন শাহ রেজা পাহলভী একটি বিশেষ বিমানে করে শমশেরনগর বিমান বন্দরে অবতরণ করে বিশেষ ট্রেন যোগে শমশেরনগর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে লংলা রেলওয়ে ষ্টেশনে যাবেন। সে জন্য আগেই শাহেন শাহের সম্মানে নওয়াব আলী হায়দার খান ও নওয়াব আলী আজগর খানের অর্থায়নে শমশেরনগর ও লংলা রেলওয়ে ষ্টেশনে দু’টি পাকা তোরণ নির্মাণ করেছিলেন। শমশেরনগর বিমান বন্দর থেকে শমশেরনগর রেলওয়ে ষ্টেশন পর্যন্ত লাল গালিচা পাতা হয়েছিল। শুরু থেকে শমশেরনগরবাসী এ তোরণটিকে ইতিহাস ঐতিহ্যের ধারক হিসাবে ইরানী তোরণ হিসাবে সম্মান করেন। সম্প্রতি একটি সিমেন্ট বোঝাই বড় ট্রাকের ধক্কায় শমশেরনগর ইরানী তোরণের ডান দিকেরটির নিচের অংশ ফেটে মূল বেইজ থেকে কিছুটা হেলে গেছে। এতে যে কোন সময়ে তোরণটি ভেঙ্গে পড়ে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটে যাবার আশঙ্কা রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবী ক্ষতিগ্রস্ত তোরণটি ভেঙ্গে সংস্কার করা। এ দাবীর প্রেক্ষিতে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা সরেজমিন ঘুরে ক্ষতিগ্রস্ত তোরণটি দেখে গেছেন। কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এ প্রতিনিধিকে বলেন, এ তোরণটি ইতিহাস ঐতিহ্যের প্রতীক। যে কোন উপায়ে তা সংরক্ষণ করতে হবে। তিনি জেলা প্রশাসক ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে ফেটে যাওয়া তোরণ ভেঙ্গে আবার সংস্কার করে দিতে জরুরী ভিত্তিতে উদ্যোগ গ্রহন করছেন। à¦•à¦®à¦²à¦—ঞ্জ প্রতিনিধি॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •