শ্রীমঙ্গলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস শুনলেন হাজারো শিক্ষার্থী

বিকুল চক্রবর্তী॥ মুক্তিযোদ্ধাদের মুখে শ্রীমঙ্গলের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস শুনলেন হাজারো শিক্ষার্থী। বুধবার দুপুরে শ্রীমঙ্গল লালবাগস্থ মনাইউল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের হল রোমে আয়োজিত মুক্তিযুদ্ধের এ গল্প শোনান একাত্তরের রনাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা বিরাজ সেন তরুণ ও মোহন লাল সোম।
বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আবু তালেব বাদশার সভাপতিত্বে এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সৌমেন্দ্র দাশ, শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বিকুল চক্রবর্তী, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য সেরজান আলী ও বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক শিক্ষিকা এবং বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির অনান্য সদস্যবৃন্দ।
এ সময় বিদ্যালয়ের প্রায় হাজারো শিক্ষার্থী দুই মুক্তিযোদ্ধার কাছ থেকে মুক্তিযুদ্ধের সময় শ্রীমঙ্গলে যে বিভিশিখাময় ঘটনা ঘটেছিল সে ইতিহাস তুলে ধরেন।
মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষনের পর থেকেই শ্রীমঙ্গলের মানুষ স্বাধীনতা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকেন। গঠন করা হয় সংগ্রাম কমিটি। ২৩ মার্চ শ্রীমঙ্গল থানা থেকে পাকিস্তানী পতাকা নামিয়ে টাঙ্গানো হয় বাংলাদেশের পতাকা। মার্চের শেষের দিকে শ্রীমঙ্গল থেকে অনেকেই শেরপুরের যুদ্ধে যান। শেরপুরের যুদ্ধে জয় লাভ করে তারা সিলেটে গিয়ে যুদ্ধে করেন। জেল ভেঙ্গে বের করে আনেন গনপরিষদের সদস্য মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত আজিজুর রহমানকে। এই যুদ্ধে শ্রীমঙ্গলের মুকিত লস্কর ও রিস্কা চালক আনিস মিয়া শহীদ হন।
মুক্তিযোদ্ধা বিরাজসেন তরুণ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ইতিমধ্যে তিনি অনেক সহযোদ্ধাকে হারিয়েছেন। বর্তমানে মুক্তিযোদ্ধারা অস্তাচলের দিকে। যার যার এলাকায় যে সকল মুক্তিযোদ্ধারা জীবিত আছেন তাদের কাছথেকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসগুলো সংরক্ষন করে রাখার জন্য।



মন্তব্য করুন