কুলাউড়ার বৃন্দারানী দীঘি থেকে অবাধে মাছ চুরি হচ্ছে-লিজ নিয়ে হাইকোর্টে রিট

August 22, 2013, এই সংবাদটি ৪৯৮ বার পঠিত

কুলাউড়া উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়নে বৃন্দা রানী দিঘীর লিজ নিয়ে চলছে যত লুকোচুরি। দীঘিটির পূর্বের লিজ গ্রহিতার নাম ব্যবহার করে ঐ এলাকার কিবরিয়া হোসেন নামে এক ব্যাক্তি অবৈধভাবে মাছ আহরণ করে বাজার জাত করছেন। এলাকাবাসীর প্রতিবাদের মুখে কুলাউড়া থানার পুলিশ অবৈধভাবে মাছ আহরনের সময় বিপুল পরিমান জাল ও মাছ ধরার সরঞ্জামাদি গত ১ আগষ্ট আটক করে কুলাউড়া থানায় নিয়ে আসলেও প্রভাবশালীদের চাপের মুখে কোন মামলা না দিয়ে গত ১৫ আগষ্ট থানা থেকে জব্দকৃত জালগুলো ছাড়িয়ে নেয়া হয়। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ দীঘিটি লিজ দিতে দরপত্র আহবান করা হলে শাপলা মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি. গোলাপ মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি ও জীবন মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি এতে অংশ গ্রহন করে। তিনটি সমবায় সমিতির কাগপত্রে ত্রুটি থাকায় লীজ চুড়ান্ত করা হয়নি। দরপত্র বাতিল ও অন্য দরপত্র গ্রহনের বৈধতার প্রশ্ন তুলে শাপলা মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি কর্তৃপক্ষ গত ২৫ জুলাই হাই কোর্টে রিট নং-৭৬৭৪ করেছে। এ নিয়ে উপজেলা জুড়ে তোলপাড় চলছে। শাপলা মৎস্যজীবি সমবায় সমিতির সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম জানান, মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক, কুলাউড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে এ বিষয়ে অভিযোগ করলেও কোন প্রতিকার না পেয়ে তার হাইকোর্টে রিট করেছে। তিনি আরও জানান, গোলাপ মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি ও জীবন মৎস্যজীবি সমবায় সমিতির আড়ালে তাদেরকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন পৃথিমপাশা ইউনিয়ন পরিষদের ১ নং ওয়ার্ডের সদস্য কিবরিয়া হোসেন খোকন। জানা যায়, উপজেলার এ দীঘি ১৪২০ বাংলা থেকে ১৪২২ বাংলা পর্যন্ত বন্দোবস্থ দানের জন্য গত ২৪ এপ্রিল দরপত্র আহবান করেন কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। এ পেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবরে গত ৫ মে শাপলা মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি কর্তৃপক্ষ দরপত্র জমা করেন। গোলাপ মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি ও জীবন মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি দরপত্র গুলো ত্রুটিযুক্ত এবং শাপলা মৎস্যজীবি সমবায় সমিতির দরপত্র ত্রুটিমুক্ত থাকার পরও মৎস্য কর্মকর্তার প্রত্যয়নপত্র না থাকায় এটাও বাতিল করা হয়। এদিকে গত ৩০ মে উপজেলা জলমহাল কমিটির সভায় প্রভাবশালী এক নেতার চাপের মুখে ২০০৯ এর (৫) ও (৪) (খ) এর অনুচ্ছেদ উপেক্ষা করে ত্রুটিযুক্ত জীবন মৎস্যজীবি সমবায় সমিতিকে ইজারা দিতে চাপ দেয়া হয়। অবশেষে ঐ নেতার তোপের মুখে গত ১৮ জুলাই পুনরায় দরপত্র প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কিন্তু এই দরপত্র বাতিল করার জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর এবং অবৈধ মাছ ধরার জন্য গত ১ আগষ্ট কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে শাপলা মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি কর্তৃপক্ষ। এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মাছ না ধরার জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। কিন্তু এ নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে কিবরিয়া হোসেন খোকন জীবন মৎস্যজীবি সমবায় সমিতির লোকজনদের নিয়ে মাছ ধরা অব্যাহত রাখে। খবর পেয়ে কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গত ১ আগষ্ট পুলিশ পাঠিয়ে তাদের মাছ ধরার তিনটি বিশাল জাল ও চার টি মাছ রাখার বাক্স জব্দ করে কুলাউড়া থানায় নিয়ে আসেন। এ ব্যাপারে কিবরিয়া হোসেন খোকন এর মোবাইল নং-০১৭১৩-৮১৭৬৮০ যোগাযোগ করা হলে ফোন বন্ধ থাকায় তার মতামত নেয়া যায়নি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শামসুল ইসলাম জানান, জলমহাল কমিটির আগামী সভায় ২য় বার টেন্ডার আহবানের ব্যাপারে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। জালগুলো থানা থেকে ছেড়ে দেয়ার কারন সম্পর্কে তিনি বলেন, পৃথিমপাশা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশীলদারকে এ ব্যাপারে একটি প্রতিবেদন দেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ঐ প্রতিবেদন আসার পর দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। পৃথিমপাশা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশীলদার নুর হোসেন জানান, আমি ৪/৫ দিন আগে উপজেলা ভূমি কর্মকর্তার কাছে প্রতিবেদনটি জমা দিয়েছি। জালগুলো থানা থেকে ছেড়ে দেয়া প্রসঙ্গে থানার অফিসার ইনচার্জ হাসানুজ্জামান জানান, আমি ১৫ দিন অপেক্ষা করেছি এ ব্যাপারে থানায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় কিংবা উপজেলা ভূমি অফিস থেকে কোন মামলা না দেয়ায় স্থানীয় চেয়ারম্যানের জিম্মায় জাল গুলো দেয়া হয়েছে। এ ব্যাপরে উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা হাসিনা ইসলামের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় তাঁর মতামত নেয়া সম্ভব হয়নি। একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, অবৈধভাবে মাছ আহরনকারীরা জনৈক এক নেতার কাছের মানুষ হওয়ায় জাল আটক করার পরও তার বিরুদ্ধে প্রশাসন কোর ব্যবস্থা নিতে পারছেনা। সরকারদলীয়রা লুট করে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকার বৃক্ষ
কুলাউড়া উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়নে বৃন্দা রানী দিঘীর লিজ নিয়ে চলছে যত লুকোচুরি। দীঘিটির পূর্বের লিজ গ্রহিতার নাম ব্যবহার করে ঐ এলাকার কিবরিয়া হোসেন নামে এক ব্যাক্তি অবৈধভাবে মাছ আহরণ করে বাজার জাত করছেন। এলাকাবাসীর প্রতিবাদের মুখে কুলাউড়া থানার পুলিশ অবৈধভাবে মাছ আহরনের সময় বিপুল পরিমান জাল ও মাছ ধরার সরঞ্জামাদি গত ১ আগষ্ট আটক করে কুলাউড়া থানায় নিয়ে আসলেও প্রভাবশালীদের চাপের মুখে কোন মামলা না দিয়ে গত ১৫ আগষ্ট থানা থেকে জব্দকৃত জালগুলো ছাড়িয়ে নেয়া হয়। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ দীঘিটি লিজ দিতে দরপত্র আহবান করা হলে শাপলা মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি. গোলাপ মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি ও জীবন মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি এতে অংশ গ্রহন করে। তিনটি সমবায় সমিতির কাগপত্রে ত্রুটি থাকায় লীজ চুড়ান্ত করা হয়নি। দরপত্র বাতিল ও অন্য দরপত্র গ্রহনের বৈধতার প্রশ্ন তুলে শাপলা মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি কর্তৃপক্ষ গত ২৫ জুলাই হাই কোর্টে রিট নং-৭৬৭৪ করেছে। এ নিয়ে উপজেলা জুড়ে তোলপাড় চলছে। শাপলা মৎস্যজীবি সমবায় সমিতির সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম জানান, মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক, কুলাউড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে এ বিষয়ে অভিযোগ করলেও কোন প্রতিকার না পেয়ে তার হাইকোর্টে রিট করেছে। তিনি আরও জানান, গোলাপ মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি ও জীবন মৎস্যজীবি সমবায় সমিতির আড়ালে তাদেরকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন পৃথিমপাশা ইউনিয়ন পরিষদের ১ নং ওয়ার্ডের সদস্য কিবরিয়া হোসেন খোকন। জানা যায়, উপজেলার এ দীঘি ১৪২০ বাংলা থেকে ১৪২২ বাংলা পর্যন্ত বন্দোবস্থ দানের জন্য গত ২৪ এপ্রিল দরপত্র আহবান করেন কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। এ পেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবরে গত ৫ মে শাপলা মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি কর্তৃপক্ষ দরপত্র জমা করেন। গোলাপ মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি ও জীবন মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি দরপত্র গুলো ত্রুটিযুক্ত এবং শাপলা মৎস্যজীবি সমবায় সমিতির দরপত্র ত্রুটিমুক্ত থাকার পরও মৎস্য কর্মকর্তার প্রত্যয়নপত্র না থাকায় এটাও বাতিল করা হয়। এদিকে গত ৩০ মে উপজেলা জলমহাল কমিটির সভায় প্রভাবশালী এক নেতার চাপের মুখে ২০০৯ এর (৫) ও (৪) (খ) এর অনুচ্ছেদ উপেক্ষা করে ত্রুটিযুক্ত জীবন মৎস্যজীবি সমবায় সমিতিকে ইজারা দিতে চাপ দেয়া হয়। অবশেষে ঐ নেতার তোপের মুখে গত ১৮ জুলাই পুনরায় দরপত্র প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কিন্তু এই দরপত্র বাতিল করার জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর এবং অবৈধ মাছ ধরার জন্য গত ১ আগষ্ট কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে শাপলা মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি কর্তৃপক্ষ। এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মাছ না ধরার জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। কিন্তু এ নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে কিবরিয়া হোসেন খোকন জীবন মৎস্যজীবি সমবায় সমিতির লোকজনদের নিয়ে মাছ ধরা অব্যাহত রাখে। খবর পেয়ে কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গত ১ আগষ্ট পুলিশ পাঠিয়ে তাদের মাছ ধরার তিনটি বিশাল জাল ও চার টি মাছ রাখার বাক্স জব্দ করে কুলাউড়া থানায় নিয়ে আসেন। এ ব্যাপারে কিবরিয়া হোসেন খোকন এর মোবাইল নং-০১৭১৩-৮১৭৬৮০ যোগাযোগ করা হলে ফোন বন্ধ থাকায় তার মতামত নেয়া যায়নি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শামসুল ইসলাম জানান, জলমহাল কমিটির আগামী সভায় ২য় বার টেন্ডার আহবানের ব্যাপারে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। জালগুলো থানা থেকে ছেড়ে দেয়ার কারন সম্পর্কে তিনি বলেন, পৃথিমপাশা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশীলদারকে এ ব্যাপারে একটি প্রতিবেদন দেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ঐ প্রতিবেদন আসার পর দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। পৃথিমপাশা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশীলদার নুর হোসেন জানান, আমি ৪/৫ দিন আগে উপজেলা ভূমি কর্মকর্তার কাছে প্রতিবেদনটি জমা দিয়েছি। জালগুলো থানা থেকে ছেড়ে দেয়া প্রসঙ্গে থানার অফিসার ইনচার্জ হাসানুজ্জামান জানান, আমি ১৫ দিন অপেক্ষা করেছি এ ব্যাপারে থানায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় কিংবা উপজেলা ভূমি অফিস থেকে কোন মামলা না দেয়ায় স্থানীয় চেয়ারম্যানের জিম্মায় জাল গুলো দেয়া হয়েছে। এ ব্যাপরে উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা হাসিনা ইসলামের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় তাঁর মতামত নেয়া সম্ভব হয়নি। একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, অবৈধভাবে মাছ আহরনকারীরা জনৈক এক নেতার কাছের মানুষ হওয়ায় জাল আটক করার পরও তার বিরুদ্ধে প্রশাসন কোর ব্যবস্থা নিতে পারছেনা। সরকারদলীয়রা লুট করে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকার বৃক্ষ কুলাউড়া অফিস :

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •