একজন বাউল কবি সাদত আলী

November 3, 2013, এই সংবাদটি ২৯১ বার পঠিত

মৌলভীবাজার শহরের উপকণ্ঠে একটি ঐতিহ্যবাহী গ্রাম। সেই গ্রামের নাম শ্যামেরকোণা। মৌলভীবাজার শহরের পূর্ব দিকে এই গ্রামের অবস্থান। শ্যামেরকোণা বাজারকে অনেকে কাছারি বাজার হিসাবে চিনেন। কাছারি বাজার নাম হওয়ার পেছনে একটি ছোট ইতিহাস লোকমুখে শুনা যায়। অত্র অঞ্চলের গণ্যমান্য ব্যক্তিত্ব সাবেক মন্ত্রী দেওয়ান আব্দুল বাছিদ চৌধুরী সাহেব নিজ উদ্যোগে এই গ্রামে একটি (কাছারি ঘর) অফিস স্থাপন করেছিলেন। সে কারণে কাছারি বাজার হিসাবেও পরিচিতি পায়। এই গ্রামে অনেক গুণী মানুষের জন্মগ্রহণ করেছেন। শিক্ষা-সংস্কৃতি ও অন্যান্য বিষয়ে এই গ্রামের মানুষ অনেক দূর এগিয়েছেন। তেমনি এক গুণী মানুষ হলেন সাদত আলী। তার পিতার নাম মৃত মাহমুদ আলী। সহজ-সরল এই মানুষটি তার নিজের গুণে গুণান্বিত। অসাধারণ প্রতিভার অধিকারী এই মরমি কবি অসংখ্য গান রচনা ও সুরারূপ করে চলেছেন। এ যাবত পর্যন্তএই বাউল শিল্পী দুই হাজারেরও অধিক গান রচনা করেছেন। সহজ-সরল সিলেটের আঞ্চলিক ভাষায় রচিত এই লোকগানগুলো তার নিজের কণ্ঠে রেডিও পল্লীকণ্ঠের সুবাধে এখন লোকের মুখে মুখে। লোকমুখে জানা যায়, তার গান শুনার জন্য ছোট-বড় সবাই মোবাইলে ঋগ ৯৯.২ চালু করে বসে থাকেন। সেই সুবাধে রেডিও পল্লীকণ্ঠের শ্রোতার সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। রেডিও পল্লীকণ্ঠের স্টেশন ম্যানেজার মেহেদি হাসান সাহেবের তথ্য মতে প্রতিদিন দুর-দূরান্ত থেকে প্রচুর এসএমএস আসে বাউল শিল্পী সাদত আলী সাহেবের গানের অনুরোধ জানিয়ে। তাছাড়া বর্তমান অপসংস্কৃতির যুগে সাদত আলীর মতো বাউল শিল্পীদের গান আমাদের হারানো সংস্কৃতি ফিরে পেতে ও সমাজ তথা দেশকে অপসংস্কৃতির হাত থেকে রক্ষা পেতে রেডিও পল্লীকণ্ঠের ভূমিকা অবশ্যই সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্যতা রাখে। আমাদের সবারই উচিত মানুষকে তার স্ব স্ব যোগ্যতায় প্রতিষ্ঠা পেতে সহযোগীতায় এগিয়ে আসতে হবে। এতে আমাদের দেশ তাদের কাছ থেকে ভালো কিছু আশা করতে পারে।
লেখক : দেওয়ান মোনাকিব চৌধুরী
মৌলভীবাজার শহরের উপকণ্ঠে একটি ঐতিহ্যবাহী গ্রাম। সেই গ্রামের নাম শ্যামেরকোণা। মৌলভীবাজার শহরের পূর্ব দিকে এই গ্রামের অবস্থান। শ্যামেরকোণা বাজারকে অনেকে কাছারি বাজার হিসাবে চিনেন। কাছারি বাজার নাম হওয়ার পেছনে একটি ছোট ইতিহাস লোকমুখে শুনা যায়। অত্র অঞ্চলের গণ্যমান্য ব্যক্তিত্ব সাবেক মন্ত্রী দেওয়ান আব্দুল বাছিদ চৌধুরী সাহেব নিজ উদ্যোগে এই গ্রামে একটি (কাছারি ঘর) অফিস স্থাপন করেছিলেন। সে কারণে কাছারি বাজার হিসাবেও পরিচিতি পায়। এই গ্রামে অনেক গুণী মানুষের জন্মগ্রহণ করেছেন। শিক্ষা-সংস্কৃতি ও অন্যান্য বিষয়ে এই গ্রামের মানুষ অনেক দূর এগিয়েছেন। তেমনি এক গুণী মানুষ হলেন সাদত আলী। তার পিতার নাম মৃত মাহমুদ আলী। সহজ-সরল এই মানুষটি তার নিজের গুণে গুণান্বিত। অসাধারণ প্রতিভার অধিকারী এই মরমি কবি অসংখ্য গান রচনা ও সুরারূপ করে চলেছেন। এ যাবত পর্যন্তএই বাউল শিল্পী দুই হাজারেরও অধিক গান রচনা করেছেন। সহজ-সরল সিলেটের আঞ্চলিক ভাষায় রচিত এই লোকগানগুলো তার নিজের কণ্ঠে রেডিও পল্লীকণ্ঠের সুবাধে এখন লোকের মুখে মুখে। লোকমুখে জানা যায়, তার গান শুনার জন্য ছোট-বড় সবাই মোবাইলে ঋগ ৯৯.২ চালু করে বসে থাকেন। সেই সুবাধে রেডিও পল্লীকণ্ঠের শ্রোতার সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। রেডিও পল্লীকণ্ঠের স্টেশন ম্যানেজার মেহেদি হাসান সাহেবের তথ্য মতে প্রতিদিন দুর-দূরান্ত থেকে প্রচুর এসএমএস আসে বাউল শিল্পী সাদত আলী সাহেবের গানের অনুরোধ জানিয়ে। তাছাড়া বর্তমান অপসংস্কৃতির যুগে সাদত আলীর মতো বাউল শিল্পীদের গান আমাদের হারানো সংস্কৃতি ফিরে পেতে ও সমাজ তথা দেশকে অপসংস্কৃতির হাত থেকে রক্ষা পেতে রেডিও পল্লীকণ্ঠের ভূমিকা অবশ্যই সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্যতা রাখে। আমাদের সবারই উচিত মানুষকে তার স্ব স্ব যোগ্যতায় প্রতিষ্ঠা পেতে সহযোগীতায় এগিয়ে আসতে হবে। এতে আমাদের দেশ তাদের কাছ থেকে ভালো কিছু আশা করতে পারে।
লেখক : দেওয়ান মোনাকিব চৌধুরী 

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •