আপনারা ধানের শীষে ভোট দিন আমি উন্নয়ন দিব-নাসের রহমান
স্টাফ রিপোর্টার : বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও মৌলভীবাজার-৩ (সদর-রাজনগর) আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী এম নাসের রহমান ভোটের দিন রোজা রাখার পরামর্শ দিয়ে বলেছেন-রোজা রাখার কারণটা হলো দুপুর বেলা ভাত খেতে বাসা বাড়িতে কেউ যেতে হবে না।
১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার ওই দিন নফল রোজা রাসুলুল্লাহ রাখতেন। আমরা রাখলে সওয়াবও পাবো। রোজা রেখেই নামাজ শেষে সেন্টারে চলে আসতে হবে। ভোটারদের সেন্টারে ডেকে আনার কাজ পুরোদমে শুরু করতে হবে। আর ভোট পাঁচটায় শেষ হলে এর পর থেকে গননা শুরু হবে। এসময় ইফতারির টাইম চলে আসবে তখন বাসা বাড়ি থেকে আসা জাও আর খেজুর খেয়ে ইফতারি করে মাঠের মধ্যে চাদর বিছিয়ে জামাতে নামাজ আদায় করে নেবেন। কারণ এসময়ে এদিক সেদিক চলে গেলে কিছু একটা হয়ে যাবে। ভোটের সেন্টার ছাড়া যাবে না। সেন্টার ছাড়লেই চুরি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। ওই চোছা পার্টির। সাবধানের মার নাই। ভোটের দিন চাদর জায়নামাজ সাথে নিয়ে আসবেন। যে কোন একজনে ইমামতি করে জামাতে নামাজ আদায় করে নেবেন। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যেকোনো ভাবেই ভোটারদের সেন্টারমূখী করতে হবে। ভোটের কাস্টিং বাড়াতে হবে।
প্রতিদ্বন্ধী দল শক্ত না দুর্বল দেখার দরকার নেই। এই বারের নির্বাচনে প্রধান প্রতিপাদ্য হল ১৮ বছর পরে যে নির্বাচনে ভোট দেবার অধিকার ফিরে পেয়েছেন এটা ভালো ভাবে প্রয়োগ করবেন। কোনো অবস্থায় যে ন এটা মনে না আসে বিএনপি তো পাশ হয়ে গেছে। আপনারা যদি সেন্টারে গিয়ে ভোট না দেন তাহলে কি বিএনপি পাশ হবে? এধরনের চিন্তা মাথা থেকে বাদ দিতে হবে। ১২ তারিখ যাতে কারও কোনো কাজের অজুহাত না থাকে।
নাসের রহমান বলেন- আপনারা যদি মনে প্রাণে বিএনপি কে ধানের ছড়া কে ভালোবাসেন তাহলে ভোট সেন্টারে উপস্থিত হবেন। আর সকলে মিলেমিশে ভোট গণনা শেষ বাসা বাড়িতে যাবেন। যে-কোনও ভাবে ভোটারদের বাসা বাড়ি থেকে সেন্টারে নিয়ে আসতে হবে। প্রত্যেক সেন্টারে প্রথম ভোট ধানের শীষের হতে হবে।
এবং কোনো ভাবেই ভোট সেন্টারে গন্ডগোল সৃষ্টি হতে দিবেন না। কারণ প্রতিপক্ষ দলের কোনো আহমরি ভোট নেই। সব ভোট ধানের শীষের। তাই সকলে সাবধান থাকতে হবে।
৩০ জানুয়ারি শুক্রবার বিকেল পাঁচটারদিকে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ৮ নং কনকপুর ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজিত নির্বাচনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
নাসের রহমান বলেন-আওয়ামী লীগ তো মারা গেছে। নৌকাও ডুবি গেছে কিন্তু তার আম পাবলিক ভোটারা তো আছে। তাদের বলবেন এ-ই মার্কা তো আর আসবে না। নৌকা মার্কা ইতিহাস হয়ে গেছে। এই দলও ইতিহাস হয়ে গেছে। এই দল আর ফেরত আসবে না। অতএব তাদেরকে আমাদের ঘরে নিয়ে আসেন। আমাদের যদি তারা ধানের শীষে ভোট দিয়ে মূল্যায়ন করে আমরাও তাদেরকে দেখবো ইনশাআল্লাহ। আমরা মনে করি বুদ্ধিমান যারা তারা আমাদের ধান ছড়ায় ভোট দিবেন।
নাসের রহমান স্থানীয় সমস্যা নিয়ে বলেন- এলাকার প্রধান তম সমস্যা হল রাস্তা। এই ১৮ টা বছর এই এলাকায় কোনো উন্নয়ন কাজ হয়নি কারণ সাইফুর রহমান সাহেবের এলাকা। সেজন্য তারা কাজ করেনি। তিনি বলেন- এ এলাকায় বিপুল ভোটে ধানের শীষকে বিজয়ী করলে আমার প্রধান কাজ হবে এই বেহাল রাস্তা গুলো কাজ করা। সংস্কার কার্পেটিং করা হবে। এছাড়া কৃষক কার্ড,মহিলাদের জন্য ফ্যামেলী কার্ড,ইমাম মুয়াজ্জিনদের বেতন দুই ঈদে বোনাস দেয়া হবে।
স্থানীয় দামিয়া বাজারে কনকপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক শিব্বির আহমদের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মো: আয়াছ আহমেদ, জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য মো. ফখরুল ইসলাম, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মুজিবুর রহমান মজনু, সাধারণ সম্পাদক মো: মারুফ আহমেদ, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম রসিক সহ জেলা, উপজেলা যুবদল ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।



মন্তব্য করুন