রাজনগরে হাছান চৌধুরী নামের যুবক কর্তৃক সাংবাদিকের দেড় লাখ টাকা আত্বসাৎ ঃ আদালতে মামলা

স্টাফ রিপোর্টার : রাজনগর উপজেলায় হাছান উদ্দিন চৌধুরী নামের যুবক এক সাংবাদিকের দেড় লাখ টাকা আত্বসাৎ করেছেন। ওই ঘটনায় সালিশি বৈঠকসহ স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন উদ্ধারের প্রক্রিয়া চালিয়ে ব্যর্থ হলে ওই সাংবাদিক আদালতে চেক ডিজঅনার মামলা দায়ের করেছেন। বর্তমানে মামলা নং ৮০২/২৫ (দায়রা) জেলা দায়রা জজের ১নং আদালতে রয়েছে। আগামী ১৬ জুন স্বাক্ষীর তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।
স্থানীয় সূত্র ও সাংবাদিক মাধ্যমে জানা যায়, পূর্ব পরিচিত থাকার সুবাদে মৌলভীবাজার শহরের সাংবাদিক মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ’র কাছ থেকে বছর খানেক পূর্বে হাছান চৌধুরী ওরফে সায়মন ২ লক্ষাধিক টাকা নেন। পরবর্তীতে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫শ টাকার একটি চেক হাতে তুলে দেন। টাকা তুলতে ইউনিয়ন ব্যাংকে গেলে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় উঠাতে পারেননি তিনি। পরে লাগাতার বছর খানেক হয়রানির পর হাছান চৌধুরীকে চৌমুহনায় পেলে সাংবাদিকের আত্বীয়রা টাকার জন্য দাড় করিয়ে রাখেন। পরবর্তীতে স্থানীয় সালিশি ব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদ ও আব্দুর রহমান এগিয়ে এলে হাছান চৌধুরীর চাচা কাজী জালাল উদ্দিন মুঠোফোনে কথা বলেন। তিনি টাকা উদ্ধার করে দেবেন মর্মে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এর পর থেকে তার কাছ থেকে কোন টাকা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
হাছান চৌধরী’র চাচা কাজী জালাল রাজনগর নির্বাচন অফিসের সম্মুখে কাজী কম্পিউটার নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলেছেন। এটি নামে কম্পিউটারের দোকান হলেও পিছনে চলে দালালী ব্যবসা। হাছান জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরিসহ নানা কাজের দালালী করেন। বহু মানুষের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে দালালী করে টাকা আত্বসাতের।
মৌলভীবাজার শহরের স্থানীয় সালিশি ব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদ ও আব্দুর রহমান বলেন, হাছানকে টাকার জন্য চৌমুহনা এলাকায় সাংবাদিকের আত্বীয়রা আটকে রেখেছিল। আমরা তার চাচা কাজী জালালের অনুরাধে তাকে ছেড়ে দেই। কিন্তু কাজী উনার টাকা উদ্ধার করে দেননি। পরে উনি আদালতে মামলা করেছেন। আমাদের তো মনে হচ্ছে চাচা ভাতিজা মিলে এসব ধান্দা করেন। এদিকে টাকা পাওনার বিষয়ে জানতে চাইলে হাছান চৌধুরী এ প্রতিবেদককে মুঠোফোনে বলেন, আমি তো উনাকে টাকা দিয়ে ফেলেছি। তবে উনার কাছে আমার একটি চেক রয়েছে। উনি আদালতে মামলাও করেছেন।
বিষয়টি জানতে চাইলে চাচা কাজী জালাল টাকা পাওনার কথা স্বীকার করে বলেন, যারা সমযোতায় কথা বলেছেন তাদের সাথে যোগাযোগ করেন।



মন্তব্য করুন