সচেতন না থাকায় অগ্নিঝুঁকিতে শহরের বহুতল ভবন : বহুতল ভবন গুলোতে অগ্নি নির্বাপণের ব্যাবস্থা নেই

স্টাফ রিপোর্টার॥ মৌলভীবাজার শহরের অধিকাংশ বহুতল ভবন রয়েছে অগ্নিঝুঁকিতে। ভবনগুলোতে অগ্নি নির্বাপণের জন্য পর্যাপ্ত অগ্নি নির্বাপণের ব্যাবস্থা না থাকায় যে কোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। এমন আশংকায় দিনকাল কাটছে পৌর নাগরিকবৃন্দের। কিন্তু তারপরেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তেমন কোনো নজরদারী নেই। অথচ সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে অগ্নি নির্বাপণের ছাড়পত্র নেয়া বাধ্যতামূলক ছিল।
সরেজমিনে মৌলভীবাজার পৌর শহরের কয়েকটি ভবন ঘুরে দেখা যায়, ভবনগুলোতে অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র নেই। নেই অগ্নি সুরক্ষার জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি। অধিকাংশ ভবনই নিয়ম না মেনে ও ফায়ার সার্ভিসের কোন ছাড়াপত্র ছাড়াই নির্মাণ করা হয়েছে। এই ভবনগুলোর মালিকরাও এই নিয়ম মানতে অনেকটা উধাসিন।
মৌলভীবাজার ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, পুরাতন হাসপাতাল রোডের ১০তলা, সাইফুর রহমান রোডের চৌমুহনা এলাকায় বেইজমেন্টসহ ১০ তলা বিশিষ্ট, পশ্চিম বাজার এলাকায় ৩টি, শাহ মোস্তফা রোডে বেইজমেন্টসহ (৭তলা) ভবনের অগ্নি ছাড়াপত্র নেই।
এছাড়াও ছোট ছোট ৪, ৫,৬ ও ৭ তলা বিশিষ্ট পৌর শহরের প্রায় অর্ধশতাধিক ভবনে ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্র নেই। অপরদিকে জেলার বড়লেখা, জুড়ী, কুলাউড়া, রাজনগর, কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গলেও বহুতল ভবনে একই অবস্থা।
পৌর নাগরিকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র ছাড়া বিল্ডিং হবে এটা ভাবতেই পারিনি। কিন্তুসংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উধাসিনতায় এমনটা হচ্ছে। পৌর নাগরিকবৃন্দের নিরাপত্তার জন্য এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া অতীব জর”রি।
এ বিষয়ে মৌলভীবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিদর্শক রবিউল্লাহ বলেন, বিল্ডিংয়ের মালিকদের ছাড়পত্র নেয়ার জন্য নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে। তারপরেও যারা ছাড়পত্র নেয়নি ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে অভিযান চালিয়ে খুব শীঘ্রই বিল্ডিং সীলগালা করা হবে।
মৌলভীবাজার পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী সৈয়দ নকিবুর রহমান বলেন, “বিল্ডিং মালিকদের পৌরসভা থেকে ছাড়পত্র নেয়ার কথা। তার পরেও যারা নেয়নি তাদের বিরুদ্ধে শীঘ্রই ব্যবস্থা নেয়া হবে। কতটি বিল্ডিং ছাড়পত্র নেয়নি? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি সঠিক পরিসংখ্যান বলতে পারেননি।



মন্তব্য করুন