আত্মহত্যা থামাও সংগঠন এর উদ্যোগে আলোচনা সভা

স্টাফ রিপোর্টার॥ মৌলভীবাজারে আত্মহত্যা থামাও সংগঠন এর উদ্যোগে শহরের দিল্লি রেস্টুরেন্টে আত্মহত্যা রোধে আমাদের করণীয় শীর্ষক এক উন্মুক্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
১৪ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকেলে সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক, কলামিস্ট ও শ্রীমঙ্গল আইডিয়াল স্কুলের প্রিন্সিপাল এহসান বিন মুজাহির। তিনি বক্তব্যে বলেন-কোন উদ্দেশ্য ছাড়া কেউ আত্মহত্যা করেছে এমন নজির পৃথিবীতে পাওয়া দুষ্কর। বিগত কয়েক বছর ধরে মাত্রাতিরিক্ত ও অনিয়ন্ত্রিতভাবে আত্মহত্যার হার বাড়ছে। আত্মহত্যা প্রতিরোধে ধর্মীয় শিক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে। প্রকৃত ধর্মীয় শিক্ষা মানুষকে জীবনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বুঝাতে সক্ষম আর কেউ তাঁর জীবনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে সচেতন ও শিক্ষিত হলে সে কোনভাবেই আত্মহত্যার পথে অগ্রসর হতে পারে না। আত্মহত্যা রোধে প্রয়োাজন সচেতনতা এবং কাউন্সেলিং। বিশেষ করে পারিবারিক, সামাজিক, ধর্মীয় সম্মিলিত প্রয়াসের বিকল্প নেই।
সংগঠনের আহবায়ক আবু হানিফার সভাপতিত্বে ও কবি লেখক হাসান মাহমুদ এর সঞ্চালনায় সভায় প্রথমে কুরআন তিলাওয়াত করেন হোসািন আহমদ।
উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন সংগঠনের সদস্য ফাহিম বিন মাশুক, ইমরান আহমদ, এফ এম সুমন, মাহমুদ মান্না, আবু বকর, জুনাইদ আহমদ, আব্দুল আজিজ সিদ্দিক, ফয়েজ আহমদসহ পয়ত্রিশ জন সদস্য।
উন্মুক্ত আলোচনায় বক্তারা বলেন-দেশে অনিয়ন্ত্রিতভাবে আত্মহত্যার হার বাড়ছে, বাড়ছে প্রবণতা কিন্তু সমাধান কোথায়? সমাধানের পথ খুজতে গেলে সবার আগে ভাবতে হবে আত্মহত্যার ঠিক আগ মূহুর্তে সেই মানুষটির মানসিক ও সামাজিক অবস্থান কেমন ছিল! শুধু সচেতনতামূলক সভা, সেমিনার বা ক্যাম্পেইন অনেকাংশে রূপকথার গল্পের মতোই যা শুনতে বা দেখতেই ভাল লাগে কিন্তু তা মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তনে তেমন কাজে আসে না। আইন বা বিধিনিষেধ দিয়ে কোনভাবেই আত্মহত্যা বন্ধ বা কমানো সম্ভব নয় বরং সামাজিক ও পারিবারিক কাঠামো, জীবনের উদ্দেশ্য ও আচারনে পরিবর্তন পারে আত্মহত্যার প্রবণতাকে কমাতে।



মন্তব্য করুন