(ভিডিওসহ) শ্রীমঙ্গলে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ৩ দিনব্যাপী বৈশাখী উৎসব

বিকুল চক্রবর্তী॥ শ্রীমঙ্গলে ডিজিটাল পদ্ধতিতে তিন দিন ব্যাপী বৈশাখী উৎসবের উদ্বোধন করা হয়েছে। ১৪ এপ্রিল মঙ্গলবার সকাল ১০টায় নিজ অবস্থানে থেকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তিন দিন ব্যাপি বিভিন্ন কর্মসূচীর উদ্বোাধন করেন মৌলভীবাজার- ৪ আসনের এমপি উপাধ্যক্ষ ড. মো: আব্দুস শহীদ। এ সময় নিজ বাসার আঙ্গিনা থেকে একই ভাবে বক্তব্য উপস্থাপন করেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: নজরুল ইসলাম। উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব বিকুল চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় আরো বক্তব্যদেন উদযাপন পরিষদের আহবায়ক জহর তরফদার, সংগীত প্রশিক্ষক সজল ঘোষ, গণমাধ্যমকর্মী কে এস এম আরিফুর রহমান ও সাংস্কৃতিক কর্মী মলয় দত্ত।
সংগীত প্রশিক্ষক সজল ঘোষের বাসায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নিরাপদ দুরত্ব বজায় রেখে বৈশাখী আবাহনের সংগীত পরিবেশন করে শ্রীমঙ্গল সাংস্কৃতিক একাডেমীর শিল্পিরা।
উদ্যাপন পরিষদের আহবায়ক জহর তরফদার জানান, আগামী তিনদিন শ্রীমঙ্গলের প্রত্যেকটি সংগঠন তাদের ঘরে বসে ফেইসবুক লাইভ ও গ্রুফ মেসেঞ্জারের মাধ্যমে তাদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা করবে। একই ভাবে নৃত্য, আবৃতি, সংগীত, চিত্রাঙ্কন ও যেমন খুশি সাজ তাদের ঘরে বসে সেজে ফেইস বুকে ও ম্যাসেঞ্জারে ডিসপ্লে করবে এবং বিচারক কমিটি তা দেখে বিজয়ী নিধারণ করবেন। পরে করোনা উত্তর সময়ে তাদের ক্রেষ্ট ও সার্টিফিকেট দেয়া হবে। আগামী ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত উৎসবের অনুষ্ঠানাদি চলেবে। যা দেখা যাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে।
আয়োজকরা জানান, করোনা কারনে এই মুহুর্তে সবাই ঘর বন্দি। তাই ঘর বন্দি মানুষকে কিছুটা বিনোদন দিতে এ আয়োজন। অনুষ্ঠানের ২য় পর্বে মৌলভীবাজার সড়কের আবৃতিকার দেবাশীষ চৌধুরী রাজার বাসায় আয়োজন করেন আবৃতির ও সংগীতানুষ্ঠান এবং সবুজবাগ আবাসিক এলাকায় নৃত্যশিল্পী সাজু দেব এর বাসায় ও শ্যামল আচার্য্যের বাসায় আয়োজন হয় সংগীতানুষ্ঠানের।
এ ব্যাপারে ফেইসবুক লাইভের দর্শক সহকারী অধাপক অবিনাশ আচার্য্য বলেন প্রায় একমাস ধরে তারা ঘর বন্দি। এই সময়ে শ্রীমঙ্গলে উৎসব পরিবেশ বিরাজ করার কথা। কিন্তু মরণঘাতি করোনার কারেন সব কিছুই বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় যার যার অবস্থানে থেকে যে বৈশাখীর এ ব্যাতিক্রমী আয়োজন কিছুটা হলেও তার মনের করোনার কারনে আসা বিষন্নতা দুর হয়েছে। একই কথা জানালেন, অপর ডিজিটাল দর্শক সুব্রত চক্রবর্তী। তিনি জানান, সুদুর কাতারে বসে তিনি এই লাইব অনুষ্টান দেখেছেন। ডিজিটাল পদ্ধতিতে হওয়ায় তিনি তা দেখার সুযোগ পেয়েছেন। তিনি জানান, ছোট একটি ঘরে করোনার ভয়ে বন্দি হয়ে আছেন। এই অনুষ্ঠান দেখে তার মনের ক্লান্তি কিছুটা দুর হয়েছে।



মন্তব্য করুন