করোনার প্রভাবে দুধ ও ডিমের চাহিদা কমে যাওয়ায় বিপাকে খামারিরা

স্টাফ রিপোর্টার॥ করোনা ভাইরাসের কারনে বন্ধ রয়েছে মৌলভীবাজারের খাবার হোটেল, মিষ্টির দোকান ও বেকারী গুলো। যে কারনে চাহিদা কমে গেছে মুরগীর ডিম ও গরুর দুধের। কিন্তু উৎপাদন অভ্যাহত রয়েছে। মৌলভীবাজার জেলায় মাসে ১ কোটি ৫৮ লক্ষ পিস ডিম ও ৭ হাজার ৩ শত মেট্রিকটন দুধ উৎপাদন হয়। যার অর্ধেকই বিক্রি হচ্ছেনা। নেমে গেছে ডিম ও দুধের দামও। এর ফলে জেলার ছোটবড় ৪২০টি দুগ্ধ খামারী ও ৬০৫টি মুরগীর খামারীরা পড়েছেন বিপাকে। ব্যাংক ঋণ নিয়েও পড়েছেন বিপাকে।
প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা বলছেন বিষয়টি তাদের নজরে আছে, করোনার প্রভাব কেটে গেলে হয়তো খামারীদের জন্য কিছু করতে পারবো।
নুর মোহাম্মদ একজন পোল্ট্রি ও দুগ্ধ খামারী। লেখা পড়া শেষে চাকুরীর খোঁজে না গিয়ে শুরু করেন মুরগী ও দুগ্ধ ফার্ম দিয়ে মাংস, ডিম ও দুধের ব্যবসা। ছোট পরিসর থেকে তিল তিল করে গড়ে তুলেছেন তার প্রতিষ্ঠানটি। তার মুরগীর লেয়ার থেকে প্রতিদিন ডিম আসে ৩ হাজার পিস। আর দুধ পান ৩শ থেকে ৪শ লিটার। যা দিয়ে ১০জন শ্রমিকসহ নিজের পরিবারের খরচ বহন করেন।
এদিকে অনেক খামারী চাহিদা না থাকায় উৎপাদিত দুধের বেশির ভাগই খাওয়াচ্ছেন গাভীর বাচ্চাকে। আর ৮ টাকা পিসের ডিম বিক্রি করছেন ৪ থেকে সাড়ে ৪ টাকা। বেড়েছে পশু খাদ্যের মুল্যও। এতে মারাত্মক লোকসান গুনতে হচ্ছে খামারিদের।
বেলায়েত পোল্ট্রি ফার্ম এন্ড লেয়ায়ের পরিচালক বলায়েত হোসেন বলেন,এ অবস্থা শুধু নুর মোহাম্মদেরই নয় এটি জেলার ছোটবড় ৪২০টি দুগ্ধ খামারী ও ৬০৫টি মুরগীর খামারীর।
আর জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা জানালেন বিষয়টি সরকারের নজরে আছে করোনার প্রভাব কাটিয়ে উঠার পর তাদের ক্ষতিপূরণের বিষটি উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানাবেন।
এই সময়ে তাদের উৎপাদিত দুধ, ডিম ও মাংস সরবরাহের ব্যবস্থাসহ করোনা উত্তর ক্ষতিপুরণের দাবী ক্ষতিগস্থ ব্যবসায়ীদের।



মন্তব্য করুন