কুলাউড়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে কিশোরের মৃত্যু ও নিখোঁজ বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার

এইচ ডি রুবেল॥ কুলাউড়া উপজেলার বরমচাল ও ভাটেরা রেলস্টেশনের মধ্যবর্তী স্থানে ২০ আগস্ট শনিবার দুপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে এক কিশোর (১৫) মারা গেছে। কিশোরের কোনো পরিচয় পাওয়া যায়নি। এছাড়া নিখোঁজের এক দিন পর ২০আগষ্ট শনিবার দুপুরে গনু মিয়া (৬০) নামের এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত ব্যক্তির বাড়ি উপজেলার ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়নের উত্তর হিঙ্গাজিয়া গ্রামে। দুটি ঘটনায় কুলাউড়া রেলওয়ে ও কুলাউড়া থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
রেলওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশে ছেড়ে আসা সুরমা মেইল ট্রেনটি বেলা দেড়টার দিকে বরমচাল ও ভাটেরা স্টেশনের মধ্যবর্তী ৩৪২ নম্বর খুঁটি এলাকায় পৌঁছালে ওই কিশোর দুর্ঘটনার শিকার হয়। খবর পেয়ে রেলওয়ে পুলিশের একটি দল বেলা সাড়ে তিনটার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত কিশোরের লাশ উদ্ধার করে।
কুলাউড়া রেলওয়ে থানার ওসি রবিউল আজম বলেন, চলন্ত ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে কিশোরের মৃত্যু হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে দুর্ঘটনাস্থলের আশপাশের এলাকায় খোঁজ করে তার পরিচয় পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের জন্য তার লাশ মৌলভীবাজারের ২৫০ শয্যার হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে কুলাউড়া থানার পুলিশ ও পরিবার সূত্র জানায়, গনু মিয়া শুক্রবার দুপুরের দিকে পার্শ্ববর্তী ব্রাহ্মণবাজারে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে রওনা দেন। পরে আর ফেরেননি। শনিবার সকালে ব্রাহ্মণবাজার সেতুর নিচে খালে একটি লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয় লোকজন। খবর পেয়ে স্বজনেরা সেখানে গিয়ে লাশটি গনু মিয়ার বলে শনাক্ত করেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
কুলাউড়া থানার উপপরিদর্শক কানাই লাল চক্রবর্তী বলেন, সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির সময় নিহত গনু মিয়ার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। সেতুর ওপর থেকে খালে পড়ে গিয়ে পানিতে ডুবে তাঁর মৃত্যু হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। নিহত ব্যক্তির পরিবারের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের জন্য তাঁর লাশ মৌলভীবাজারের ২৫০ শয্যার হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।



মন্তব্য করুন