ভাষা, সংস্কৃতি ছাড়াও দুদেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্কও রয়েছে ত্রিপুরা রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী

সাইফুল ইসলাম (আগরতলা থেকে ফিরে)॥ ত্রিপুরা রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী প্রাণজিৎ সিংহ বলেন, ভাষা, সংস্কৃতি ছাড়াও দুদেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্কও রয়েছে।
১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের সময়ে এই রাজ্যের অগণিত মানুষ সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। এজন্য বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন সময়ে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেছে। এরমধ্যে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত বিলোনিয়ার চৌত্তাখলার মৈত্রী উদ্যান ভারত বাংলা দু-দেশের সৌভ্রাতৃত্বের প্রতীক। বাংলাদেশের মানুষ ত্রিপুরা সফরে এলে সেটা একবার ঘুরে দেখে আসেন।
পর্যটন মন্ত্রী আরও বলেন, আগামীতে ফেনী নদীর উপর গড়ে উঠা সেতু চালু হলে দুদেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পাবে। আগে থেকেই আগরতলা ঢাকা বাস সার্ভিস চালু রয়েছে। এরমধ্যে বাংলাদেশ সরকার অনুরোধ জানিয়েছে চিটাগাং (চট্টগ্রাম) থেকে কুমিল্লা হয়ে আগরতলা পর্যন্ত নতুন বাস সার্ভিস চালু করার। এই ইস্যুতে রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী জানান, এই বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে প্রয়োজনীয় কথা বলে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
আগামীতে ঢাকা চট্রগ্রামের সাথে আকাশপথে যুক্ত হবে ত্রিপুরা রাজ্য। এছাড়া নিশ্চিন্তপুর হয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে রেল যোগাযোগ সম্প্রসারণ হচ্ছে। এর পাশাপাশি জলপথে দাউদকান্দি থেকে সোনামুড়া হয়ে উদয়পুরের মহারাণী পর্যন্ত নৌ পরিষেবা যুক্ত হবে।
(১৮ এপ্রিল) সোমবার রাতে আগরতলা গীতাঞ্জলি ট্যুরিজম গেস্ট হাউজে ত্রিপুরা রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী প্রাণজিৎ সিংহ রায় এক প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য তুলে ধরেন মন্ত্রী।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের সহকারী হাই কমিশনার আগরতলার মি. আরিফ মোহম্মদ, আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার, ফাস্ট সেক্রেটারী মি.রেজাউল হক চৌধুরী, শ্রীমঙ্গল উপজেলা চেয়ারম্যান ভানু লাল রায়, আগরতলা জারা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মশাহিদ আলী।
পর্যটন মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের পর্যটকদের দীর্ঘদিনের চাহিদা অনুযায়ী ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লাতে ভিসা অফিস খোলা হয়েছে। এতে রাজ্যে বাংলাদেশের পর্যটকের আগমন বৃদ্ধি পাবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন।



মন্তব্য করুন