ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের আমন্ত্রণে বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড: খলিলুর রহমানের দিল্লি সফর নিয়ে কেনো এতো কথা

November 17, 2025,

সাদেক আহমেদ : যে ভারতের বিজেপি সরকার মুদী অজিত দোভালের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বাংলাদেশকে তাদের অবনত শেখ হাসিনাকে দিল্লির সুতার টানে পুতুলের মত নাচিয়ে আমাদের স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ত্ব করেছিল গ্রাস। পিলখানার নির্মম হত্যাকাণ্ড দিয়ে ৫৭ জন সেনাবাহিনীর বীরদের হত্যা করে বাকিদের কার্যত তাদের অনুগত বানিয়ে নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জঙ্গি নাটকের উপাখ্যান করে খুন গুম শান্তি প্রিয় জাতির কেড়ে নেয় ঘুম। নিরীহ মানুষদের হত্যায় সারা দেশে আতঙ্ক  ইমান আকিদার কথিত আওয়ামী উলামালীগ দিয়ে কওমি জননী উপাধিতে তারা ছাড়েনি আর  মুর্তির পিছনে ৪ হাজার কোটি টাকা অযথা খরচ করে কখন অথচ অলি আওলিয়াদের দেশে তাদের দোয়ায় আল্লাহর আরশ কেঁপে উঠে তখন। তাই মনে হইত আল্লাহ ছাড় দেন তবু ছেড়ে দেবেন না । তাই জুলাই ছাত্রদের আন্দোলনে শহীদদের আত্মত্যাগে জাতি ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট নতুন করে বলয় থেকে রাহুর গ্রাস থেকে মুক্ত হয়। অথচ জাতির যখন আসা করেছিল ৫ই আগস্ট ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনাকে ধরে বিচার করার যারা দায়িত্বে ছিল সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী ভিআইপিভাবে করেছিল দিল্লিতে পাচার। এ কোন রাষ্ট্রাচার ভারত বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক ভাবে বন্ধু বিহীন করে এক ঘরে করে আবদ্ধ করতে চেয়েছিল। শুধু মাত্র হায়দ্রাবাদ সিকিম রাজ্য ষোষনা করার ছিল বাকী। তারা পুলিশ লীগ, আমলা, ডিফেন্স গণতন্ত্র সব ঢাকা পড়েছিল দিল্লির রাহুর কবলে ভারতীয় সহায়তায় তারা বাংলাদেশকে ১৫টা বছর কি করে চালায়। ৫ই আগস্ট ২০২৪ বাংলাদেশ নতুন করে স্বাধীনতা লাভ করে ভারতীয় তন্ত্র মন্ত্রের যাতাকল থেকে বের হয়। মহান আল্লাহ আমাদের সহায় ছিলেন বলে। বিজয় লাভের পর ড. ইউনুসের নতুন অন্তবর্তী সরকার নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান আন্তর্জাতিক সুখ্যাতি মেধায় জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক এজেন্সীও এখানে কর্মরত ডিফেন্স এটাসিগুলোর সহায়তায় দিল্লির চোখ উপেক্ষা করে বিশ্বের বিভিন্ন বন্ধু প্রতিম দেশ পাকিস্থান, চীন, তুরস্ক, রাশিয়া, গ্রেট ব্রিটেন, পাকিস্তান, জাপান, আমেরিকা, পূর্ব পশ্চিম উত্তর দক্ষিণে অস্ট্রেলিয়া ভারসাম্য মুলক পররাষ্ট নীতির আলোকে ডিফেন্সকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে সে সাথে এখানে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনা ও ফ্যাসিস্টের বিচার প্রক্রিয়াধীন আছে। অথচ ভারত ১৫ বছরের দীর্ঘ সময় বাংলাদেশ তার হাত থেকে ছুটে যাওয়ায় দিল্লি ও বিজেপি সরকারের নিরাপত্তা উপদেষ্ট অজিত দোভাল আমাদের সিমান্তবর্তী অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনা তৈরী করে ক্যাম্প স্থাপন করে বাংলাদেশকে চাপে ফেলছে। বাংলাদেশ কিন্তু দিল্লির চাপের কাছে নত স্বীকার করছে না। কারণ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের চোখ এখন বাংলাদেশের দিকে সু দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে এবং পাচারকৃত লাখ লাখ কোটি ডলার হরিলোটের টাকা ফেরত আনার চেষ্টা করছে। আর দিল্লি তখন তাদের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানকে দিল্লি সফরে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে। যদিও পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বাংলাদেশ থেকে পর্যটক কলিকাতায় না যাওয়ায় দিল্লির একপেশে নীতিকে দায়ি করছেন এবং ধীরে ধীরে দুই বাংলার মিলনের দিকে তাকিয়ে আছেন বলে  আমার মনে হয়। এই এদিকে অভিজ্ঞ মহল মনে করছে ডঃ খলিলুর রহমান যদি দিল্লি সফরে যান তাহলে তার পিছনে এজেন্সিগুলো ফেও লাগিয়ে দিতে পারে যাতে তিনি ভারতের প্রভাব মুক্ত হয়ে ফিরে আসতে পারের। কোনরূপ জাদু টোনা যাতে ড. খলিলুর রহমানের উপর প্রভাব না পড়ে তাই তাকে দোয়া কালাম পরিয়ে পাঠানো উচিত। কারণ গত ১৫ বছরের অভিজ্ঞতার মঈনইউ আহমদ দিয়ে শুরু খুব শুভকর নয়।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”

মন্তব্য করুন

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com