শ্রীমঙ্গলে প্রচন্ড গরমে অস্তির হয়ে পড়েছে মানুষের জনজীবন

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি॥ শ্রীমঙ্গলে প্রচন্ড গরমে অস্তির হয়ে পড়েছে মানুষের জনজীবন। সেই সাথে প্রত্যান্ত অঞ্চলের মানুষ যেন জীবন যাএা ও স্বাভাবিক জন-জীবন অস্তির হয়ে পড়েছে। একটু স্বস্তির আশায় চারপাশে ছুটছে মানুষ। দিনের বেলা প্রচন্ড রোদ্র তাপ আর লোড শেডিংয়ে মানুষের জীবন যাএা নার্ভিশ্বাস হয়ে পড়েছে। শুধুই শরীর থেকে ঘামই নয়, অসুস্থ হয়ে শিশু-কিশোর আর বয়স্ক মানুষ। পানির তৃষ্ণা যেন কিছুতেই মিটছে না।
উপজেলার বিভিন্ন স্থানে দুপুরের রোদ্র-তৃপ্ত বাতাসে যেন আগুনের শিখা গ্রাস করছে সমস্ত শরীরে। এর সঙ্গে পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে লোড শেডিং।
শ্রীমঙ্গলে এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে প্রচন্ড গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে মানুষের জীবন -জীবিকা। কোথাও একটু স্বস্তির নি:শ্বাস ফেলতে পারছেনা সাধারন খেটে খাওয়া মানুষ। এ যেন প্রচন্ড রোদ্র-তাপ আর গরমের সাথে যুদ্ধ মানুষের বেচে থাকা।
বিশেষ করে, রিক্সা ভ্যান ও খেটে খাওয়া শ্রমিকরা ঠিকমত কাজ করতে না পারায়, মানবেতর জীবন যাপন করছে। গ্রীস্মের তাপদাহ শুরু থেকেই থাকার কারণে গ্রামাঞ্চলের জনসাধারণ একটু বৃৃষ্টির জন্য সৃষ্টিকর্তার নিকট প্রার্থনা করছেন। শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজের ডিগ্রি ২য় বর্ষের ছাএ জাহিদ আহমেদ বলেন প্রত্যেকদিন এই গরমে আসা যাওয়া করতে অনেকটাই বিরক্তি কর লাগে। দুপুরের প্রচন্ড তাপে যেন অদিষ্ট হয়ে যায় শরীর । মাঝে মাঝে রাস্তার পাশ থেকে তৃষ্ণা মিটানো বিভিন্ন মৌসুমী ফল ও বিভিন্ন নামী -দামী কোম্পানীর কোমল পানীয় পান করতে হয়।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্ব্যাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন টিটু জানান এই প্রচন্ড গরমে শিশুদের পানি বাহিত রোগ হতে পারে। পানি শূন্যতা আর তাজা খাবার না খাওয়ার কারণেই অসুস্থ পড়ার আশঙ্খা। তবে তীব্র রোদ এড়িয়ে চলার পাশাপাশি খাওয়া -দাওয়া সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি চিকিৎসক হিসেবে। তিনি জানান এখনও পর্যন্ত এই গরমে হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা স্বাভাবিক রয়েছে। তবে গরম বাড়লে রোগীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, বাতাসে আর্দ্রতা অনেক বেশি হওয়ায় গরমের অনুভূতি অনেক বেশি। তবে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ কম থাকলে গরমের অনুভূতি কিছুটা কম হতো।



মন্তব্য করুন