শ্রীমঙ্গলে ১০ পরিবারের ঈদ অনিশ্চিত

June 5, 2018,

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি॥ একদিকে সকলে দরিদ্র পরিবার, অন্য দিকে চলছে রমজান মাস আর সামনে ঈদ উল ফিতর কিন্তু মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের প্রসিদ্ধ হাইল হাওরের দশ পরিবার সংকোচে রয়েছে। তাদের ঈদ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। হাইল হাওরের দক্ষিণ পশ্চিম দিকের দশ মাছ ব্যবসায়ী তাদের রোজগার নিয়ে আশংখায় রয়েছেন। সামনের ঈদ তাদের জন্য কষ্ট্যসাধ্য হয়ে উঠেছে। যার উপড় তাদের সংসার চলে এবং তাদের জীবন জীবিকা চলে হাওর থেকে মাছ ধরার বিশেষ যন্ত্র (স্থানীয় ভাষায় বসনী বলে) চুরি এবং ভেঙ্গে নষ্ট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভুনবীর ইউনিয়নের বাদে আলিশা  গ্রামের দশ জন মাছ ব্যবসায়ীরা জানায় ১৯ মে আলিসারকুল গ্রামের খলিল মিয়া, রোমন মিয়া ও পূর্ব লইয়ারকুল গ্রামের আলিম মিয়া তাদের মাছ ধরার যন্ত্র ভেঙ্গে নষ্ট করে এবং কিছু চুরি করে নিয়ে যায়। এদশ মাছ ব্যবসায়ীরা হলেন শাহিন মিয়া, মোঃ মনির মিয়া, আব্দুল্লাহ, রফিক মিয়া, বিল্লাল মিয়া, কাউসার মিয়া, ছানু মিয়া, জব্বার মিয়া, কদর মিয়া, গনি মিয়া।

এদিকে তাদের মাছ ধরার যন্ত্র নষ্ট করে দেয়ার কারনে দীর্ঘ এক মাস ধরে তারা মানবেতর জীবন যাপন করছেন। মাছ ধরতে না পারায় তাদের পরিবারে অভাব অনটন দেখা দিয়েছে। সামনের ঈদ তাদের অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। তাছাড়া অনেকের ছেলে মেয়ের লেখা পড়ার খরচ চালাতে সংকোচে রয়েছেন।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় তাদের মোট ৩২০ টি মাছ ধরার যন্ত্র (বসনি) এর মধ্যে ৩০০ টি নষ্ট করে এবং ২০টি চুরি করে নিয়ে যায়। যার মূল্য প্রায় ৩ লক্ষ্য টাকা। মাছ ব্যবসায়ীরা জানান ইতোমধ্যে গ্রাম সর্দার ফিরোজ মিয়ার আওয়াতায় ১১টি বসনি এবং সাবেক মেম্বার লেচু মিয়ার কাছে জমা আছে।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায় এসব মাছ ব্যবসায়ীরা সবাই দরিদ্র। বসনি দিয়ে মাছ ধরে প্রতিদিনের রোজগার দিয়ে তাদের সংসার চলে। এর উপড় তাদের জীবন জীবিকা।

মাছ ব্যবসায়ীরা জানান আমরা গ্রামীন ব্যংক, ব্র্যাক ব্যংক, আশা ব্যংকসহ বিভিন্ন ধরনের ঋন নিয়ে মাছ ধরার যন্ত্র ক্রয় করেছে। তাদের ক্ষতিপুরন ও নায্য বিচার চেয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ বিশিষ্টজনের নিকট সকলে দাবী জানান।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”

মন্তব্য করুন

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com