গ্রেফতার আতংকে নেতাকর্মী : দুই দিনে ২৪ গ্রেফতার : রিটার্নিং অফিসারের কাছে অভিযোগ

হোসাইন আহমদ॥ প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে মৌলভীবাজারে গ্রেফতার আতংকে ভোগছেন বিএনপি ও ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মী।
১০ ডিসেম্বর সোমবার ও মঙ্গলবারে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে বিএনপি ও জামায়াতের ২৪ নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃত নেতাকর্মীদের পরিবারের অভিযোগ, অতি উৎসাহি কিছু পুলিশ কর্মকর্তা নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনাকে অমান্য করে মামলা নেই এমন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করছে। আবার অনেককে গায়েবী মামলার আসামী দেখিয়ে হাজতে প্রেরণ করছে। গ্রেফতার ও হয়রানি বন্ধ এবং গায়েবী মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সোমবার জেলা রিটার্নিং অফিসারের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছন জেলা বিএনপির সভাপতি ও মৌলভীবাজার-৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী নাসের রহমান।
লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচনী প্রচারনার কাজে নিয়োজিত বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন এবং ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদেও কোনো অভিযোগ ছাড়াই পুলিশ গ্রেফতার, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং হয়রানি করছে। নেতাকর্মীদের হয়রানি করার লক্ষ্যে ইতিপূর্বে থানায় গায়েবী মামলাও করে রাখা হয়েছে। ওই গায়েবী মামলায় কতিপয় অতি উৎসাহি পুলিশ কর্মকর্তা বিএনপি ও জোটের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করছে এবং পরিকল্পিত ভাবে রাতে তাদের বাড়িতে তল্লাশী চালিয়ে হয়রানি করছে। পুলিশের গ্রেফতার আতংকে অনেক নেতাকর্মী এখন ঘর বাড়ি ছাড়া।
এবিষয়ে সোমবার রাতে কুলাউড়া উপজেলার পাবই থেকে গ্রেফতার হওয়া জামিল রহমানের বড় ভাই মাহিরুল ইসলাম বলেন, আমার ছোট ভাই মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের মাষ্টার্সের শিক্ষার্থী। তার বিরুদ্ধে থানায় কোনো মামলা নেই। তারপরেও রাত ২টায় বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে গ্রেফতারকৃত একাধিক নেতাকর্মীর উপর এর আগে মামলা ছিল না। কিন্তু তারপরেও তাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে।
এবিষয়ে জেলা বিএনপি’র সভাপতি এম নাসের রহমান বলেন, গ্রেফতার বন্ধের জন্য জেলা রিটানিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে এবং পুলিশ সুপারের সাথে দেখা করে বিষয়টি অবগত করেছি।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহ জালাল বলেন, যাদেরকে আটক করা হয়েছে তাদের উপর মামলা আছে। অহেতুক কাউকে হয়রানি করা হচ্ছে না।



মন্তব্য করুন