মনুমুখ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বির”দ্ধে অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার॥ মৌলভীবাজারের মনুমুখ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বির”দ্ধে আর্থিক অনিয়ম, দূর্নীতি ও দায়িত্ব পালনে গাফলতির অভিযোগ উঠেছে।
১৬ এপ্রিল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার,উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে বিদ্যালয়ের সভাপতিসহ স্থানীয় বাসিন্দারা এবিষয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ সূত্রে জানা যায় বিগত ২০১২ইং সাল হতে অত্র বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে আছেন শিতি দাশ। যোগদানের পর থেকে নানা অনিয়ম ও দূর্নীতি করে যাচ্ছেন। অভিভাবক, ম্যানেজিং কমিটি ও স্থানীয় বাসিন্দারা এনিয়ে প্রতিবাদ করলেও কোন কিছুতেই তোয়াক্কা করছেন না তিনি। তার এমন আচরনে পাঠদানসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে বলে গুর”তর অভিযোগ উঠেছে। বিগত ২০১৩-২০১৪ অর্থ বছরে স্লিপ ও প্রাক-প্রাথমিকের ৩৫ হাজার টাকা,২০১৪-২০১৫ অর্থ বছরে ¯িপ ও প্রাক-প্রাথমিকের ৩৫ হাজার টাকা এবং ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরে স্লিপ ও প্রাক-প্রাথমিকের ৪৫ হাজার টাকা সহ তিন অর্থ বছরে সর্বমোট ১ লক্ষ পনের হাজার টাকা বিদ্যালয়ের অনুদান হিসেবে বিদ্যালয়ের হিসাবে জমা হয়। কিন্তু টাকার পঁচাত্তর শতাংশই আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। অভিযোগে আরোও উল্লেখ আছে ২০১৬-২০১৭ ও ২০১৭-২০১৮ এই দুই অর্থ বছরে সর্বমোট ৯৯,০০০/- (নিরানব্বই হাজার) টাকার মধ্যে সিংহভাগ টাকাই আত্মসাৎ হয়েছে। অভিযোগ পত্রে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ফখর”ল ইসলাম উল্লেখ করেন “সরকারী টাকা আত্মসাৎ করার সুবিধার্থে প্রধান শিক্ষক শিতি দাশ নিজের ইচ্ছে মতো ¯িপ পান তৈরি করে সংশ্লিষ্ট অফিসে জমা করেন ও নিজের মনগড়া ভূঁয়া অংক স্লিপ রেজিষ্ট্রারে লিপিবদ্ধ করে রাখেন ওই প্রধান শিক্ষক। এছাড়াও সরকার কর্তৃক বিদ্যালয়ে উপস্থিত হওয়ার নির্ধারিত সময় সকাল ৯:০০ ঘটিকা এবং প্রস্থান বিকাল ৪:৩০ ঘটিকায় হলেও প্রধান শিক্ষক শিতি দাশ ও সহকারী শিক্ষক নির”পমা দাস উভয় শিক্ষকদ্বয় ১১:০০ ঘটিকায় বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন এবং বিকাল ৩:০০ ঘটিকায় বিদ্যালয় ত্যাগ করেন। তাছাড়া পাঠদানে অবহেলা করে অযথা অফিসে বসে গল্প গুজব করে সময় ক্ষেপন করে থাকেন। মাসিক বিল ফরমে সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে টাকা উত্তোলনের অভিযোগও উল্লেখ আছে। সংশিষ্ট ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষ অসাধু শিক্ষকদের বির”দ্ধে দ্র”ত যথাযথ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করে কোমলমতি শিশুদের পড়া লেখার মান উন্নয়নসহ তাদের উজ্জল ভবিষ্যৎ গঠনে সহায়ক ভূমিকা রাখবেন এমনটি প্রত্যাশা অভিভাবক,ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের।



মন্তব্য করুন