ঈদ আনন্দে প্রাণবন্ত হয় ‘গ্রাম’
August 15, 2019,

সাইফুল্লাহ হাসান॥ ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে উৎসব। ঈদ উপলক্ষে কর্মস্থলের মানুষজন কয়েকদিন ছুটি পাওয়ায় সবাই ছুটে আসেন নাড়ির টানে নিজ নিজ গ্রামে। এতে খালি হয় শহর-নগর আর প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে গ্রামগুলো।
‘গ্রামে’ দীর্ঘদিন পর পাড়া-প্রতিবেশী, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে ঈদআনন্দে মেতে ওঠে মানুষজন। এ সময়টাতে খুঁজে পাওয়া যায় ছোটবেলার সঙ্গী সাথীদের। মনে পড়তে থাকে অনেক স্মৃতি, যা কোনোদিন ভুলবার নয়।
শহুরে সারাক্ষণ ব্যস্ততা ঘেরা পরিবেশ ছেড়ে গ্রামের বাড়ি ছুটে আসা মানুষজনের ঈদের আগের রাত থেকেই শুরু হয়ে যায় ঈদআনন্দ। সবাই হরেকরকম ডিজাইনে মেহেদী মাখতে থাকেন। নারীরাও ব্যস্ত হয়ে পড়েন পিঠা তৈরিতে।
ঈদের দিন সকালে গোসল সেরেই নামাজ পড়তে সবাই একসাথে ঈদগাহে যাওয়া। লোকজন ছোটবেলার সঙ্গী, মুরুব্বিদের ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে কোলাকুলি করেন। এছাড়াও ঈদগাহের আশেপাশে বসা মেলাতে কেনাকাটাতো আছেই।
বিকেলে বের হয়ে আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবের বাড়িতে যান অনেকে। গ্রামের মানুষের মমতা ও ভালোবাসা শহরেতো আর খুঁজে পাওয়া যায় না! সেই সামাজিক বন্ধনটুকু এখনো টিকে আছে কিছুটা। নারীরাও আশেপাশের বাড়িতে ঈদের ঘুরাঘুরিতে ব্যস্ত থাকেন।
ঈদের পরের দিন থেকেই শুরু হয় বন্ধুবান্ধব ও পরিবার-পরিজন মিলে বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে বেড়াতে যাওয়া। আনন্দঘন পরিবেশে সময় কাটানোর জন্য রয়েছে অনেক পর্যটন স্পট, যা সহজেই মানুষকে আনন্দের মাঝে আকৃষ্ট করে। এসব এলাকায় ছুটে যান অনেকেই। আর ঈদের ছুটি কাটে বেশ উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে, যা বছরের বাকি সময়টুকুও হয়ে উটে আনন্দের।
মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার পতিলাসাঙ্গন গ্রামের বাসিন্দা আবুল হোসেন পড়ালেখা সুবাদে ঢাকায় থাকেন। তিনি জানান, ঈদ আসলেই বাড়িতে চলে আসি। ঈদে সবাই একত্র হয়ে অনেক অনন্দ করি। পাশাপাশি বন্ধুবান্ধব একসাথে কোথাও ভ্রমণে যাই। আসলে ‘গ্রাম’ ছড়া ঈদ আনন্দ উপভোগ করা অসম্ভব নয়।
এই গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হাকিম কর্মসূত্রে আরব আমিরাতে থাকেন, তিনি এবারে গ্রামে পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপনের জন্য ছুটিতে আসেন দেশে। তিনি বলেন, আমরা প্রবাসীরা দেশকে অনেক বেশি মিস করি। একজন প্রবাসী ছাড়া সেই অনুভূতি বুঝা সম্ভব নয়। নিজ দেশে বা গ্রামে ঈদের যে আমেজ থাকে সেটা বাইরে কোথাও পাওয়া সম্ভব নয়। তাই নিজেদের গ্রামের কথা ছেলেবেলার ডানপিটে আচরণ চলাফেরার কথা মনে হলেই নষ্টালজিয়ায় ভোগী।
তিনি আরোও বলেন, প্রকৃতপক্ষে ঈদের আনন্দ তখনই সফল হবে যখন কাশ্মীর ফিলিস্তিন মায়ানমারসহ বিশ্বের সমস্ত নিপিড়ীত মানুষ তাদের অধিকার ফিরে পাবে এবং আমাদের প্রিয় জন্মভূমি একটি দুর্নীতিমুক্ত ইনসাফপূর্ণ সুখী সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে উঠবে।
এরকম গ্রামের অনেকেই কর্মসূত্রে দূর-দূরান্তে থাকেন। শুধু ঈদের সময় ফিরে আসেন আপন নীড়ে। নির্দিষ্ট ছুটি শেষ হলে আবার ফিরে যেতে হয় কর্মস্থলে। ধীরে ধীরে আবার নিস্তেজ হতে থাকে গ্রামগুলো।
‘গ্রামে’ দীর্ঘদিন পর পাড়া-প্রতিবেশী, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে ঈদআনন্দে মেতে ওঠে মানুষজন। এ সময়টাতে খুঁজে পাওয়া যায় ছোটবেলার সঙ্গী সাথীদের। মনে পড়তে থাকে অনেক স্মৃতি, যা কোনোদিন ভুলবার নয়।
শহুরে সারাক্ষণ ব্যস্ততা ঘেরা পরিবেশ ছেড়ে গ্রামের বাড়ি ছুটে আসা মানুষজনের ঈদের আগের রাত থেকেই শুরু হয়ে যায় ঈদআনন্দ। সবাই হরেকরকম ডিজাইনে মেহেদী মাখতে থাকেন। নারীরাও ব্যস্ত হয়ে পড়েন পিঠা তৈরিতে।
ঈদের দিন সকালে গোসল সেরেই নামাজ পড়তে সবাই একসাথে ঈদগাহে যাওয়া। লোকজন ছোটবেলার সঙ্গী, মুরুব্বিদের ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে কোলাকুলি করেন। এছাড়াও ঈদগাহের আশেপাশে বসা মেলাতে কেনাকাটাতো আছেই।
বিকেলে বের হয়ে আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবের বাড়িতে যান অনেকে। গ্রামের মানুষের মমতা ও ভালোবাসা শহরেতো আর খুঁজে পাওয়া যায় না! সেই সামাজিক বন্ধনটুকু এখনো টিকে আছে কিছুটা। নারীরাও আশেপাশের বাড়িতে ঈদের ঘুরাঘুরিতে ব্যস্ত থাকেন।
ঈদের পরের দিন থেকেই শুরু হয় বন্ধুবান্ধব ও পরিবার-পরিজন মিলে বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে বেড়াতে যাওয়া। আনন্দঘন পরিবেশে সময় কাটানোর জন্য রয়েছে অনেক পর্যটন স্পট, যা সহজেই মানুষকে আনন্দের মাঝে আকৃষ্ট করে। এসব এলাকায় ছুটে যান অনেকেই। আর ঈদের ছুটি কাটে বেশ উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে, যা বছরের বাকি সময়টুকুও হয়ে উটে আনন্দের।
মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার পতিলাসাঙ্গন গ্রামের বাসিন্দা আবুল হোসেন পড়ালেখা সুবাদে ঢাকায় থাকেন। তিনি জানান, ঈদ আসলেই বাড়িতে চলে আসি। ঈদে সবাই একত্র হয়ে অনেক অনন্দ করি। পাশাপাশি বন্ধুবান্ধব একসাথে কোথাও ভ্রমণে যাই। আসলে ‘গ্রাম’ ছড়া ঈদ আনন্দ উপভোগ করা অসম্ভব নয়।
এই গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হাকিম কর্মসূত্রে আরব আমিরাতে থাকেন, তিনি এবারে গ্রামে পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপনের জন্য ছুটিতে আসেন দেশে। তিনি বলেন, আমরা প্রবাসীরা দেশকে অনেক বেশি মিস করি। একজন প্রবাসী ছাড়া সেই অনুভূতি বুঝা সম্ভব নয়। নিজ দেশে বা গ্রামে ঈদের যে আমেজ থাকে সেটা বাইরে কোথাও পাওয়া সম্ভব নয়। তাই নিজেদের গ্রামের কথা ছেলেবেলার ডানপিটে আচরণ চলাফেরার কথা মনে হলেই নষ্টালজিয়ায় ভোগী।
তিনি আরোও বলেন, প্রকৃতপক্ষে ঈদের আনন্দ তখনই সফল হবে যখন কাশ্মীর ফিলিস্তিন মায়ানমারসহ বিশ্বের সমস্ত নিপিড়ীত মানুষ তাদের অধিকার ফিরে পাবে এবং আমাদের প্রিয় জন্মভূমি একটি দুর্নীতিমুক্ত ইনসাফপূর্ণ সুখী সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে উঠবে।
এরকম গ্রামের অনেকেই কর্মসূত্রে দূর-দূরান্তে থাকেন। শুধু ঈদের সময় ফিরে আসেন আপন নীড়ে। নির্দিষ্ট ছুটি শেষ হলে আবার ফিরে যেতে হয় কর্মস্থলে। ধীরে ধীরে আবার নিস্তেজ হতে থাকে গ্রামগুলো।



মন্তব্য করুন