“করোনাকালীন প্রাথমিক শিক্ষা : চ্যালেঞ্জ ও করণীয়” বিষয়ে শিক্ষা কর্তৃপক্ষের সাথে সনাকের ভার্চুয়াল মতবিনিময়

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি॥ শ্রীমঙ্গলে “করোনাকালীন প্রাথমিক শিক্ষা : চ্যালেঞ্জ ও করণীয়” বিষয়ে শ্রীমঙ্গল উপজেলা শিক্ষা কর্তৃপক্ষের সাথে সনাকের ভার্চুয়াল মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সন্ধায় ১০ ফেব্রুয়ারি’ ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)’র অনুপ্রেরণায় গঠিত সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), শ্রীমঙ্গল’র উদ্যোগে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিতহয়।
সনাক সভাপতি দ্বীপেন্দ্র ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে এবং টিঁআইবি’র এরিয়া ম্যানেজার পারভেজ কৈরী’র সঞ্চালনায় শিক্ষা খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত এ সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এস. এম. জাকিরুল হাসান ও সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল হাসনাত মো.জহিরুল ইসলাম ভূঁইয়া।
এ মতবিনিময় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সনাক সদস্য কবিতা রানী দাস। এছাড়া আরো বক্তব্য রাখেন বরুনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুশান্ত কুমার পাল, সনাক সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আলাউদ্দিন আহমদ, সদস্য জহর তরফদার, শাহ আরিফ আলি নাসিম, শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সিনিয়র সাংবাদিক এবং কলামিস্ট ইসমাইল মাহমুদ, স্বজন আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন মামুন এবং সদস্য সৈয়দ ছায়েদ আহমদ প্রমুখ।
মতবিনিময়কালে করোনাকালীন সংকট মোকাবেলায় শ্রীমঙ্গল উপজেলা শিক্ষা অফিস কর্র্তৃক গৃহিত বিভিন্ন কর্মসূচি ও উদ্যোগ তুলে ধরে বলেন যে সংকটকালীন সময়ে তাদের নানান উদ্যোগের মাধ্যমে প্রায় ৮০ শতাংশ ছাত্র-ছাত্রীর সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়েছে। করোনাকালে শ্রীমমঙ্গল এর অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম বেশ প্রশংসার দাবী রাখে। ছাত্র-ছাত্রীদের একাডেমিক পড়ালেখার সাথে যুক্ত রাখার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিতে কাজ করেছে উপজেলা শিক্ষা অফিস। এছাড়া শিক্ষা কর্মকর্তাগণ জানান যে তাঁরা শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবকদের সাথে যোগাযোগ এবং শিক্ষার্থীদের হোম ভিজিট অব্যাহত রেখেছেন।
বক্তারা তাদের আলোচনায় করোনাকালীন সংকটে শিক্ষার্থীদেরকে শিখন প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত রাখতে জাতীয়ভাবে গৃহীত কার্যক্রমসমূহে সর্বোচ্চ সংখ্যাক শিক্ষার্থীকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে শিক্ষক কর্তৃক শিক্ষার্থীদেরকে উদ্বুদ্ধ করার কাজটি আরো গতিশীল করা; বিশেষ করে শ্রীমঙ্গল উপজেলার দুর্গম, চা বাগান এবং পাহাড়ী এলাকার শিক্ষার্থীদের সাথে যোগাযোগ নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করেন।
এসময় বক্তারা প্রাথমিক শিক্ষাখাতের সকল উন্নয়ন কার্যক্রম যথাযথভাবে সম্পন্নকরণে উদ্যোগ গ্রহণ এবং ব্যয় কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার তাগিদ দেন এবং সবশেষে সনাকের পক্ষ থেকে কিছু সুপারিশ তুলে ধরা হয়।



মন্তব্য করুন