শমসেরনগর বিমানবন্দর চালুর দাবি : সংসদে সরব নাসের রহমান, ফিজিবিলিটি স্টাডির পর সিদ্ধান্ত মন্ত্রীর

স্টাফ রিপোর্টার : মৌলভীবাজারের শমসেরনগর বিমানবন্দর চালুর দাবিতে জাতীয় সংসদে জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশ উত্থাপন করেছেন মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান। জবাবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী মিজ আফরোজা খানম রিতা জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে ফিজিবিলিটি স্টাডি চলছে, সেটি শেষ হলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
রোববার ১৯ এপ্রিল বিকেলে জাতীয় সংসদে শমসেরনগর বিমানবন্দর চালুর দাবিতে জনগুরুত্বপূর্ণ পূর্ণ নোটিশের ওপর বক্তব্য রাখেন এম নাসের রহমান।
নোটিশে তিনি বলেন, ২০০৭ থেকে ২০০৮ সালে তৎকালীন সরকার দেশের দুইটি জেলা কক্সবাজার এবং মৌলভীবাজার জেলা কে পর্যটন জেলা হিসেবে ঘোষণা করে এবং দুই জেলায় পর্যটন সহায়ক অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য অগ্রাধিকার স্ট্যাটাস ঘোষণা করে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকার কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পের জন্য আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর নতুন রেল লাইন,আধুনিক রেললাইন উচ্চ মানের মহাসড়কসহ হাজার কোটি টাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন করেছে এমনকি কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষও গঠন করে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় অপর পর্যটন অধ্যুষিত জেলা মৌলভীবাজার জেলার জন্য কিছুই করা হয় নাই। অথচ প্রত্যেক সপ্তাহান্তে দুইদিন অন্যান্য লম্বা ছুটির সময় হাজার হাজার পর্যটক মৌলভীবাজারের নৈসর্গিক চাবাগান, লাউয়াছড়া পার্ক,মাধবপুর লেইক,মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত হাকালুকি হাওর সমূহ দেখার জন্য মৌলভীবাজারে আসেন। মৌলভীবাজারে আসার জন্য ৫টি ট্রেণ আছে। কিন্তু শ্রীমঙ্গলের জন্য নির্ধারিত সীট ট্রেণ প্রতি মাত্র ১৫ জন। এবং এই সীট বিক্রি ৫ সেকেন্ডের মধ্যেই ১৫টা সীট চলে যায়।
তাই ট্রেণের টিকিট পাওয়া অত্যন্ত দুষ্কর। তাই একমাত্র সড়কপথ ছাড়া মৌলভীবাজারে যাওয়ার কোনো উপায় নাই। জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার শমসেরনগরে ৮০০ একর জমির উপর বৃটিশ আমলে তৈরি করা এয়ারপোর্ট আছে যা এখন বিমান বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে সেখানে বিমান বাহিনীর কিছু ট্রেনিং করা হয়। পাকিস্তান আমলে এটি বেসামরিক বিমান চলাচলে ব্যবহৃত হতো। কিন্তু স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বিমানের অপ্রতুলতার কারণে বিমানবন্দর টি পরিত্যক্ত করা হয়। শমশের নগর এয়ারপোর্টটি যশোর বিমান বন্দরের আদলে নির্মাণ করা হলে এবং বাংলাদেশ বিমান এবং বেসরকারি বিমান সংস্থা গুলি এখান যৌথ ভাবে সপ্তাহে অন্তত চার দিন ফ্লাইট পরিচালনা করলে পর্যটক ছাড়া-ও জেলার বিপুল প্রবাসী জনসাধারণ ভীষণ ভাবে উপকৃত হতো। শমসেরনগর এয়ারপোর্ট রানওয়ে ৬ হাজার ফিট বা এক দশমিক ৮ কিলোমিটার লম্বা যা বর্তমানে অভ্যন্তরে রুটে পরিচালিত বাংলাদেশ বিমানের ও প্রাইভেট বিমানের বিমানগুলি অনায়াসে ব্যবহার করতে পারবে।
ইতিমধ্যেই ইউএস বাংলা অন্যান্য এয়ারওয়েজ বিমানবন্দর ব্যবহারে প্রাথমিক ইচ্ছা পোষণ করেছে তাই মৌলভীবাজার জেলার পর্যটক ও প্রবাসী জনগণের সুবিধার্থে কমলগঞ্জ উপজেলার শসসের নগরে অবস্থিত বিমানবাহিনীর এই ঘাঁটির একটি অংশে একটি ছোট বেসামরিক বিমানবন্দর স্থাপনের জন্য বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর উদ্দেশ্যে এই জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশ টি প্রদান করছি।
এর উত্তরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী মিজ আফরোজা খানম রিতা মাননীয় সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান কে এ প্রস্তাবের জন্য ধন্যবাদ জানান,এবং সংসদকে বলেন ১৯৪২ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে বিমানঘাঁটি হিসেবে ব্যবহারের জন্য শমসের নগর বিমান বন্দর নির্মাণ করা হয়। বর্তমানে ৬২২ একর ভুমির ওপর বিমান ঘাঁটিটি অবস্থিত। সর্বশেষ বিআর এস জরিপে উক্ত ভুমি প্রতিরক্ষা বিভাগের অনুকুলে শমসের নগর বিমানঘাঁটি নামে রেকর্ড ভুক্ত হয়। এ ভুমির উন্নয়ন কর প্রতিরক্ষা বিভাগ পরিশোধ করে যাচ্ছে। বিমানবন্দরটিতে বর্তমানে ৬ হাজার ফিট লম্বা রানওয়ে রয়েছে। বাংলাদেশ বিমান বাহিনী উক্ত ভুমি বর্তমানে বিমান ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করছে উক্ত ভুমিতে বিমানবাহিনীর একটি রিক্রুটিং ট্রেনিং স্কুল এমটি ট্রেণিং ম্যাচ বিএএফ অফিসার্স ম্যাচ মসজিদ বিএএফ শাহীন কলেজ সহ বিভিন্ন অবকাঠামো ও স্থাপনা রয়েছে।
উল্লেখ উক্ত স্থানে বিমানবন্দর নির্মাণ করতে হলে বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ ১৯৮৫ এর ২৬ অনুচ্ছেদ এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ আইন ২০১৭ এর ৪ এর ও-ই অনুযায়ী বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার অধীন বা তার ওপর ন্যস্ত ভুমি ইমারত বিমানবন্দর ও বিমানঘাঁটি পূর্ত কাজ যন্ত্রপাতি কলকব্জা সরঞ্জামাদি উপাদান ও স্থাপনা সহ সকল সম্পত্তি এবং দায় দায়িত্ব বেবিচকের নিকট হস্তান্তরিত ও ন্যস্ত করতে হবে।
শমসের নগর বিমান বন্দরটি পূর্ব প্রান্ত ভারতীয় সীমান্তর অতি সন্নিকটে অবস্থিত। তাই উক্ত ভুমিতে বিমানবাহিনীর একটি রিক্রুটিং ট্রেনিং স্কুল এমটি ট্রেণিং ম্যাচ বিএএফ অফিসার্স ম্যাচ মসজিদ বিএএফ শাহীন কলেজ সহ বিভিন্ন অবকাঠামো ও স্থাপনা রয়েছে।
উল্লেখ উক্ত স্থানে বিমানবন্দর নির্মাণ করতে হলে বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ ১৯৮৫ এর ২৬ অনুচ্ছেদ এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ আইন ২০১৭ এর ৪ এর ও-ই অনুযায়ী বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার অধীন বা তার ওপর ন্যস্ত ভুমি ইমারত বিমানবন্দর ও বিমানঘাঁটি পূর্ত কাজ যন্ত্রপাতি কলকব্জা সরঞ্জামাদি উপাদান ও স্থাপনা সহ সকল সম্পত্তি এবং দায় দায়িত্ব বেবিচকের নিকট হস্তান্তরিত ও ন্যস্ত করতে হবে।
শমসের নগে বিমান বন্দরটি পূর্ব প্রান্ত ভারতীয় সীমান্তর অতি সন্নিকটে অবস্থিত। তাই বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণের সময় আন্তর্জাতিক সীমানা লঙ্ঘনের ঝুঁকি রয়েছে। তাছাড়া বিমানবন্দরটির বিদ্যমান রানওয়ে ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ফিক্সড উইং এয়ারক্রাফট যাত্রীবাহী বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণের জন্য বর্তমানে উপযোগী নয়। বর্তমানে উক্ত ভুমিতে বিমানবাহিনীর একটি রিক্রুটিং ট্রেনিং স্কুল এমটি ট্রেণিং ম্যাচ বিএএফ অফিসার্স ম্যাচ মসজিদ বিএএফ শাহীন কলেজ সহ বিভিন্ন অবকাঠামো ও স্থাপনা রয়েছে।
উল্লেখ উক্ত স্থানে বিমানবন্দর নির্মাণ করতে হলে বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ ১৯৮৫ এর ২৬ অনুচ্ছেদ এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ আইন ২০১৭ এর ৪ এর ও-ই অনুযায়ী বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার অধীন বা তার ওপর ন্যস্ত ভুমি ইমারত বিমানবন্দর ও বিমানঘাঁটি পূর্ত কাজ যন্ত্রপাতি কলকব্জা সরঞ্জামাদি উপাদান ও স্থাপনা সহ সকল সম্পত্তি এবং দায় দায়িত্ব বেবিচকের নিকট হস্তান্তরিত ও ন্যস্ত করতে হবে।
শমসের নগে বিমান বন্দরটি পূর্ব প্রান্ত ভারতীয় সীমান্তর অতি সন্নিকটে অবস্থিত। তাই বিমান উড্ডয়ন ও অবতরনের সময় আন্তর্জাতিক সীমানা লঙ্ঘনের ঝুঁকি রয়েছে। তাছাড়া বিমানবন্দর টির বিদ্যমান রানওয়ে ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ফিক্সড উইং এয়ারক্রাফট যাত্রীবাহী বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণের জন্য বর্তমানে উপযোগী নয়। বর্তমানে বিদ্যমান রানওয়েতে শুধু হেলিকপ্টার ওঠানামার ব্যবস্থা রয়েছে। শমসের নগর বিমান বন্দর সহ অন্যান্য বিমান বন্দর বাণিজ্যিক ব্যবহার উপযোগিতা যাচাই করার জন্য অলেরডি আমরা ফিজিবিলিটি স্টাডি কার্যক্রম শুরু করিয়েছি। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ বিমানচলাচল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক চলমান রয়েছে এ ফিজিবিলিটি স্টাডির। বর্তমানে আমাদের দোশে তিনটি আন্তর্জাতিক পাঁচ টি ডমেস্টিক বিমানবন্দর অপারেশন চলমান রয়েছে। এছাড়াও আমরা নতুন ৮টি বিমানবন্দরকে অপারেশনের উপযোগী করতে আমাদের পরিকল্পনায় রয়েছে। পর্যায়ক্রমে এ বিমানবন্দর গুলি ফিজিবিলিটি স্টাডি সম্পন্ন করে অপারেশনাল করা হবে। আমার মাননীয় সংসদ সদস্যর বিমান বন্দরটা এ প্রজেক্টের মধ্যে আছে। তাই আমি আশা করি এটা করতে সময় লাগবে সময় দিতে হবে। পর্যটনের জন্য অবশ্যই মৌলভীবাজারের জন্য আমরা স্থান রেখেছি পর্যটক স্থান হিসেবে যাতে আরও ভালো অবস্থানে নেয়া যায় সেদিকে কাজ করবো। আর বিমানবন্দরের যেটা সেটা ফিজিবিলিটি স্টাডি হওয়ার পরে আমরা বিবেচনায় আনবো। যে কোনটা করলে দেশের জন্য ভালো হবে। আর্থিক দিকটাও চিন্তা ভাবনা করে দেশের জন্য কাজ করতে হবে।
এর পর মন্ত্রীর কাছে সস্পুরক আরেকটি প্রশ্ন করেন নাসের রহমান।
তিনি বলেন-মাননীয় মন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন আমি বিনয়ের সাথে একটু ডিজ এগ্রী করতে চাই। এখানে দেখা যাচ্ছে বিমান বাহিনী থেকে উনাকে বোধহয় কিছু ইনপুট দেয়া হয়েছে যেখানে উনি উল্লেখ করেছেন। বিমানবন্দর টি ভারতের কাছাকাছি এজন্য বিমান চলাচল ঝুঁকি আছে। পাকিস্তান আমলে ১৯৪৮ সাল থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত যে পাকিস্তানের সাথে ভারতের চরম বৈরি সম্পর্ক ছিল সেই সময় প্রতিদিন পিআইএ ফ্লাইট এই শমসেরনগর এয়ারপোর্টে পরিচালনা হতো। সেখানে তখন তো এয়ারপোর্টে ইন্ডিয়ার বর্ডারের কাছে এটা কোন ঝুঁকি ছিল না। এবং আগরতলা এয়ারপোর্টটি একেবারে বাংলাদেশের বর্ডারের ওপরে। একেবারে বর্ডারের লাইনের সাথে। রানওয়ের এক মাথা বর্ডারের সাথে লাগানো। এমনকি ওদের যে লাইটপোস্ট গুলি পরবর্তীতে হাসিনা সরকারের সময় বাংলাদেশের জায়গা থেকে নিয়ে লাইটপোস্টে লাগানো হয়েছে। বিমানবাহিনী উনাকে যে ইনপুট টা দিয়েছে এটা কিন্তু সঠিক না যে ইন্ডিয়ার কাছাকাছি আছে।
এবং পাকিস্তান আমলে তো এটা ব্যবহৃত হয়েছে। ওখানে জমি হল মোট ৮০৪ একর। বিমানবাহিনীর কাছে আছে ৬২২ একর। বাকি জমিগুলি কোথায়। আর বিমানবন্দর ন্থাপন করার জন্য তো এত বড় জায়গার প্রয়োজন নাই। আমি মাননীয় মন্ত্রী কে বলতে চাই এখানে সময় যদি নেন তাহলে আমাদের মৌলভীবাজারে পৌছানোর মতোন যেটা এখন সিক্সলাইন সুপার হাইওয়ের কাজ চলছে সেখানেও এখন ৪ ঘন্টার রাস্তা ৬ ঘন্টা ৭ ঘন্টা লাগে। তো এই বিমানবন্দর টা যদি একটু দেখেন যেহেতু রানওয়ে একজিস্ট করে সেটা একটু প্রায়োরেটি বেসিসে মাননীয় মন্ত্রী এটা কে করতে পারেন কিনা সনির্বন্ধ অনুরোধ করছি। এর উত্তরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী বলেন মাননীয় সংসদ সদস্য তাড়াতাড়ি করতে বলছেন তাড়াতাড়ি তো আমরা চাবই। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তো চাচ্ছেন যে কোন কাজ যাতে আমরা তাড়াতাড়ি করতে পারি। সব কাজেরই একটা সময় থাকতে হয় সেভাবেই আমরা করি। যত দ্রুত করা যায় চেষ্টা করবো আর প্রত্যকটা জিনিস মনে রাখতে হবে হঠাৎ করে কোন কাজই সম্পন্ন করা সম্ভব হয় না ফিজিবিলিটি স্টাডি টা ইমপর্ট্যান্ট সময়ের পরিবর্তন আসে এক সময় বিগত ৪০ বছর আগে কী হয়েছে আর সেটা যদি কস্পেয়ার করি এটা কিন্তু সম্ভব না।সময়ের পরিবর্তনের সাথে অনেক কিছু চিন্তা ভাবনা করে জনস্বার্থে এবং পাকিস্তান আমলে তো এটা ব্যবহৃত হয়েছে। ওখানে জমি হল মোট ৮০৪ একর। বিমানবাহিনীর কাছে আছে ৬২২ একর। বাকি জমিগুলি কোথায়। আর বিমানবন্দর ন্থাপন করার জন্য তো এত বড় জায়গার প্রয়োজন নাই।
আমি মাননীয় মন্ত্রী কে বলতে চাই এখানে সময় যদি নেন তাহলে আমাদের মৌলভীবাজারে পৌছানোর মতোন যেটা এখন সিক্সলাইন সুপার হাইওয়ের কাজ চলছে সেখানেও এখন ৪ ঘন্টার রাস্তা ৬ ঘন্টা ৭ ঘন্টা লাগে। তো এই বিমানবন্দর টা যদি একটু দেখেন যেহেতু রানওয়ে একজিস্ট করে সেটা একটু প্রায়োরেটি বেসিসে মাননীয় মন্ত্রী এটা কে করতে পারেন কিনা সনির্বন্ধ অনুরোধ করছি।
এর উত্তরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী বলেন মাননীয় সংসদ সদস্য তাড়াতাড়ি করতে বলছেন তাড়াতাড়ি তো আমরা চাবই। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তো চাচ্ছেন যে কোন কাজ যাতে আমরা তাড়াতাড়ি করতে পারি। সব কাজেরই একটা সময় থাকতে হয় সেভাবেই আমরা করি। যত দ্রুত করা যায় চেষ্টা করবো আর প্রত্যকটা জিনিস মনে রাখতে হবে হঠাৎ করে কোন কাজই সম্পন্ন করা সম্ভব হয় না ফিজিবিলিটি স্টাডি টা ইমপর্ট্যান্ট সময়ের পরিবর্তন আসে এক সময় বিগত ৪০ বছর আগে কী হয়েছে আর সেটা যদি কস্পেয়ার করি এটা কিন্তু সম্ভব না।সময়ের পরিবর্তনের সাথে অনেক কিছু চিন্তা ভাবনা করে জনস্বার্থের দিকে তাকিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে যাতে শমসের নগর এয়ারপোর্ট দ্রুত চালু হয় মাননীয় সংসদ সদস্যর ইচ্ছে মতো দ্রুত করা যায় সেদিকে আমরা লক্ষ্য রাখবো।



মন্তব্য করুন