মেলায় পাওয়া যাচ্ছে আনোয়ার শাহজাহানের ৩টি বই

February 11, 2017,

আশা কিবরিয়া॥ একুশে বই মেলায় পাওয়া যাচ্ছে লেখক ও সাংবাদিক আনোয়ার শাহজাহানের ৩টি বই। এ গুলো হলো- ‘স্বাধীনতাযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা’ প্রথমখন্ড ও দ্বিতীয়খন্ড এবং ‘গোলাপগঞ্জের ইতিহাস ও ঐতিহ্য’ গ্রন্থের প্রথম সংস্করণ। বইগুলো পাওয়া যাচ্ছে একুশে বই মেলার বইপত্র প্রকাশনের ৬২৯ এবং ৬৩০ নম্বর স্টলে।
স্বাধীনতাযুদ্ধে সরকারি খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনবৃত্তান্ত এবং মুক্তিযুদ্ধে তাঁদের বীরত্বগাথা নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে ‘স্বাধীনতাযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা’। উলে¬খ্য মুক্তিযুদ্ধে যাঁরা চরম সাহসিকতা এবং বীরত্বের পরিচয় দিয়েছিলেন, তাঁদের অবদানের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন ধরণের খেতাব প্রদান করে। ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সরকারের গেজেটের একটি অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই খেতাবপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করা হয়। মোট ৬৭৬ জন খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন, বীর-উত্তম ৬৮ জন, বীরবিক্রম ১৭৫ জন ও বীরপ্রতীক ৪২৬ জন রয়েছেন।
স্বাধীনতাযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে দুইখন্ডে প্রকাশিত হয়েছে বইটি। প্রথমখন্ডে রয়েছে বীরশ্রেষ্ঠ, বীর-উত্তম ও বীরবিক্রম এবং দ্বিতীয় খ-ে বীরপ্রতীক মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাথা। ২০১৬ সালে একুশে বইমেলায় প্রথম খন্ডটি প্রকাশের পর ব্যাপক জনপ্রিয়তার অর্জন করে। এটি মুক্তিযুদ্ধের একটি মূল্যবান গ্রন্থ। ভবিষ্যতে খেতাবপ্রাপ্তদের নিয়ে যাঁরা গবেষণা করবেন তাদের কাছে এ গ্রন্থ মূল্যবান রেফারেন্স হিসেবে বিবেচিত হবে। দ্বিতীয়খন্ড প্রকাশিত হয়েছে ২০১৭ সালের বই মেলাতে।
আনোয়ার শাহজাহানের আরেকটি উলে¬খযোগ্য গ্রন্থ হচ্ছে ‘গোলাপগঞ্জের ইতিহাস ও ঐতিহ্য”। এটির প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয় ২০১৫ সালে একুশের বই মেলায়। ১৯৯৬ সালে বইটি প্রথম প্রকাশিত হলেও এটিই ছিল সিলেটের গোলাপগঞ্জ থানার প্রথম লিখিত ইতিহাস গ্রন্থ।
স্বাধীনতাযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা বইটির লেখক আনোয়ার শাহজাহানের জন্ম সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ থানার রায়গড় গ্রামে। পেশায় সাংবাদিকতা হলেও মূলত আঞ্চলিক ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে গবেষণা-ই তার লেখার অন্যতম বিষয়বস্তু। ১৯৯৬ সালে তার প্রথম গবেষণাগ্রন্থ ‘গোলাপগঞ্জের ইতিহাস ও ঐতিহ্য’ প্রকাশিত হয়। এ পর্যন্ত বের হয়েছে তার ৩টি গবেষনা গ্রন্থ, ১টি জীবনী এবং ১টি প্রবন্ধের বই। বতর্মানে তিনি ব্রিটেনে একটি অনলাইন বাংলা পত্রিকায় সম্পাদক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”

মন্তব্য করুন

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com