কবুতরের দৌঁড় প্রতিযোগিতার ফাইনাল রাউন্ড ৬৫ কিলোমিটার আকাশ পথ পেরুতে বড়লেখার উদ্দেশ্যে অর্ধশত কবুতর

আব্দুর রব॥ বড়লেখার কবুতরের দৌঁড় প্রতিযোগিতার ফাইনাল রাউন্ড ২১ ডিসেম্বর শনিবার শ্রীমঙ্গলে অনুষ্টিত হয়েছে। সকাল ১০ টায় শহরের ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে ফাইনালে অংশগ্রহণকারী ৭ জনের অর্ধ শতাধিক কবুতরকে আকাশে উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। যে কবুতর ৬৫ কিলোমিটার দুরবর্তী বড়লেখায় আগে গিয়ে পৌঁছবে তাকেই বিজয়ী ঘোষনা করা হবে।
বড়লেখা রেসিং পিজিয়ন ক্লাবের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ফাইনাল রাউন্ডে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা পিজিয়ন এসোসিয়েশনের উপদেষ্টা বদরুল ইসলাম, বড়লেখা পিজিয়ন এসোসিয়েশনের সভাপতি জাবেদ আহমদ, উপদেষ্টা জাকির মোহাম্মদ। তারা তিনজন এই প্রতিযোগীতার বিচারকের দায়িত্ব পালন করছেন। বড়লেখার উদ্দেশ্যে প্রতিযোগী কবুতরদের আকাশে ছেড়ে দেয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন শ্র্রীমঙ্গল রেসিং পিজিয়ন ক্লাবের সভাপতি হাবিবুর রহমান সোহেল, সম্পাদক নাইম আহমেদ সবুজ, সাংগঠনিক সম্পাদক আজহারুল ইসলাম অনিক প্রমুখ। ফাইনাল রাউন্ডে কামরুল ইসলাম, দেলোয়ার হোসেন, মাসুম আহমদ, আব্দুল আহাদ, ইউনুস আহমেদ, মোনায়েম খান মুন্না এ ৭ জনের অর্ধ শতাধিক কবুতর অংশ নিয়েছে।
আয়োজকরা জানান, বড়লেখা উপজেলা থেকে এ প্রতিযোগিতা শুরু হয়। বিভিন্ন রাউন্ড শেষে ফাইনাল শনিবার শ্রীমঙ্গল ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে হচ্ছে। বিচারকরা বড়লেখা থেকে বাক্সবন্দি করে কবুতরগুলোকে শ্রীমঙ্গলে নিয়ে আসেন। প্রায় ৬৫ কিলোমিটার দূর থেকে বাক্স বন্দি এসব কবুতর ছেড়ে দেয়া হয় মুক্ত আকাশে। ছাড়া পেয়ে কবুতরগুলো দল বেধে ও দলের বাহিরে রওয়ানা দেয় বড়লেখার উদ্দেশ্যে। সেখানে তাদের মালিকরা অপেক্ষায় রয়েছে কখন কবুতরগুলো ফিরবে। যাদের কবুতরগুলো আগে পৌঁছাবে তারা কবুতরের পায়ে থাকা গোপন নাম্বার বিচারকদের জানাবেন।
বড়লেখা পিজিয়ন এসোসিয়েশনের উপদেষ্টা ও প্রতিযোগিতার বিচারক বদরুল ইসলাম জানান, তরুণরা যেন মাদক থেকে দূরে থাকে মুলত এ জন্যই এ প্রতিযোগিতায় আয়োজন। আমাদের এই প্রতিযোগিতা থেকে তরুণরা কবুতর পালনে উৎসাহিত হবে। এতে লেখাপড়ার পাশাপাশি তারা কবুতর লালন-পালন করে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বীও হতে পারেন। এসব কাজের সাথে মিশে থাকলে মাদক থেকে তারা দূরে থাকবে। সকাল ১০টায় শ্রীমঙ্গল থেকে ছাড়া কবুতরগুলো দেড়/দুই ঘন্টায় প্রায় ৬৫ কিলোমিটার আকাশ পথ পেড়িয়ে বড়লেখায় পৌছাবে বলে মনে করেন।



মন্তব্য করুন