আমার বাবা

মাহমুদুল হাসান উজ্জ্বল॥
বাবা নামে ডাকছি কাউকে আমার মনে নাই
চার বছরেই বাবা হারিয়ে বাবা খুঁজে বেড়াই।
ভুলে গেছি তাঁকে আমি দেখতে কেমন ছিলেন
বলা হয়না কি স্বভাবের হিরো না-কি ভিলেন।
পেয়েছি কি আদর তাঁর কিংবা মৃদু শাসন
মায়ের কাছে প্রশ্ন ছুড়ে মিঠাই মনের বাসন।
বললো মায়ে আমায় সে’যে করতো খুবই আদর
আমার বসার স্থানে দিতো বিছিয়ে গায়ের চাদর।
কাজের শেষে আমার বাবা ফিরতো যখন বাড়ি
আমি না-কি খেলা করতাম ধরে গালের দাঁড়ি।
আমার জন্য রোজ আনতেন বিস্কুট কিংবা মুড়ি
মেলা থেকে কিনে আনতেন প্লাস্টিকের গাড়ি।
আমার মাথার চুল কাটতেন সেলুনেতে নিয়ে
বৌ খুঁজতেন ছেলেকে তাঁর করাতে যে বিয়ে।
আমি যখন গোছল করতাম মাখতো গায়ে শ্যাম্পু
এদিক সেদিক যাওয়া আসায় চড়াতো যে টেম্পু।
আমার চোখে পানি দেখলে হতেন বাবা পাগল
অসুখেতে বিক্রি করতেন শখের গরু ছাগল।
মায়ের সাথে গল্প করতেন ছেলে বড় হলে
আমাদেরকে নেবে দেখ আদরেতে কোলে।
দুঃখ কষ্ট মুছে যাবে রাখবে আমার মান
সে-তো আমার খোকা মানিক আসমানেরই চান।



মন্তব্য করুন