ভুয়া ভোটার অন্তর্ভূক্ত করার অভিযোগ : শ্রীমঙ্গল ট্রাক ও ট্যাংকলরীর দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন নিয়ে চলছে তোগলকি কান্ড

October 31, 2013, এই সংবাদটি ৩৯৪ বার পঠিত

জেলা সড়ক পরিবহন ট্রাক ও ট্যাংকলরী শ্রমিক ইউনিয়নের অন্তর্ভূক্ত শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন নিয়ে চলছে তোগলকি কান্ড। ভোটার তালিকায় ভুয়া ভোটার অন্তর্ভূক্ত করার অভিযোগ করেছেন একাধিক প্রার্থী। এছাড়া নির্বাচনী তফসীল অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা না হবারও অভিযোগ রয়েছে। এ নিয়ে নির্বাচন উপ-কমিটির চেয়ারম্যান ও সদস্য সচিব এর দেয়া পৃথক পৃথক বক্তব্যে সাধারণ শ্রমিকদের মধ্যে দেখা দিয়ে অসন্তোষ। যে কোন সময়ে এ নিয়ে বড়ধরনের সংঘর্ষের আশংকা করছেন সংগঠনের সাধারণ শ্র্রমিকরা। জানা গেছে মৌলভীবাজার জেলা সড়ক পরিবহন ট্রাক ও ট্যাংকলরী শ্রমিক ইউনিয়নের অন্তর্ভূক্ত শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে সম্প্রতি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আজাদুর রহমান অদুদকে চেয়ারম্যান ও বায়েছ আহমদকে সদস্য সচিব করে একটি নির্বাচন উপ-কমিটি গঠন করা হয়। উপ-কমিটি গত ৬ অক্টোবর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। ঘোষিত তফসীল অনুযায়ী ২০ অক্টোবর নতুন পরিচয়পত্র সংগ্রহ ও পুরাতন পরিচয়পত্র নবায়ন এর শেষ তারিখ, ২৪ অক্টোবর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ, ২৬ অক্টোবর খসড়া ভোটার তালিকার উপর আপত্তি, ২৬ অক্টোবর আপত্তির উপর শুনানী, ২৮ অক্টোবর চুড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ, ২৯ ও ৩০ অক্টোবর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও দাখিল, ৩১ অক্টোবর মনোনয়নপত্র বাছাই ও প্রত্যাহার, ১ নভেম্বর প্রতীক বরাদ্ধ এবং ১৫ নভেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা। কিন্তু এ তফসীল অনুযায়ী ২৪ অক্টোবর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা থাকলে তা প্রকাশ করা হয়েছে ২৮ অক্টোবর। এদিকে ২৯ অক্টোবর মনোনয়ন পত্র সংগ্রহরে তারিখ থাকায় খসড়া ভোটার তালিকার উপর আপত্তি গ্রহণ করা হয়নি। নির্বাচনে সভাপতি প্রার্থী শেখ মো. ওয়াহিদুল ইসলাম, মো. নুর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মো. শাহজাহান ও আব্দুর রহমান অভিযোগ করেছেন ভোটার তালিকায় প্রচুর অসংগ্লতা রয়েছে। এমন কিছু ব্যক্তিকে ভেঅটার তাুিলকায় অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে যাদের নাম কার-লাইটেস গ্রুপেও রয়েছে। সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী একজন ভোটার একাধিক সংগঠনের সদস্য থাকতে পারবেন না। কিন্তু অনেকেই উভয় সংগঠনের ভোটার তালিকায় রয়েছেন। এছাড়া অপর একটি গ্রুপকে সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে অন্য পেশার কিছু কিছু ব্যক্তিকেও এ সংগঠনের ভোটার করা হয়েছে। এ নিয়ে একাধিকবার সংগঠনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটিকে লিখিতভাবে অভিযোগ উত্থাপন করেও কোন ফল হয়নি। উপরন্ত ২৪ তারিখে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা থাকলেও মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও দাাখিলের পূর্বদিনে সম্পূর্ণ উদ্যোশ্যমূলকভাবে তা প্রকাশ করা হয়েছে। যাতে করে কোন আপত্তি তারা আর গ্রহণ করছেন না। তারা বলেন, ভোটার তালিকায় অসংগ্লতায় সাধারণ বোটারদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। যে কোন সময় পুঞ্জিভূত ক্ষোভের বর্হিপ্রকাশ ঘটতে পারে। অভিযোগের ব্যাপারে নির্বাচন উপ-কমিটির সদস্য সচিব আনিছুজ্জামান বায়েছ আহমদ মোবাইল ফোনে জানান, সময় সল্পতার কারনে দেরীতে খসড়া ভোটার তালিকা প্রদান করা হয়েছে। মনোনয়নপত্র দাখিলের পর এক সপ্তাহের মধ্যে আপত্তি নিস্পত্তি করে চুড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রনয়ণ করা হবে। অপরদিকে ওই কমিটির চেয়ারম্যান আজাদুর রহমান অদুদ জানান, তারিখ অনুযায়ী সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। ভোটার তালিকার আপত্তির উপর শুনানীও অনুষ্ঠিত হয়েছে। সবকিছু ঠিকমতোই চলছে। সকল প্রার্থীর দাবী ভোটার তালিকা সংশোধন করে নিবার্চন করার।
জেলা সড়ক পরিবহন ট্রাক ও ট্যাংকলরী শ্রমিক ইউনিয়নের অন্তর্ভূক্ত শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন নিয়ে চলছে তোগলকি কান্ড। ভোটার তালিকায় ভুয়া ভোটার অন্তর্ভূক্ত করার অভিযোগ করেছেন একাধিক প্রার্থী। এছাড়া নির্বাচনী তফসীল অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা না হবারও অভিযোগ রয়েছে। এ নিয়ে নির্বাচন উপ-কমিটির চেয়ারম্যান ও সদস্য সচিব এর দেয়া পৃথক পৃথক বক্তব্যে সাধারণ শ্রমিকদের মধ্যে দেখা দিয়ে অসন্তোষ। যে কোন সময়ে এ নিয়ে বড়ধরনের সংঘর্ষের আশংকা করছেন সংগঠনের সাধারণ শ্র্রমিকরা। জানা গেছে মৌলভীবাজার জেলা সড়ক পরিবহন ট্রাক ও ট্যাংকলরী শ্রমিক ইউনিয়নের অন্তর্ভূক্ত শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে সম্প্রতি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আজাদুর রহমান অদুদকে চেয়ারম্যান ও বায়েছ আহমদকে সদস্য সচিব করে একটি নির্বাচন উপ-কমিটি গঠন করা হয়। উপ-কমিটি গত ৬ অক্টোবর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। ঘোষিত তফসীল অনুযায়ী ২০ অক্টোবর নতুন পরিচয়পত্র সংগ্রহ ও পুরাতন পরিচয়পত্র নবায়ন এর শেষ তারিখ, ২৪ অক্টোবর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ, ২৬ অক্টোবর খসড়া ভোটার তালিকার উপর আপত্তি, ২৬ অক্টোবর আপত্তির উপর শুনানী, ২৮ অক্টোবর চুড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ, ২৯ ও ৩০ অক্টোবর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও দাখিল, ৩১ অক্টোবর মনোনয়নপত্র বাছাই ও প্রত্যাহার, ১ নভেম্বর প্রতীক বরাদ্ধ এবং ১৫ নভেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা। কিন্তু এ তফসীল অনুযায়ী ২৪ অক্টোবর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা থাকলে তা প্রকাশ করা হয়েছে ২৮ অক্টোবর। এদিকে ২৯ অক্টোবর মনোনয়ন পত্র সংগ্রহরে তারিখ থাকায় খসড়া ভোটার তালিকার উপর আপত্তি গ্রহণ করা হয়নি। নির্বাচনে সভাপতি প্রার্থী শেখ মো. ওয়াহিদুল ইসলাম, মো. নুর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মো. শাহজাহান ও আব্দুর রহমান অভিযোগ করেছেন ভোটার তালিকায় প্রচুর অসংগ্লতা রয়েছে। এমন কিছু ব্যক্তিকে ভেঅটার তাুিলকায় অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে যাদের নাম কার-লাইটেস গ্রুপেও রয়েছে। সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী একজন ভোটার একাধিক সংগঠনের সদস্য থাকতে পারবেন না। কিন্তু অনেকেই উভয় সংগঠনের ভোটার তালিকায় রয়েছেন। এছাড়া অপর একটি গ্রুপকে সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে অন্য পেশার কিছু কিছু ব্যক্তিকেও এ সংগঠনের ভোটার করা হয়েছে। এ নিয়ে একাধিকবার সংগঠনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটিকে লিখিতভাবে অভিযোগ উত্থাপন করেও কোন ফল হয়নি। উপরন্ত ২৪ তারিখে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা থাকলেও মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও দাাখিলের পূর্বদিনে সম্পূর্ণ উদ্যোশ্যমূলকভাবে তা প্রকাশ করা হয়েছে। যাতে করে কোন আপত্তি তারা আর গ্রহণ করছেন না। তারা বলেন, ভোটার তালিকায় অসংগ্লতায় সাধারণ বোটারদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। যে কোন সময় পুঞ্জিভূত ক্ষোভের বর্হিপ্রকাশ ঘটতে পারে। অভিযোগের ব্যাপারে নির্বাচন উপ-কমিটির সদস্য সচিব আনিছুজ্জামান বায়েছ আহমদ মোবাইল ফোনে জানান, সময় সল্পতার কারনে দেরীতে খসড়া ভোটার তালিকা প্রদান করা হয়েছে। মনোনয়নপত্র দাখিলের পর এক সপ্তাহের মধ্যে আপত্তি নিস্পত্তি করে চুড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রনয়ণ করা হবে। অপরদিকে ওই কমিটির চেয়ারম্যান আজাদুর রহমান অদুদ জানান, তারিখ অনুযায়ী সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। ভোটার তালিকার আপত্তির উপর শুনানীও অনুষ্ঠিত হয়েছে। সবকিছু ঠিকমতোই চলছে। সকল প্রার্থীর দাবী ভোটার তালিকা সংশোধন করে নিবার্চন করার। স্টাফ রিপোর্টার॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •