শ্রীমঙ্গলে অগ্রণী ব্যাংকের ৭০ লাখ টাকা নিয়ে আইটি কর্মকর্তা উধাও

November 6, 2013, এই সংবাদটি ৪৭৭ বার পঠিত

শ্রীমঙ্গলে অগ্রণী ব্যাংকের আইটি সুপারভাইজার জাকারিয়া লস্কর জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যাংকের ৭০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান কার্য্যালয়ের একটি দতন্ত টিম ও সংশ্লিষ্ট সফ্টওয়ার প্রকৌশলীরা শ্রীমঙ্গল শাখা অফিস পরিদর্শন করে আরো তথ্য উদঘাটনে কাজ করে যাচ্ছেন। ব্যাংকটির শাখা ব্যবস্থাপক স্বপন কুমার সরকার শ্রীমঙ্গল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। জাকারিয়া লস্করের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ পৌর এলাকার কালীবাড়ি সড়কে। তিনি শ্রীমঙ্গল উপজেলা সদর ইউনিয়নের বিরাইমপুরের একটি বাড়িতে থাকতেন। এছাড়াও একটি সূত্র জানায়, জাকারিয়া লস্করের শ্রীমঙ্গল শহরের পূর্বাশা আবাসিক এলাকায় গত দুবছর আগে ২১ লাখ টাকা দিয়ে সাত ডিসিমেল জমি কিনেন। পাশাপাশি তার রয়েছে একটি টাটা ট্রাক, পিকাপ, প্রাইভেট কার ও মতিগঞ্জ এলাকায় একটি করাত কলের পাটনারসিপ ব্যবসা রয়েছে তার। ব্যাংক সূত্র থেকে জানা যায, জাকারিয়া লস্কর ২০০৬ সালের ১৪ মার্চ অগ্রণী ব্যাংকের শ্রীমঙ্গল শাখায় ‘ডাটা এন্ট্রি কন্ট্রোল সুপারভাইজার’ পদে যোগ দেন। এ শাখায় তিনি আইটি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত এবং অনলাইন বাস্তবায়ন কর্মকর্তার দাযয়িত্বে ছিলেন। তিনি ব্যাংকের একজন গ্রাহকের সঞ্চয়ী হিসাবের চেক ইস্যু করেন। ওই চেক দিয়ে গত ৭ ও ২৩ অক্টোবর দুই কিস্তিতে অপর এক গ্রাহকের হিসাব থেকে দুই লাখ টাকা তুলে আত্মসাৎ করেন। ঘটনাটি ধরা পড়ার পর জাকারিয়া জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাতের বিষয়টি স্বীকার করেন। এ সময় তিনি দুই লাখ টাকা পরিশোধ করেন এবং আর কোনো হিসাবে এরূপ ঘটনা করেননি মর্মে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা দেন। পরে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের একটি তদন্ত দল শ্রীমঙ্গল শাখা নিরীক্ষা করে। এতে জাকারিয়ার জালিয়াতির আরও ঘটনা ধরা পড়ে। তিনি ভুয়া জমা পোস্টিং দিয়ে ১২টি চেকের মাধ্যমে ৩৫ লাখ তোলেন। এ ছাড়া অন্য এক গ্রাহকের হিসাবেও অনুরূপভাবে ভুয়া জমা দেখিয়ে ৪৫টি চেকের মাধ্যমে ৬২ লাখ ৩৪ হাজার টাকা তোলেন। আইটি সুপারভাইজার হওয়ার সুবাধে জাকারিয়ার কাছে ছিল ব্যাংকের গোপন পাসওয়ার্ড। আর তা তিনি ব্যবহার করে বিভিন্ন একাউন্ট থেকে পছন্দমত একাউন্টে জমা দেখিয়ে পড়ে তার শশুরবাড়ির আত্মিয় স্বজনের মাধ্যমে উত্তোলন করে নেন। একপর্যায়ে কম্পিউটার থেকে তিনি লেনদেনের সব তথ্য মুছে ফেলতেন। অগ্রণী ব্যাংক শ্রীমঙ্গল শাখার ব্যবস্থাপক স্বপন কুমার সরকারের দেওয়া তথ্যমতে, তদন্ত দল প্রাথমিকভাবে গতকাল মঙ্গলবার ৫ নভেম্বর পর্যন্ত জাকারিয়া ৭০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে নিশ্চিত হয়েছে। এর পরিমান আরো বাড়তে পারে। জাকারিয়াকে গত ২৩ অক্টোবর চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। শ্রীমঙ্গল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মারূফ হোসেন বলেন, মামলা দায়েরের পর তিনি ব্যাংকের এ-সংক্রান্ত কাগজপত্র দেখেছেন। এতে জাকারিয়া জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। তিনি পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
শ্রীমঙ্গলে অগ্রণী ব্যাংকের আইটি সুপারভাইজার জাকারিয়া লস্কর জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যাংকের ৭০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান কার্য্যালয়ের একটি দতন্ত টিম ও সংশ্লিষ্ট সফ্টওয়ার প্রকৌশলীরা শ্রীমঙ্গল শাখা অফিস পরিদর্শন করে আরো তথ্য উদঘাটনে কাজ করে যাচ্ছেন। ব্যাংকটির শাখা ব্যবস্থাপক স্বপন কুমার সরকার শ্রীমঙ্গল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। জাকারিয়া লস্করের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ পৌর এলাকার কালীবাড়ি সড়কে। তিনি শ্রীমঙ্গল উপজেলা সদর ইউনিয়নের বিরাইমপুরের একটি বাড়িতে থাকতেন। এছাড়াও একটি সূত্র জানায়, জাকারিয়া লস্করের শ্রীমঙ্গল শহরের পূর্বাশা আবাসিক এলাকায় গত দুবছর আগে ২১ লাখ টাকা দিয়ে সাত ডিসিমেল জমি কিনেন। পাশাপাশি তার রয়েছে একটি টাটা ট্রাক, পিকাপ, প্রাইভেট কার ও মতিগঞ্জ এলাকায় একটি করাত কলের পাটনারসিপ ব্যবসা রয়েছে তার। ব্যাংক সূত্র থেকে জানা যায, জাকারিয়া লস্কর ২০০৬ সালের ১৪ মার্চ অগ্রণী ব্যাংকের শ্রীমঙ্গল শাখায় ‘ডাটা এন্ট্রি কন্ট্রোল সুপারভাইজার’ পদে যোগ দেন। এ শাখায় তিনি আইটি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত এবং অনলাইন বাস্তবায়ন কর্মকর্তার দাযয়িত্বে ছিলেন। তিনি ব্যাংকের একজন গ্রাহকের সঞ্চয়ী হিসাবের চেক ইস্যু করেন। ওই চেক দিয়ে গত ৭ ও ২৩ অক্টোবর দুই কিস্তিতে অপর এক গ্রাহকের হিসাব থেকে দুই লাখ টাকা তুলে আত্মসাৎ করেন। ঘটনাটি ধরা পড়ার পর জাকারিয়া জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাতের বিষয়টি স্বীকার করেন। এ সময় তিনি দুই লাখ টাকা পরিশোধ করেন এবং আর কোনো হিসাবে এরূপ ঘটনা করেননি মর্মে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা দেন। পরে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের একটি তদন্ত দল শ্রীমঙ্গল শাখা নিরীক্ষা করে। এতে জাকারিয়ার জালিয়াতির আরও ঘটনা ধরা পড়ে। তিনি ভুয়া জমা পোস্টিং দিয়ে ১২টি চেকের মাধ্যমে ৩৫ লাখ তোলেন। এ ছাড়া অন্য এক গ্রাহকের হিসাবেও অনুরূপভাবে ভুয়া জমা দেখিয়ে ৪৫টি চেকের মাধ্যমে ৬২ লাখ ৩৪ হাজার টাকা তোলেন। আইটি সুপারভাইজার হওয়ার সুবাধে জাকারিয়ার কাছে ছিল ব্যাংকের গোপন পাসওয়ার্ড। আর তা তিনি ব্যবহার করে বিভিন্ন একাউন্ট থেকে পছন্দমত একাউন্টে জমা দেখিয়ে পড়ে তার শশুরবাড়ির আত্মিয় স্বজনের মাধ্যমে উত্তোলন করে নেন। একপর্যায়ে কম্পিউটার থেকে তিনি লেনদেনের সব তথ্য মুছে ফেলতেন। অগ্রণী ব্যাংক শ্রীমঙ্গল শাখার ব্যবস্থাপক স্বপন কুমার সরকারের দেওয়া তথ্যমতে, তদন্ত দল প্রাথমিকভাবে গতকাল মঙ্গলবার ৫ নভেম্বর পর্যন্ত জাকারিয়া ৭০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে নিশ্চিত হয়েছে। এর পরিমান আরো বাড়তে পারে। জাকারিয়াকে গত ২৩ অক্টোবর চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। শ্রীমঙ্গল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মারূফ হোসেন বলেন, মামলা দায়েরের পর তিনি ব্যাংকের এ-সংক্রান্ত কাগজপত্র দেখেছেন। এতে জাকারিয়া জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। তিনি পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •