বন্যা দূর্গগত এলাকায় দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী পুত্রের ত্রাণ বিতরণ : প্রশাসনে তোলপাড়

July 27, 2017,

বিশেষ প্রতিনিধি॥ মানবতাবিরোধী অপরাধে আমৃত্যু কারাদন্ডপ্রাপ্ত আসামী ও জামায়াত নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে শামীম সাঈদি টানা দুই দিন গোপনে মৌলভীবাজারের বিভিন্ন উপজেলায় অবস্থান এবং ত্রাণ বিতরণ নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে গুটা মৌলভীবাজার পুলিশ প্রশাসনে। বিভিন্ন সরকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে ত্রান বিতরণ সহ তিনটি উপজেলায় বিচরণ মোটেই সহজভাবে দেখছেন না জেলার ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাগণ। এমনকি শামীম সাঈদির আসার আগাম কোন খবর জানত না জেলার কুলাউড়া, জুড়ী ও বড়লেখা থানা পুলিশ। তিনটি থানার একাদিক ডিএসবি ও পুলিশ র্সোসের অজান্তেই গত ২৩ ও ২৪ জুলাই অবস্থান করেন মৌলভীবাজারে।
গোপনে আসা ও ত্রান বিতরণে প্রমান করে এ তিনটি উপজেলায় জামায়ত-শিবিরের শক্ত অবস্থান রয়েছে। আর এসব এলাকার দায়িত্বশীলদের উপর ভর করেই জামায়াত নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে শামীম সাঈদির আগমন। তবে পুলিশকে অবগত না করে সংঘবন্ধ জামায়ত-শিবিরের এ চসে বেড়ানোটায় নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। এতে চাপের মূখে রয়েছেন তিনটি থানার দায়িত্বরত অফিসার ইনর্চাজগন। এতে করে বাড়তি নজরদারী বৃদ্ধি করেছেন সর্বত্র।
সাংগঠনিক বেশ কিছু কাজ সম্পাদন করেছেন বলেও একটি সুত্র জানিয়েছে। তবে সাংগঠনিক বেশ কিছু কাজের মধ্যে কি কি বিষয় প্রধান্য দেওয়া হয়েছে সেটা জানা যায়নি। অন্য একটি সূত্র থেকে জানিয়েছে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-২ আসনে জামায়ত সমর্থীত স্বতন্ত্র প্রার্থী ডাঃ শফিকুর রহমান ও মৌলভীবাজার-১ জামায়ত সমর্থীত স্বতন্ত্র প্রার্থী মাও আমিনুল ইসলামের আসনের মাঠ পর্যায়ে অবস্থান ও স্থানীয় জামায়ত ও শিবিরের কার্যক্রম কেমন চলছে এসব বিষয় নিয়ে খোঁজ নিতেই তার আগমন। সাথে পারিবারিক অর্থায়নে ত্রান বিতরণ। এদিকে ২৪ জুলাই কুলাউড়া উপজেলার ভুকশিমইল ইউনিয়নে কয়েকশত মানুষের মাঝে ত্রান বিতরণ করেন তিনি। এসময় উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার-১ জামায়ত সমর্থীত স্বতন্ত্র প্রার্থী মাওলানা আমিনুল ইসলাম, কুলাউড়া উপজেলার আমির মাষ্টার আব্দুল বারী ও জুড়ী উপজেলার আমির মাওলানা আব্দুর রহমান। এর আগে বড়লেখা ও জুড়ীতে ত্রাণ বিতরণ করেন তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”

মন্তব্য করুন

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com