২৮ অক্টোবর  জেলা আওয়ামীলীগের কাউন্সিল: সম্পাদক পদে ভিপি মতিন

October 21, 2017,

স্টাফ রিপোর্টার॥ মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামীলীগের চলমান কমিটির সাংস্কৃতিক সম্পাদক ভিপি আব্দুল মতিন ২১ অক্টোবর শনিবার দুপুরে মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ২৮ অক্টোবরের সম্মেলন ও কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থীতার কথা ঘোষনা দেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন  ২৮ অক্টোবরের এই সম্মেলন সর্বাত্মক উৎসব মুখর ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য কেন্দ্রিয় নেতৃবৃন্দ ইতোমধ্যে যথোচিত পদক্ষেপ গ্রহন করেছেন। সম্মেলনের সকল প্রস্তুতিও এগিয়ে চলছে। ইতিমধ্যে নানা উপকমিটিও গঠন করা হয়েছে। সম্মেলন ও কাউন্সিল সফল করতে জেলার সকল শাখাও তাদের নানা সহযোগিতাও অব্যাহত রেখেছেন। এজন্য তিনি ব্যাক্তি পক্ষ থেকে দলের নিবেদীত প্রাণ তৃণমূলের এসকল নেতাকর্র্মীদের অভিনন্দন জানান। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন ২৮ অক্টোবরের সম্মেলনে স্বত্বঃস্ফূর্তভাবে এজেলার সর্বস্তরের মানুষ ব্যাপকভাবে সামিল হবেন। এবং কাউন্সিলের মাধ্যমে দলের সম্মানিত নেতাকর্মীরা তাদের আগামীদিনের এজেলার কাঙ্খিত যোগ্য ও দক্ষ নেতৃত্ব নির্বাচিত করে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রের মানস কন্যা দেশরতœ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ভিশন বাস্তবায়নের স্্েরাতধারায় সমবেত হয়ে তাদের সহযোগীতা অব্যাহত রাখবেন এমনটিই প্রত্যাশা তার। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে হত্যার মধ্যদিয়ে দেশের অসাম্প্রদায়িক চেতনা,শান্তি, নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বাধাগ্রস্থ করা হয়। বাধাগ্রস্থ করা হয় প্রাণের প্রিয় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ছাত্র রাজনীতির অনুশীলনকে। ১৯৭৫ এর পর সেই ক্রান্তিকালে আমি মৌলভীবাজারে বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে সংগঠিত করি। এবং স্বাধীনতা প্রিয়, গণতন্ত্রকামী, প্রগতিশীল, অসাম্প্রদায়িক, ব্যক্তি, গোষ্ঠী, ছাত্র, যুবক, কৃষক,শ্রমিক, সাংস্কৃতিক কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেনি পেশার মানুষসহ সর্বস্তরের জনসাধারণকে নিয়ে বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদ করি।  এ কারনে কারাবন্দি হই। সেই সময়ে আমাকে বিনা বিচারে ২১ দিন জেল কাটতে হয়েছে। এরপর আমাকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ মৌলভীবাজার কলেজ শাখার সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়। সততা ও নিষ্ঠার সাথে গুরু দায়িত্ব পালনকালে ১৯৮০ সালে কলেজ সংসদ নির্বাচনে ভিপি পদে নির্বাচন করে মতিন লিয়াকত পরিষদ পুর্ণ প্যানেলে বিজয়ী হই। এবং জেলা ছাত্রলীগের নেতৃত্ব দেই। ছাত্র রাজনীতি শেষ করে আওয়ামীলীগে যোগদান করে আজও অবধি জেলা কমিটির সফল সাংস্কৃতিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছি। আমি তৃণমূলের সম্মানিত নেতাকর্মীদের অনুরোধে আসন্ন কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছি। আমি বিশ্বাস করি ‘‘শান্তি, গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ” এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মৌলভীবাজার জেলা কমিটির সম্মেলন অত্যন্ত গুরুত্ব পুর্ণ। আওয়ামীলীগের একজন ভ্যানগার্ড হিসেবে আমি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদের দাবিদার।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”

মন্তব্য করুন

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com