বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস পালিত : প্রতিনিয়ত বাড়ছে এ রোগ

হোসাইন আহমদ॥ জেলায় প্রতিনিয়ত ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলছে। তবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য এজেলায় নেই কোনো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। ২০১১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী জেলার বর্তমান জনসংখ্যা ১৯ লক্ষ ৯৯ হাজার ৬২ জন। ওই সব লোকের জন্য মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালসহ অন্যান্য ৬ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও নেই কোনো ডায়াবেটিসের চিকিৎসক এবং হাসপাতাল গুলোতে ডায়াবেটিস রোগীতের জন্য বরাদ্দও নেই নির্দিষ্ট শয্যা। এজেলার ২০ লক্ষ মানুষের একমাত্র ভরসাস্থল মৌলভীবাজার ডায়াবেটিস সমিতি। এখানে মৌলভীবাজারের প্রত্যান্ত অঞ্চলসহ সিলেট বিভাগের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিনিয়ত শতাধিক রোগী আসেন।
জেলার মোট জনসংখ্যার কত শতাংশ লোক ডায়াবেটিসে আক্রান্ত এ হিসাব জেলা সিভিল সার্জন অফিসে নেই। পরিসংখ্যান কর্মকর্তা অহিজিত দাস বলেন, ২২ বছর ধরে এখানে চাকুরী করতেছি কিন্তু এধরনের কোনো হিসাব আমরা রাখিনি। তবে আগামী বছর থেকে পাবেন।
জেলা ডায়াবেটিস সমিতি’র অফিস সূত্রে জানা যায়, ১৯৮৪ সাল থেকে মৌলভীবাজারে ডায়াবেটিস সমিতি কার্যক্রম শুরু করার পর থেকে প্রতি মাসে গড়ে ৫/৭জন রোগী বাড়ছেন। সাব-সমিতি হিসেবে রোগীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে জেলার রাজনগর, কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গল উপজেলায় সপ্তাহে একদিন চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়। সমিতির হেলথ এডুকেয়ার এম আব্দুল বাছিত বলেন, “আমরা প্রতি বছর ৩’শ অসহায় রোগীকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান করি। আমাদের এখানে প্রতিনিয়ত রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রবাসী অধ্যুষিত মৌলভীবাজার জেলার অধিকাংশ লোক কর্মবিমুখ এবং বিলাস বহুল জীবন যাপন করায় অন্য জেলার চেয়ে তুলনা মূলক ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেশি। একটি গবেষণায় দেখা গেছে এজেলার বাসিন্দারা অতিরিক্ত তেলাক্ত খাবার খাওয়ায় এ রোগটা ব্যাপক হারে বিস্তার করছে।
এবিষয়ে জেলা সিভিল সার্জন অফিসের প্রধান সহকারী মুহাদ্দিস বকস চৌধুরী বলেন, ডায়াবেটিস সংক্রান্ত সরকারি কোনো কর্মসূচি আসলে আমরা পালন করি। ডায়াবেটিস নিয়ে আমাদের বিশেষ কোনো কর্মসূচি নেই।



মন্তব্য করুন