শ্রীমঙ্গল পাহাড়ী এলাকা হলেও শ্রীমঙ্গলে চাহিদার চেয়ে বেশি মাছ উৎপাদন হচ্ছে শ্রীমঙ্গলে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় মৎস বিভাগ

July 25, 2018,

বিকুল চক্রবর্তী॥ শ্রীমঙ্গল পাহাড়ী এলাকা হলেও শ্রীমঙ্গলে চাহিদার চেয়ে বেশি মাছ উৎপাদন হচ্ছে। জাতীয় মৎস সপ্তাহ ২০১৮ উপলক্ষ্যে মৎস সেক্টরে সরকারের অগ্রগতি বিষয়ে  শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে আলোচনা সভায় এ কথা বলেন উপজেলা মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা।

২৪ জলাই মঙ্গলবার সকালে শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লাবে সিনিয়র উপজেলা মৎস দপ্তরের আয়োজনে প্রেসক্লাব সহ-সভাপতি শামীম আক্তার হোসেনের সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস কর্মকর্তা মোঃ সহিদুর রহমান সিদ্দিকী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাপ্তাহিক আলোকন পত্রিকার সম্পাদক হুমায়ুন কবির রিপন, উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি চৌধুরী ভাস্কর হোম, সাধারণ সম্পাদক বিকুল চক্রবর্তী, সিনিয়র উপজেলা মৎস দপ্তরের ক্ষেত্র সহকারী সন্তোস রঞ্জন দত্ত প্রমুখ।

এ সময় বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রেসক্লাবের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রজত শুভ্র চক্রবর্তী, সদস্য এস কে দাশ সুমন, জীবন কান্তি দেব প্রমুখ।

সভায় মৎস সপ্তাহে বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন মৎস কার্যক্রমের তথ্যাবলী উত্তাপন করে কর্মকর্তারা আরো বলেন, শ্রীমঙ্গলে বার্ষিক উৎপাদন ৮ হাজার ৭ শত ৮ মেট্রিকটন আর চাহিদা ৬ হাজার ৯শত ৬৪ মেট্রিকটন। এ সময় তারা বলেন, মৎস্যজীবিদের জীবনমানের উন্নয়নে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নির্দেশে প্রকৃত মৎস্যজীবি যাচাই করে ২ হাজার ৭শত ৭৬টি আইডি কার্ড প্রদান করে তাদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দেয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে ৫শ জন মৎস্যচাষীকে প্রশিক্ষনও দেয়া হয়েছে। এই ধারাবাহিকতায় সারা দেশেই মৎস্য সেক্টরে বিপুল পরিমান সাফল্য এসেছে।

এসময় সাংবাদিকরা বলেন, শ্রীমঙ্গলের চার পাশে পাহাড় আর এক পাশে রয়েছে হাইল হাওরের কিছু অংশ। যা প্রাকৃতিক মৎস্য ভান্ডার হিসেবে দীর্ঘদিন ধরেই খ্যাত। সময়ের আর্বতে পাহাড়ী ছড়া ও নদী দিয়ে আসা বালি ও শহরের ময়লা হাওরে এসে হাইল হাওর  ভরাট হয়ে সংকীর্ণ হয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে হাওরের বিল ও খাস জমি রয়েছে দখলদারদের গহব্বরেও। এই হাওর বাঁচাতে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে উদ্যোগী ভুমিকা রাখারও আহবান জানান সাংবাদিকরা।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”

মন্তব্য করুন

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com