চরদিনেও নারীর মস্তক ও একটি পায়ের সন্ধান মেলেনি

স্টাফ রিপোর্টার॥ শ্রীমঙ্গলে একটি পা, দুটি হাত ও খন্ডিত মরদেহ পাওয়া গেলেও এখনো নারীর মস্তক ও একটি পা পাওয়া যায়নি। তবে মস্তক খুঁজে বের করতে পুলিশের তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে।
২১ জুন সোমবার দূপুরে মীর্জাপুর ইউনিয়নের পাচাউন গ্রামে কৃষক মাখন দেবের মুখি ক্ষেতে মানুষের দেহ থেকে খন্ডিত একটি পা দেখতে পায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে দেখতে পায় কমর থেকে হাঁঠু পর্যন্ত এক টুকরো এবং হাঁঠু থেকে পায়ের নিচের অংশ আরেক টুকরো। পাশে একটি প্লাস্টিকের ছোট বস্তা রয়েছে। ধারণা করা হয় প্লাস্টিকের ওই বস্তাতে পায়ের এ টুকরা গুলো ছিলো। পরে ওই দেহের বাকী অংশ খোঁজতে গিয়ে প্রায় অর্ধ কিলোমিটার দূরে একই গ্রামের সুশাঙ্ক দত্তের বাঁশঝারে একটি হাত ও পাশে গৌরাঙ্গ দত্তের বাঁশঝারে আরও একটি হাতের সন্ধান মিলে। পুলিশ মুখমন্ডল সহ লাশের বাকী অংশ খুঁজছে। দেহ, পা ও দুটি হাত উদ্ধার করে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য সংরক্ষণে রাখতে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস ছালেক জানান, মীর্জাপুর ইউনিয়নের দক্ষিন পাচাউন গ্রামের পৃথক স্থান থেকে অজ্ঞাত এক নারীর হাত পা পাওয়ার পর মঙ্গলবার সকালে পূর্বের ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার দুরত্বে উত্তর বৌলাছড়ার নির্জন পাহাড়ী এলাকায় পাওয়া যায় শরীরের গলা থেকে কোমরের অংশ।
তিনি আরও জানান, যেখানে শরীরের অংশ পাওয়া গেছে এটি পাহাড়ী এলাকা। এর আশে পাশে কোন বসতি নেই। উদ্ধার হওয়া দেহ একজন নারীর সেটি পরিস্কার বুঝা যাচ্ছে। মস্তক ও নারীর পরিচয় সন্ধানে পুলিশ কাজ করছে। আশেপাশের থানা গুলোসহ দেশের সব থানায় মেসেজ পাঠানো হয়েছে কোন নারী মিসিং কেস আছে কিনা, থাকলে শ্রীমঙ্গল থানাকে অবগত করতেও বলা হয়েছে ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শ্রীমঙ্গল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হুমায়ুন কবির বলেন, আমরা বিভিন্ন জায়গায় খন্ডিত মরদেহের মাথা ও একটি পায়ের খোঁজ করছি। এখনো সেটা পাওয়া যায়নি। আমরা বিভিন্নভাবে খন্ডিত মরদেহের পরিচয় ও মস্তক খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি। তিনি আরো জানান নারীর পরিচয় জানতে মস্তক ও পায়ের খুঁজে পুলিশ তৎপর রয়েছে।



মন্তব্য করুন