চিরকোটে লিখে কুশিয়ারা নদীর পাড়ে গিয়ে নিখোঁজ গৌরাঙ্গা ভট্টাচার্য

September 13, 2013, এই সংবাদটি ১৭৮ বার পঠিত

মানুষকে বিশ্বাস করে আমি সাদা স্ট্যাম্পে দস্তখত দিয়ে আজ সর্বহারা হতে চলেছি। আমার এই পরিনতির জন্য দায়ি কয়েক জনের নাম উল্লেখ করেন। মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রাম গ্রামের গৌরাঙ্গ ভট্টাচার্য (৫৭) বাড়িতে এ ধরণের চিরকুট লিখে বাড়িতে রেখে গত ১ সপ্তাহ ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। এই নিখোঁজের ঘটনায় তার পরিবার পরিজনসহ এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে শোক বিহ্বল অবস্থা বিরাজ করছে। এ ঘটনায় মৌলভীবাজার মডেল থানায় ৯ সেপ্টেম্বর সোমবার রাতে একটি জিডি করা হয়েছে। হাতের লেখা চিরকোট সুত্রে জানা যায়, মৌলভীবাজার সদর উপজেলার রসিক ভট্টাচার্যের ছেলে গৌরাঙ্গ ভট্টাচার্য গৌরা পৈত্রিক সুত্রে মূল্যবান বেশ কিছু ভূ-সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হন। সহজ সরল এই মানুষটির সম্পত্তির প্রতি লোলুপ দৃষ্টি পড়ে ভূমি খেকোচক্রের। এই চক্র তার সাথে সখ্যভাব গড়ে তোলে বেশ কয়েকটি সাদা স্ট্যাম্পে সাক্ষর নেয়। এ ধরণের প্রতারণার জ্বালা সইতে না পেরে নিজ হাতে চিরকোট লিখে রেখে গত ৯ সেপ্টেম্বর সোমবার সকাল ৮টার দিকে ইট ভর্তি একটি বস্তা নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এরপরই তিনি আর বাড়িতে ফিরে আসেননি। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও বাড়িতে ফিরে না আসায় বিষয়টি প্রতিবেশিদের জানান নিখোঁজ হওয়া ব্যক্তির স্ত্রী। এরপর ঘরের বুক সেলফে সংরক্ষিত একটি ডায়েরির মধ্যে পাওয়া যায় এই চিরকোট। কুশিয়ারা ব্রিজের পাশে তার ব্যবহৃত সেন্ডেল পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। প্রতিবেশি অরবিন্দ পোদ্দার বাচ্চু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান মঙ্গলবার সকাল থেকে গৌরাঙ্গ ভট্টাচার্যের নিখোঁজের ঘটনায় নৌ ও স্থল পথে মাইকিং করে এবং আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে খোজ করে তার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। মডেল থানার ওসি আজিজুর রহমান জিডি ও চিরকোট লিখে নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে জানান এ ব্যাপারে পুলিশ আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্নে তৎপর রয়েছে।
মানুষকে বিশ্বাস করে আমি সাদা স্ট্যাম্পে দস্তখত দিয়ে আজ সর্বহারা হতে চলেছি। আমার এই পরিনতির জন্য দায়ি কয়েক জনের নাম উল্লেখ করেন। মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রাম গ্রামের গৌরাঙ্গ ভট্টাচার্য (৫৭) বাড়িতে এ ধরণের চিরকুট লিখে বাড়িতে রেখে গত ১ সপ্তাহ ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। এই নিখোঁজের ঘটনায় তার পরিবার পরিজনসহ এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে শোক বিহ্বল অবস্থা বিরাজ করছে। এ ঘটনায় মৌলভীবাজার মডেল থানায় ৯ সেপ্টেম্বর সোমবার রাতে একটি জিডি করা হয়েছে। হাতের লেখা চিরকোট সুত্রে জানা যায়, মৌলভীবাজার সদর উপজেলার রসিক ভট্টাচার্যের ছেলে গৌরাঙ্গ ভট্টাচার্য গৌরা পৈত্রিক সুত্রে মূল্যবান বেশ কিছু ভূ-সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হন। সহজ সরল এই মানুষটির সম্পত্তির প্রতি লোলুপ দৃষ্টি পড়ে ভূমি খেকোচক্রের। এই চক্র তার সাথে সখ্যভাব গড়ে তোলে বেশ কয়েকটি সাদা স্ট্যাম্পে সাক্ষর নেয়। এ ধরণের প্রতারণার জ্বালা সইতে না পেরে নিজ হাতে চিরকোট লিখে রেখে গত ৯ সেপ্টেম্বর সোমবার সকাল ৮টার দিকে ইট ভর্তি একটি বস্তা নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এরপরই তিনি আর বাড়িতে ফিরে আসেননি। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও বাড়িতে ফিরে না আসায় বিষয়টি প্রতিবেশিদের জানান নিখোঁজ হওয়া ব্যক্তির স্ত্রী। এরপর ঘরের বুক সেলফে সংরক্ষিত একটি ডায়েরির মধ্যে পাওয়া যায় এই চিরকোট। কুশিয়ারা ব্রিজের পাশে তার ব্যবহৃত সেন্ডেল পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। প্রতিবেশি অরবিন্দ পোদ্দার বাচ্চু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান মঙ্গলবার সকাল থেকে গৌরাঙ্গ ভট্টাচার্যের নিখোঁজের ঘটনায় নৌ ও স্থল পথে মাইকিং করে এবং আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে খোজ করে তার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। মডেল থানার ওসি আজিজুর রহমান জিডি ও চিরকোট লিখে নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে জানান এ ব্যাপারে পুলিশ আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্নে তৎপর রয়েছে। স্টাফ রিপোর্টার॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •