শ্রীমঙ্গলে বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত; সভাপতি- অরবিন্দ ও সম্পাদক দ্বীপেন্দ্র

June 9, 2026,

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি : শ্রীমঙ্গলে বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ, শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলন শেষে শ্রী অরবিন্দ ভট্টাচার্যকে সভাপতি এবং শ্রী দ্বীপেন্দ্র ভট্টাচার্যকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করে ৪১ সদস্যবিশিষ্ট একটি কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়।

৯ জুন মঙ্গলবার বিকেলে শ্রীমঙ্গল সার্বজনীন দুর্গাবাড়িতে আয়োজিত এ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা ব্রাহ্মণ সংসদের সভাপতি শ্রী অসিত রঞ্জন ভট্টাচার্য।

বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ, শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার আহ্বায়ক শ্রী অরবিন্দ ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব শ্রী কেতকী ভট্টাচার্য, কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক বিশ্বনাথ ভট্টাচার্য বুলবুল, মৌলভীবাজার জেলা কমিটির সহ-সম্পাদক মতিলাল ভট্টাচার্য, কেন্দ্রীয় কমিটির সিলেট বিভাগীয় সমন্বয়ক জয়ন্ত ভট্টাচার্য, শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক দ্বীপেন্দ্র ভট্টাচার্য, শ্রীমঙ্গল ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অয়ন চৌধুরী, শ্রীমঙ্গল রামকৃষ্ণ মিশনের সাধারণ সম্পাদক নির্মল ভট্টাচার্য, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক বেণুধর ভট্টাচার্য এবং অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা সুকেশ চৌধুরী।

এছাড়াও বক্তব্য দেন পান্নালাল ভট্টাচার্য, হরিপদ গোস্বামী, সঞ্জয় চক্রবর্তী, স্নেহেন্দু বিকাশ গোস্বামী (ভজন), পান্না ভট্টাচার্য, মৃদুল ভট্টাচার্য, দীপংকর ভট্টাচার্য, গোপিকা রঞ্জন ভট্টাচার্য, ঝলক চক্রবর্তী, শ্যামল আচার্য ও বিকুল চক্রবর্তী প্রমুখ। সম্মেলনে জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের শতাধিক ব্রাহ্মণগণ অংশগ্রহণ করেন।

সভায় বক্তারা বলেন, সৃষ্টির আদিকাল থেকেই সনাতন ধর্মের আচার-অনুষ্ঠান, দর্শন ও বিধিবিধানের বিকাশে ব্রাহ্মণ সমাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। মুনি-ঋষিদের মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করা ধর্মীয় জ্ঞান ও শাস্ত্রের ধারক-বাহক হিসেবে ব্রাহ্মণদের দায়িত্ব হলো বৃহত্তর সনাতনী সমাজের কল্যাণ, ঐক্য ও অগ্রগতির জন্য কাজ করা।

কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিজয় কৃষ্ণ ভট্টাচার্য  তাঁর বক্তব্যে বলেন, ব্রাহ্মণ সমাজের ঐতিহ্য, মূল্যবোধ ও ধর্মীয় সংস্কৃতি সংরক্ষণে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মকে ধর্মীয় শিক্ষা, নৈতিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। তিনি বলেন, ব্রাহ্মণ সমাজে সংস্কৃত তথা দেবভাষার চর্চা আরও বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। বিশেষ করে ব্রাহ্মণ সমাজের শিক্ষা, সাংস্কৃতিক বিকাশ ও সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির লক্ষ্যে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”

মন্তব্য করুন

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com