বড়লেখায় ইলেক্ট্রিসিয়ানের আ/ত্মহ/ত্যা : পলি ক্লিনিকের স্টাফ নার্স কা/রাগা/রে 

August 18, 2026,

আব্দুর রব : বড়লেখায় ইলেক্ট্রিসিয়ান ইলিয়াছ হোসাইনের (৩৮) আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে থানা পুলিশ বড়লেখা পলি ক্লিনিকের নার্স (সেবিকা) লাক্সমি রংডি (২৪)-কে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে। লাক্সমি রংডি কুলাউড়া উপজেলার সাহেবটিলা এলাকার ফরিদ সাংমার মেয়ে। লাক্সমি আড়াই বছর ধরে স্টাফ নার্স হিসেবে বড়লেখা পলি ক্লিনিকে কর্মরত।

অপরদিকে গলায় গামছা পেচিয়ে আত্মহত্যাকারি যুবক ইলিয়াছ হোসাইন বড়লেখা পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ড মুড়িরগুলের মো. ইউসুফ আলীর ছেলে। সে ১১ আগস্ট রাতে শয়নকক্ষে সিলিং ফ্যানে ঝুলে আত্মহত্যা করে। এঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ তোলে নিহতের বাবা মো. ইউসুফ আলী পলি ক্লিনিকের সেবিকা লাক্সমি রংডি-কে আসামি করে থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় ১২ আগস্ট পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। তবে, ঘটনার পেছনে বড়লেখা পলি ক্লিনিকের মেডিকেল অফিসার ডা. তানভীর আহমদকে জড়িয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বিবাহিত এক সন্তানের জনক ইলিয়াছ হোসাইন বড়লেখা পলি ক্লিনিকে ইলেক্ট্রিকের কাজের সুবাদে স্টাফ নার্স লাক্সমি রংডির সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ঘটনার দিনে বিয়ের জন্য তারা দুইজন অজ্ঞাত স্থানে যাওয়ার কথা ছিল। বেশ কিছু দিন থেকে লাক্সমি রংডি ইলিয়াছ হোসাইনকে বিয়ে করতে পলি ক্লিনিক থেকে অব্যাহতি চাচ্ছিলেন। কিন্তু ডা. তানভীর আহমদ তাকে অব্যাহতি দেননি। এ নিয়ে লাক্সমি রংডির সাথে প্রেমিক ইলিয়াছ হোসাইনের মারাত্মক দুরত্ব সৃষ্টি হয়।

বড়লেখা থানার ওসি মো: মনিরুজ্জামান খান জানান, ইলেক্ট্রিসিয়ান ইলিয়াছ হোসেনের আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ তোলে তার বাবা পলি ক্লিনিকের নার্স লাক্সমি রংডি-কে আসামি করে থানায় মামলা করেন। এরপর পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।

এব্যাপারে জানতে বড়লেখা পলি ক্লিনিকে গিয়ে মেডিকেল অফিসার ডা. তানভীরকে পাওয়া যায়নি। মোবাইল ফোনে রিং হলেও লাইন কেটে দেওয়ায় তার কোনো বক্তব্য নেওয়া যায়নি।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”

মন্তব্য করুন

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com