কমলগঞ্জে বড় ধরনের দূর্ণীতি আশ্রয়ে : অফিস সহকারী নিয়োগের অভিযোগ। মেয়েদের অগ্রাধিকারের কথা থাকলেও বিধি মানা হয়নি

October 22, 2013, এই সংবাদটি ৩৫৪ বার পঠিত

কমলগঞ্জ উপজেলা সদরে গণ-মহাবিদ্যালয়ে বড় ধরনের দূর্ণীতির আশ্রয়ে একজন অফিস সহকারী নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। লিখিত পরীক্ষায় মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহার করা হয়। প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে মেয়েদের অগ্রাধিকারের কথা উল্লেখ থাকলেও লিখিত পরীক্ষায় উচ্চ শিক্ষিত যোগ্য মেয়ে প্রার্থীতে বাদ দিয়ে বিধি মানা হয়নি। ১৮ অক্টোবর শুক্রবার কমলগঞ্জ গণ-মহাবিদ্যালয়ে এ ধরনের দূর্ণীতির আশয়েকর্তৃপক্ষের পছন্দের ছেলে প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার পদে অংশ গ্রহনকারী এম এ পাশ পরীক্ষার্থীনি মেয়ে প্রার্থী খন্দকার শেফা অভিযোগ করে বলেন, ২ আগষ্ট ২০১৩ ইং জাতীয় দৈনিক সমকাল প্রত্রিকায়কমলগঞ্জ গণ-মবাবিদ্যালয়ে একজন অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেখে তিনিসহ মোট ১০ জন মেয়ে প্রার্থী এ পদে পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করেছিলেন। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছিল মেয়েদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তাদের প্রতিদ্বন্ধী ছিলেন ৩ জন ছেলে প্রার্থী। ১৮ অক্টোবর শুক্রবার সকালে নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ গ্রহনে এসে প্রশ্ন গ্রহন করে পরীক্ষা শুরুর পূর্বেই প্রসেঞ্জীৎ পাল নামে ¯œাতক পাশ এক পরীক্ষার্থী সকল প্রশ্নের উত্তর লিখতে শুরু করেন। তাছাড়ি ওই ছেলে পরীক্ষার্থী পরীক্ষার সময় মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহার করে ইন্টারনেট সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর লিখতে থাকেন। তিনি আরও বলেন, সাধারনত কিনো মিক্ষা প্রতিষ।ঠানে নিয়োগ পরীক্ষার দিন তাৎক্ষনিকভাবে প্রশ্ন তৈরী করা হলেও এ ক্ষেত্রে কলেজ অধ্যক্ষ আগের দিন লিথি পরীক্ষার প্রশ্ন তৈরী করে তাদের পছন্দের প্রার্থী প্রসেঞ্জীৎ পালকে সরবরাহ করেছেন বলে মনে হয়েছে। লিখিত পরীক্ষায় মেয়েদের মদ্যে তিনি(খন্দকার শেফা) সর্বোচ্চ ২৩ নম্বর পেয়েছেন। মেয়েদের অগ্রাধিকারের বিধি অনুযায়ী তিনিই এ পদের যোগ্য বিবেচিত হয়েছেন। তিনি পদটি গ্রহন না করলে পরবর্তীতে অন্য মেয়ে বা যোগ্য ছেলে প্রার্থীকে এ পদে নিয়োগ দেবার কথা। একই অভিযোগ করেন নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ গ্রহনকারী সিমা চন্দ ও সোনিয়া আক্তার। খন্দকার শেফা আরও অভিযোগ করে বলেন, তাকে মৌখিক পরীক্ষায় দীর্ঘ সময় রেখে ধারাবাহিকভাবে প্রশ্ন করা হলেও কর্তৃপক্ষের পছন্দের প্রার্থীকে(প্রসেঞ্জীৎ পালকে) পূর্বের প্রতিষ্ঠান ছেলে এ পদে আসবে কিনা একটি প্রশ্ন করে ছেড়ে দেওয়া হয়। অন্য দিকে নিয়োগ কমিটির সদস্যরা সবার উপস্থিতির পূর্বেই কলেজ অধ্যক্ষ লিখিত পরীক্ষার সকল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন। সোমবার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান জানান, যেহেতু বিজ্ঞপ্তিতে মেয়েদের অগ্রাধিকারের কথা উল্লেখ আছে সেহেতু ১০ জন মেয়ে প্রার্থীর মধ্য থেকে যোগ্য একজন মেয়ে প্রার্থীকে নিয়োগ করার কথা। তাছাড়া লিখিত পরীক্ষার দিন তাৎক্ষনিক প্রশ্ন তৈরী করা হয়। এখানে আগের দিন প্রশ্ন করলে পরীক্ষা নিয়ে স্বচ্ছতা থাকে না। নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহনকারী অধিকার বঞ্চিত মেয়ে প্রার্থীরা জোর দাবী করে বলেন,কলেজ অধ্যক্ষ পরিচালনা কমিটির সভাপতিসহ প্রভাবশালী সদস্যদের বুঝিয়ে কিছু সুবিধা গ্রহন করেই নিজের পছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগ দিচ্ছেন। এ নিয়োগ পরীক্ষাটি বাতিল করে পূনরায় নতুন করে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠানেরও তারা দাবী জানান।
কমলগঞ্জ উপজেলা সদরে গণ-মহাবিদ্যালয়ে বড় ধরনের দূর্ণীতির আশ্রয়ে একজন অফিস সহকারী নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। লিখিত পরীক্ষায় মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহার করা হয়। প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে মেয়েদের অগ্রাধিকারের কথা উল্লেখ থাকলেও লিখিত পরীক্ষায় উচ্চ শিক্ষিত যোগ্য মেয়ে প্রার্থীতে বাদ দিয়ে বিধি মানা হয়নি। ১৮ অক্টোবর শুক্রবার কমলগঞ্জ গণ-মহাবিদ্যালয়ে এ ধরনের দূর্ণীতির আশয়েকর্তৃপক্ষের পছন্দের ছেলে প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার পদে অংশ গ্রহনকারী এম এ পাশ পরীক্ষার্থীনি মেয়ে প্রার্থী খন্দকার শেফা অভিযোগ করে বলেন, ২ আগষ্ট ২০১৩ ইং জাতীয় দৈনিক সমকাল প্রত্রিকায়কমলগঞ্জ গণ-মবাবিদ্যালয়ে একজন অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেখে তিনিসহ মোট ১০ জন মেয়ে প্রার্থী এ পদে পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করেছিলেন। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছিল মেয়েদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তাদের প্রতিদ্বন্ধী ছিলেন ৩ জন ছেলে প্রার্থী। ১৮ অক্টোবর শুক্রবার সকালে নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ গ্রহনে এসে প্রশ্ন গ্রহন করে পরীক্ষা শুরুর পূর্বেই প্রসেঞ্জীৎ পাল নামে ¯œাতক পাশ এক পরীক্ষার্থী সকল প্রশ্নের উত্তর লিখতে শুরু করেন। তাছাড়ি ওই ছেলে পরীক্ষার্থী পরীক্ষার সময় মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহার করে ইন্টারনেট সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর লিখতে থাকেন। তিনি আরও বলেন, সাধারনত কিনো মিক্ষা প্রতিষ।ঠানে নিয়োগ পরীক্ষার দিন তাৎক্ষনিকভাবে প্রশ্ন তৈরী করা হলেও এ ক্ষেত্রে কলেজ অধ্যক্ষ আগের দিন লিথি পরীক্ষার প্রশ্ন তৈরী করে তাদের পছন্দের প্রার্থী প্রসেঞ্জীৎ পালকে সরবরাহ করেছেন বলে মনে হয়েছে। লিখিত পরীক্ষায় মেয়েদের মদ্যে তিনি(খন্দকার শেফা) সর্বোচ্চ ২৩ নম্বর পেয়েছেন। মেয়েদের অগ্রাধিকারের বিধি অনুযায়ী তিনিই এ পদের যোগ্য বিবেচিত হয়েছেন। তিনি পদটি গ্রহন না করলে পরবর্তীতে অন্য মেয়ে বা যোগ্য ছেলে প্রার্থীকে এ পদে নিয়োগ দেবার কথা। একই অভিযোগ করেন নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ গ্রহনকারী সিমা চন্দ ও সোনিয়া আক্তার। খন্দকার শেফা আরও অভিযোগ করে বলেন, তাকে মৌখিক পরীক্ষায় দীর্ঘ সময় রেখে ধারাবাহিকভাবে প্রশ্ন করা হলেও কর্তৃপক্ষের পছন্দের প্রার্থীকে(প্রসেঞ্জীৎ পালকে) পূর্বের প্রতিষ্ঠান ছেলে এ পদে আসবে কিনা একটি প্রশ্ন করে ছেড়ে দেওয়া হয়। অন্য দিকে নিয়োগ কমিটির সদস্যরা সবার উপস্থিতির পূর্বেই কলেজ অধ্যক্ষ লিখিত পরীক্ষার সকল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন। সোমবার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান জানান, যেহেতু বিজ্ঞপ্তিতে মেয়েদের অগ্রাধিকারের কথা উল্লেখ আছে সেহেতু ১০ জন মেয়ে প্রার্থীর মধ্য থেকে যোগ্য একজন মেয়ে প্রার্থীকে নিয়োগ করার কথা। তাছাড়া লিখিত পরীক্ষার দিন তাৎক্ষনিক প্রশ্ন তৈরী করা হয়। এখানে আগের দিন প্রশ্ন করলে পরীক্ষা নিয়ে স্বচ্ছতা থাকে না। নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহনকারী অধিকার বঞ্চিত মেয়ে প্রার্থীরা জোর দাবী করে বলেন,কলেজ অধ্যক্ষ পরিচালনা কমিটির সভাপতিসহ প্রভাবশালী সদস্যদের বুঝিয়ে কিছু সুবিধা গ্রহন করেই নিজের পছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগ দিচ্ছেন। এ নিয়োগ পরীক্ষাটি বাতিল করে পূনরায় নতুন করে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠানেরও তারা দাবী জানান। কমলগঞ্জ প্রতিনিধি॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •